পৃথিবীর অন্যতম পরিচিত প্রাণী পান্ডাকে চিনিয়ে দিতে এর গায়ের রংটাই যথেষ্ট। এর শরীরের সাদাকালো নকশাটি সবারই নজর কাড়ে। কিন্তু সে তো তৃণভোজী, তার তো শিকার আকর্ষণ করার দরকার নেই। তাহলে তার এমন বিশেষ রং-নকশা থাকার কারণ কী? বিহেভিয়রাল ইকোলজি জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণা এ রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে সম্প্রতি। তারা বিভিন্ন প্রাণীর রং, নকশা এবং পরিবেশের সাথে সেই নকশার সম্পর্ক বিশ্লেষণ করেন। দেখা যায়, পান্ডা কোনো কোনো সময়ে বরফে থাকে, কোনো কোনো সময়ে থাকে ঘন বনে। এতে সাদা এবং কালো দুই রঙের মাঝেই তাদেরকে আত্মগোপন করে থাকতে সাহায্য করে শরীরের এই রং। তবে কান এবং চোখের আশেপাশের রংটা তাদেরকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ বজায় রাখতে সাহায্য করে।


পৃথিবীর অন্যতম পরিচিত প্রাণী পান্ডাকে চিনিয়ে দিতে এর গায়ের রংটাই যথেষ্ট। এর শরীরের সাদাকালো নকশাটি সবারই নজর কাড়ে। কিন্তু সে তো তৃণভোজী, তার তো শিকার আকর্ষণ করার দরকার নেই। তাহলে তার এমন বিশেষ রং-নকশা থাকার কারণ কী?
 
বিহেভিয়রাল ইকোলজি জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণা এ রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে সম্প্রতি। তারা বিভিন্ন প্রাণীর রং, নকশা এবং পরিবেশের সাথে সেই নকশার সম্পর্ক বিশ্লেষণ করেন। দেখা যায়, পান্ডা কোনো কোনো সময়ে বরফে থাকে, কোনো কোনো সময়ে থাকে ঘন বনে। এতে সাদা এবং কালো দুই রঙের মাঝেই তাদেরকে আত্মগোপন করে থাকতে সাহায্য করে শরীরের এই রং। তবে কান এবং চোখের আশেপাশের রংটা তাদেরকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ বজায় রাখতে সাহায্য করে।
 
এই প্রাণীটি বরফ এবং বন উভয় জায়গাতেই বাস করে, ফলে শরীরের এই নকশা তাদের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণেও কাজে আসতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে। এইরকম সাদাকালো রং অন্যান্য যেসব প্রাণীদের আছে তাদের নিয়েও বিতর্ক কম হয়নি। জেব্রা নিয়ে অনেকদিন ধরেই বিভ্রান্ত বিজ্ঞানীরা। ধারণা করা হয় মারাত্মক সিসি মাছির চোখ এড়াতে এই নকশা থাকে তাদের শরীরে। পেঙ্গুইনের সাদাকালো নকশা আবার কাউন্টারশেডিং এর মাধ্যমে তাদেরকে লুকিয়ে থাকতে সাহায্য করে। কিন্তু পান্ডার ক্ষেত্রে এগুলোর কোনোটাই খাটে না।
 
সাম্প্রতিক এই গবেষণায় কম্পারেটিভ ফাইলোজেনেটিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। ১৯৫ টি মাংসাশী প্রজাতি এবং ৩৯টি ভালুক জাতীয় উপপ্রজাতির তথ্য নেওয়া হয়। দেখা যায় হালকা রং থাকলে তা বরফের মাঝে লুকাতে সাহায্য করে, আর গাড় রং থাকলে তা বনের মাঝে লুকাতে সাহায্য করে। এতে দেখা যায় পান্ডারা এই দুইয়ের মাঝামাঝি থেকে দুটো সুবিধাই পায়। আরও দেখা যায়, পান্ডার মতো যেসব প্রাণীতে কান ও চোখের আশেপাশে মুখের চাইতে আলাদা রং থাকে, তারা বেশ হিংস্র হয়। গবেষকেরা বলেন এর অর্থ হতে পারে পান্ডারা নিজেদের মাঝে যোগাযোগ করতে এবং শিকারিকে ভয় দেখাতে চেহারার এসব বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে।


সূত্র: আইএফএলসায়েন্স

Post A Comment: