ষতিকর জর্দ্দা উৎপাদন এবং অবৈধভাবে বিএসটিআইর মানচিহ্ন ব্যবহার করায় মানিকগঞ্জের আকিজ জর্দ্দা কারখানাকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করেছে বিএসটিআইএর ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে ১০ লাখ টাকা মূল্যের দেড় হাজার কার্টুন পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে।
 আকিজ জর্দ্দার জরিমানা, ১০ লাখ টাকার পণ্য ধ্বংস


ষতিকর জর্দ্দা উৎপাদন এবং অবৈধভাবে বিএসটিআইর মানচিহ্ন ব্যবহার করায় মানিকগঞ্জের আকিজ জর্দ্দা কারখানাকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করেছে বিএসটিআইএর ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে ১০ লাখ টাকা মূল্যের দেড় হাজার কার্টুন পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে।


সোমবার মানিকগঞ্জের গোলড়ায় আকিজ জর্দ্দা কারখানার ইনচার্জ রুহুল কুদ্দুসসহ তিন কর্মকর্তাকে এই জরিমানা করা হয়। ঢাকা মহানগরীসহ চারটি জেলায় এই অভিযান চালায় বিএসটিআই। এই অভিযানে মোট পাঁচ লাখ ৬৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা ও ছয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। ধ্বংস করা হয় ২০ লাখ টাকার পণ্য।

বিএসটিআইয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মানিকগঞ্জ জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা শাহনাজের নেতৃত্বে আকিজ জর্দ্দা কারখানায় অভিযান চালানো হয়। এসময় র‍্যাব-৪ এর মেজর আব্দুল হাকিম ও বিএসটিআইর সহকারী পরিচালক এস এম আবু সাঈদ উপস্থিত ছিলেন।

বিএসটিআই এর অন্য একটি দল অভিযান চালায় ঢাকার বেগমবাজার এলাকার। গুণগতমান পরীক্ষণ ছাড়া আমদানিকৃত সফট ড্রিংক পাউডার (ট্যাংক ব্রান্ড), টয়লেট সাবান, মিল্ক পাউডারসহ বিভিন্ন ভোগ্য ও কসমেটিক্স পণ্য বিক্রির দায়ে জারা এন্টারপ্রাইজের মালিক নজরুল ইসলাম টিপুকে ১০ হাজার টাকা, আব্দুল হাকিম ট্রেডার্সের মালিক আব্দুল হাকিম শিকদারকে সাত হাজার টাকা, রাহাত এন্টারপ্রাইজের মালিক রমজান আলীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বিআরবি ব্রান্ডের নকল ক্যাবল উৎপাদন ও বিক্রির দায়ে বকশীবাজার রোডে একটি প্রতিষ্ঠানটির তিনজন ব্যবস্থাপককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেয় আদালত। ধ্বংস করা হয় জব্দ করা ১০০ কয়েল ক্যাবল। ঢাকা জেলার ম্যাজিস্ট্রেট মো. তোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করেন।





কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদি উপজেলায় বিএসটিআইর লাইসেন্স ছাড়াই সংস্থাটির মানচিহ্ন ব্যবহারের দায়ে এবং মানহীন সিনথেকটিক ডিটারজেন্ট পাউডার (রানী এক্সেল, রানী পাওয়ার হোয়াইট ও জান্নাত ক্লিন হোয়াইট) এবং লন্ড্রি সোপ (রানী বল সাবান) উৎপাদন, বিক্রি ও বিতরণের প্রতিষ্ঠানটির দুইজন মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির মালিক হাবিবুল্লাহ কাজল ও আব্দুল্লাহকে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও তিন মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এখানে প্রায় ১০ লাখ টাকার জব্দকৃত মালামাল ধ্বংস করা হয়।

স্কিনক্রিম ও শ্যাম্পু পণ্যের অনুকূলে বিএসটিআইর লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করায় কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে অপর এক অভিযানে নাইন ফাইন কেয়ার প্রোডাক্টস নামক প্রতিষ্ঠানের মালিক সাদিকুর রহমানকে ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের কাগমারী এলাকায় অভিযান চালায় বিএসটিআইএর আরেকটি দল। নোংরা পরিবেশে পাউরুটি, বিস্কুট ও কেক পণ্য উৎপাদন এবং অবৈধভাবে বিএসটিআই এর মানচিহ্ন ব্যবহার করায়মাস্টার বেকারির মালিক আলমকে ২০ হাজার টাকা এবং সোহাগ বেকারির মালিক শাহজাহানকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। টাঙ্গাইল জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুনমুন জাহান লিজা এ অভিযান পরিচালনা করেন।

Post A Comment: