দিনাজপুরের অটোমেটিক রাইস মিলের বয়লার বিস্ফোরণে দগ্ধ মুকুল চন্দ্র, মুন্না ও রিপন নামে আরও তিনজন মারা গেছেন। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মুকুল ও সাড়ে ৭টার দিকে মুন্না রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এবং রিপন সাড়ে ৬টায় দিনাজপুরে মারা যান। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১২ জনে।
 


দিনাজপুরের অটোমেটিক রাইস মিলের বয়লার বিস্ফোরণে দগ্ধ মুকুল চন্দ্র, মুন্না ও রিপন নামে আরও তিনজন মারা গেছেন। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মুকুল ও সাড়ে ৭টার দিকে মুন্না রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এবং রিপন সাড়ে ৬টায় দিনাজপুরে মারা যান। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১২ জনে।


গেল পাঁচ দিনে অঞ্জনা, মোকছেদ আলী, আরিফুল ইসলাম, রুস্তম আলী, রনজিৎ রায়, শফিকুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, দুলাল মিয়া ও উদয় চন্দ্র বর্মন মারা যান। এদের মধ্যে রনজিৎ এবং দেলোয়ার ঢাকায় এবং রিপন দিনাজপুরে ও অন্য সবাই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।



রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন আন্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. মারুফুল ইসলাম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দিনাজপুরের সদর উপজেলায় গোপালগঞ্জ শেখহাটিস্থ যমুনা অটোমেটিক রাইস মিলের বয়লার বিস্ফোরণ ঘটে। এতে আহত ২৮ জনকে এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ১৭ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় এ নিয়ে নয়জনের মৃত্যু হয়।



জানা গেছে, যমুনা অটোমেটিক রাইস মিলে সকাল থেকে ধান ছাঁটাইয়ের কাজ চলছিল। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মিলের বয়লার প্রচণ্ড গরম হয়ে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ২৮ জন শ্রমিক আহত হন।

Post A Comment: