উইন্ডোজ ১০ এর আগ্রাসী আপডেটের জন্য মাইক্রোসফটকে অনেক সমালোচনা শুনতে হয়েছে। ব্যবহারকারীদের অভিযোগ- কাজের বিঘ্ন সৃষ্টি করে উইন্ডোজে বারবার বিভিন্ন নোটিফিকেশন আসে এবং আপডেটগুলো অটোমেটিক ডাউনলোড হওয়া শুরু করে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে মাইক্রোসফট আপডেটগুলোকে ব্যবহারকারীদের নিয়ন্ত্রণের মধ্যে এনেছে। এখন ব্যবহারকারীরা কী কী আপডেট করা যাবে ও আপডেটের জন্য ডাটা পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন।

উইন্ডোজ ১০ এর আগ্রাসী আপডেটের জন্য মাইক্রোসফটকে অনেক সমালোচনা শুনতে হয়েছে। ব্যবহারকারীদের অভিযোগ- কাজের বিঘ্ন সৃষ্টি করে উইন্ডোজে বারবার বিভিন্ন নোটিফিকেশন আসে এবং আপডেটগুলো অটোমেটিক ডাউনলোড হওয়া শুরু করে।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতে মাইক্রোসফট আপডেটগুলোকে ব্যবহারকারীদের নিয়ন্ত্রণের মধ্যে এনেছে। এখন ব্যবহারকারীরা কী কী আপডেট করা যাবে ও আপডেটের জন্য ডাটা পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন।
 
উইন্ডোর ১০ এর এখনকার ভার্সনে বলা আছে, নতুন আসা আাপডেটগুলো নির্দিষ্ট ডাটা লিমিটের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড এবং ইনস্টল হবে।
 
কিন্তু পরবর্তী ভার্সনের জন্য এ কথায় কিছুটা পরিবর্তন এনেছে মাইক্রোসফট। আগের কথার সঙ্গে নতুন যোগ করে মাইক্রোসফট বলছে, উইন্ডোজ মসৃণভাবে চলার জন্য যেসব আপডেট ‘প্রয়োজন’ হবে, শুধু সেগুলোই ডাউনলোড ও ইনস্টল করা হবে। 
 
প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট উইন্ডোজ সুপারসাইট বলছে, নতুন ভার্সনে ব্যবহারকারীরা স্বয়ংক্রিয় ডাউনলোড ও ইনস্টল বন্ধ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। ফলে তাদের অতিরিক্ত ডাটা খরচ হবে। 
 
এছাড়া ‘প্রয়োজনীয়’ আপডেট বলতে মাইক্রোসফট কী বোঝাচ্ছে, তা এখনও পরিস্কার নয়। 
 
এপ্রিলে উইন্ডোজের পরবর্তী আপডেট আসার কথা আছে। 

Post A Comment: