চট্টগ্রামে নাকি বেড়ানোর কোন জায়গা নেই। বেশিরভাগ ভ্রমণ পিপাসুদের জন্যই চট্টগ্রাম একটা ট্রানজিট মাত্র। কিন্তু না। চট্টগ্রাম শহর ছাড়িয়ে একটু ভেতরে গেলেই দেখতে পাবেন প্রকৃতি তার অপার সৌন্দর্য্য মেলে দাঁড়িয়ে আছে। পাহাড়, জলপ্রপাত, সমুদ্র কি নেই সেখানে! চট্টগ্রাম শহর থেকে মাত্র ঘন্টাখানেকের দূরত্বে রয়েছে পারকি সমুদ্র সৈকত। পতেঙ্গায় নিশ্চয়ই গেছেন আপনি? এবার ঘুরে আসতে পারেন নিরিবিলি সমুদ্র সৈকত পারকি থেকে। একদিকে ঝাউবন আর অন্যদিকে বিস্তৃত নীল জলরাশির এই বিচে যেতে হলে আপনাকে পেরিয়ে আসতে হবে কর্ণফুলী নদী। নীরব বালুকাবেলা ধরে সমুদ্র ছোঁয়া শীতল বাতাস গাঁয়ে মেখে হেঁটে বেড়াতে ভালো লাগবে, আনন্দ দেবে লাল কাঁকড়ার দল, সমুদ্রের গর্জন।


চট্টগ্রামে নাকি বেড়ানোর কোন জায়গা নেই। বেশিরভাগ ভ্রমণ পিপাসুদের জন্যই চট্টগ্রাম একটা ট্রানজিট মাত্র। কিন্তু না। চট্টগ্রাম শহর ছাড়িয়ে একটু ভেতরে গেলেই দেখতে পাবেন প্রকৃতি তার অপার সৌন্দর্য্য মেলে দাঁড়িয়ে আছে। পাহাড়, জলপ্রপাত, সমুদ্র কি নেই সেখানে!
 

চট্টগ্রাম শহর থেকে মাত্র ঘন্টাখানেকের দূরত্বে রয়েছে পারকি সমুদ্র সৈকত। পতেঙ্গায় নিশ্চয়ই গেছেন আপনি? এবার ঘুরে আসতে পারেন নিরিবিলি সমুদ্র সৈকত পারকি থেকে। একদিকে ঝাউবন আর অন্যদিকে বিস্তৃত নীল জলরাশির এই বিচে যেতে হলে আপনাকে পেরিয়ে আসতে হবে কর্ণফুলী নদী। নীরব বালুকাবেলা ধরে সমুদ্র ছোঁয়া শীতল বাতাস গাঁয়ে মেখে হেঁটে বেড়াতে ভালো লাগবে, আনন্দ দেবে লাল কাঁকড়ার দল, সমুদ্রের গর্জন।

ঘোড়ার পিঠে চরে বিচ ধরে ঘুরে আসতে পারবেন অনেকটা পথ। মোটরসাইকেল ভাড়া নিয়েও ঘুরা যায়। স্পীড বোটে চরে সমুদ্রে ভেসে বেড়াতে পাররেন ইচ্ছেমতো। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই ঘন্টা হিসেবে ভাড়া প্রযোজ্য। ঝাউবন ঘেঁষে উত্তর দিক বরাবর হেঁটে গেলে দেখতে পাবেন বঙ্গোপসাগর ও কর্ণফুলি নদীর মোহনা।

পথের খোঁজ:
 
১ নং পথ-
ঢাকা থেকে সড়ক বা রেল পথে যেতে পারবেন চট্টগ্রাম। এরপর চট্টগ্রাম শহর থেকে সি এন জি ভাড়া নিন। ১৫ নং জেটি পর্যন্ত যাবেন। সেখানে নদী পারাপারের বোট পাবেন। নদী পেরিয়ে অপাড় থেকে অটোতে সেখান থেকে বোটে করে কর্ণফুলি নদী পার হয়ে অন্য পাড়ে যেতে হবে। সেখান থেকে অটো রিক্সা নিয়ে চলে যেতে পারবেন পারকি বিচ।

২ নং পথ-
চট্টগ্রাম শহরের যেকোন স্থান থেকেই বাস অথবা টেম্পুতে করে চট্টগ্রাম শাহ আমানত সেতু বা তৃতীয় কর্ণফুলি সেতুর কাছে যেতে পারেন। সেখানে গেলেই আপনি বটতলী মহসিন আউলিয়ার মাজারের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া বাস দাঁড়িয়ে থাকতে দেখবেন। তবে খেয়াল রাখবেন, ভুলে যেন বাস কন্ডাক্টরের বৈলতলী উচ্চারণের সাথে বটতলী কে গুলিয়ে না ফেলেন। দুটি কিন্তু দুই জায়গা। পারকি বীচে যেতে হলে আপনাকে বটতলী মহসিন আউলিয়া মাজারগামী বাসে উঠতে হবে। নামবেন সেন্টার নামক জায়গায়। জায়গাটির প্রকৃত নাম মালখান বাজার, তবে এটি সেন্টার নামেই পরিচিত। সেন্টারে নেমে বীচে যাবার জন্য সি এন জি পাবেন।
 
৩য় পথ-
চট্টগ্রাম শহর থেকে সি এন জি রিজার্ভ নিতে পারেন। সরাসরি পারকি বীচ পর্যন্ত ৪০০-৫০০ টাকা করে নিবে।
 
*যে কোন সমস্যার জন্য সমুদ্র সৈকতের কাছেই রাঙ্গাদিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে যোগাযোগ করতে পারেন।
 
থাকার ব্যবস্থা:
থাকার জন্য ফিরে আসতে হবে চট্টগ্রামে। এখানে ছোট-বড় নানান মানের হোটেল আছে।

Post A Comment: