গলে খেলা ২৮টি টেস্ট ম্যাচে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা ১৬টিতেই জিতেছে, হেরেছে ছয়টিতে। আর ড্র হয়েছে বাকি ছয়টি ম্যাচ। এ যেন সিংহেরই ডেরা! বৃহস্পতিবার এই গল স্টেডিয়ামেই সিরিজের প্রথম টেস্টে লঙ্কানদের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। কুমার সাঙ্গাকারা, মাহেলা জয়াবর্ধনে, মুত্তিয়া মুরালিধরনরা না থাকলেও এই গলে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন দীনেশ চান্দিমাল-রঙ্গনা হেরাথরা। বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে অপরাজিত ১৯০ রানের ইনিংস খেলা চান্দিমাল গলে বরাবরই উজ্জ্বল। এই মাঠে সাত ম্যাচে ১২ ইনিংসে ৬৩.২০ গড়ে ৬৩২ রান করেছেন লঙ্কান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। এছাড়া বল হাতে গল টেস্টে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন লঙ্কান অধিনায়ক হেরাথ। গলে ২৩.৮৮ গড়ে তার ঝুলিতে রয়েছে ৮৪ উইকেট। গলে বাঁহাতি এই স্পিনার পাঁচ উইকেটের দেখা পেয়েছেন মোট আটবার। এছাড়াও ঘরের মাঠে সর্বশেষ টেস্ট সিরিজে ২০১৬ সালের আগস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী লঙ্কানরা। হেরাথ-চান্দিমালদের বিপক্ষে এই সিরিজে তাই কঠিন সময়ই অপেক্ষা করছে মুশফিকবাহিনীর সামনে। ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ কথা মেনে নিলেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। তবে এই কঠিন সময় মোকাবেলা করতে বাংলাদেশ শিবির প্রস্তুত বলে জানালেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। এ প্রসঙ্গে মুশফিক বললেন, ‘তারা জানে তাদের হোম কন্ডিশনে কীভাবে খেলতে হবে। কীভাবে ফল বের করতে হবে। ওরা অস্ট্রেলিয়ার মতো চ্যাম্পিয়ন দলের বিপক্ষে ৩-০ জিতেছে। এটা আমাদের মাথায় রাখতে হবে। সামনে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে এবং ইনশাআল্লাহ আমরা সবাই প্রস্তুত এ কঠিন সময়ের মুখোমুখি হতে।’ লঙ্কানদের এবারের দলটা নতুন হলেও বেশ শক্তিশালী বলে মন্তব্য মুশফিকের, ‘রঙ্গনা হেরাথ, চান্দিমাল ছাড়া এই টেস্টে আর কেউ নেই যে আমাদের বিপক্ষে খেলেছে। দলটি একেবারে তরুণ হলেও বেশ ভালো করছে। ঘরের মাঠে তারা ভালো করছে। ওদের বিপক্ষে ভালো করতে হলে আমাদের অবশ্যই চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হবে। আশা করছি আমরা ভালো করতে পারব এবং খেলায় পূর্ণ মনোযোগ রাখতে পারব।’ গলে বলার মতো অর্জনও আছে বাংলাদেশের। টেস্টে শ্রীলঙ্কায় একমাত্র এই মাঠেই কেবল হারেনি বাংলাদেশ। ২০১৩ সালে এখানে খেলা টেস্টে ড্র করেছিল মুশফিকুর রহিমের দল। ওই ম্যাচে বাংলাদেশের ৬৩৮ রান এখনও গলের সর্বোচ্চ সংগ্রহ। এমনকি মোহাম্মদ আশরাফুলকে সাথে নিয়ে মুশফিকের ২৬৭ রানের জুটি গলে যে কোনো উইকেটেই সর্বোচ্চ। শ্রীলঙ্কার মাটিতে বাংলাদেশ সর্বশেষ টেস্ট খেলেছে ২০১৩ সালে। তিন বছর পর ঘরের মাটিতে আবারও বাংলাদেশের মুখোমুখি হচ্ছে শ্রীলঙ্কা। দেখার বিষয় শ্রীলঙ্কার তরুণ এই দলটির বিপক্ষে কতটা প্রতিদ্বন্দ্বীতা গড়ে তুলতে পারে মুশফিক-সাকিব-তামিমরা।

 
 গলে খেলা ২৮টি টেস্ট ম্যাচে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা ১৬টিতেই জিতেছে, হেরেছে ছয়টিতে। আর ড্র হয়েছে বাকি ছয়টি ম্যাচ। এ যেন সিংহেরই ডেরা! বৃহস্পতিবার এই গল স্টেডিয়ামেই সিরিজের প্রথম টেস্টে লঙ্কানদের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। কুমার সাঙ্গাকারা, মাহেলা জয়াবর্ধনে, মুত্তিয়া মুরালিধরনরা না থাকলেও এই গলে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন দীনেশ চান্দিমাল-রঙ্গনা হেরাথরা।

বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে অপরাজিত ১৯০ রানের ইনিংস খেলা চান্দিমাল গলে বরাবরই উজ্জ্বল। এই মাঠে সাত ম্যাচে ১২ ইনিংসে ৬৩.২০ গড়ে ৬৩২ রান করেছেন লঙ্কান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। এছাড়া বল হাতে গল টেস্টে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন লঙ্কান অধিনায়ক হেরাথ। গলে ২৩.৮৮ গড়ে তার ঝুলিতে রয়েছে ৮৪ উইকেট। গলে বাঁহাতি এই স্পিনার পাঁচ উইকেটের দেখা পেয়েছেন মোট আটবার। 

এছাড়াও ঘরের মাঠে সর্বশেষ টেস্ট সিরিজে ২০১৬ সালের আগস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী লঙ্কানরা। হেরাথ-চান্দিমালদের বিপক্ষে এই সিরিজে তাই কঠিন সময়ই অপেক্ষা করছে মুশফিকবাহিনীর সামনে। ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ কথা মেনে নিলেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। তবে এই কঠিন সময় মোকাবেলা করতে বাংলাদেশ শিবির প্রস্তুত বলে জানালেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

এ প্রসঙ্গে মুশফিক বললেন, ‘তারা জানে তাদের হোম কন্ডিশনে কীভাবে খেলতে হবে। কীভাবে ফল বের করতে হবে। ওরা অস্ট্রেলিয়ার মতো চ্যাম্পিয়ন দলের বিপক্ষে ৩-০ জিতেছে। এটা আমাদের মাথায় রাখতে হবে। সামনে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে এবং ইনশাআল্লাহ আমরা সবাই প্রস্তুত এ কঠিন সময়ের মুখোমুখি হতে।’

লঙ্কানদের এবারের দলটা নতুন হলেও বেশ শক্তিশালী বলে মন্তব্য মুশফিকের, ‘রঙ্গনা হেরাথ, চান্দিমাল ছাড়া এই টেস্টে আর কেউ নেই যে আমাদের বিপক্ষে খেলেছে। দলটি একেবারে তরুণ হলেও বেশ ভালো করছে। ঘরের মাঠে তারা ভালো করছে। ওদের বিপক্ষে ভালো করতে হলে আমাদের অবশ্যই চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হবে। আশা করছি আমরা ভালো করতে পারব এবং খেলায় পূর্ণ মনোযোগ রাখতে পারব।’

গলে বলার মতো অর্জনও আছে বাংলাদেশের। টেস্টে শ্রীলঙ্কায় একমাত্র এই মাঠেই কেবল হারেনি বাংলাদেশ। ২০১৩ সালে এখানে খেলা টেস্টে ড্র করেছিল মুশফিকুর রহিমের দল। ওই ম্যাচে বাংলাদেশের ৬৩৮ রান এখনও গলের সর্বোচ্চ সংগ্রহ। এমনকি মোহাম্মদ আশরাফুলকে সাথে নিয়ে মুশফিকের ২৬৭ রানের জুটি গলে যে কোনো উইকেটেই সর্বোচ্চ।

শ্রীলঙ্কার মাটিতে বাংলাদেশ সর্বশেষ টেস্ট খেলেছে ২০১৩ সালে। তিন বছর পর ঘরের মাটিতে আবারও বাংলাদেশের মুখোমুখি হচ্ছে শ্রীলঙ্কা। দেখার বিষয় শ্রীলঙ্কার তরুণ এই দলটির বিপক্ষে কতটা প্রতিদ্বন্দ্বীতা গড়ে তুলতে পারে মুশফিক-সাকিব-তামিমরা।

Post A Comment: