কলম্বো ক্রিকেট ক্লাব গ্রাউন্ডে শ্রীলঙ্কা বোর্ড প্রেসিডেন্টস একাদশের বিপক্ষে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছেন সীমিত ওভারে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। মাত্র ২৮ বলে চারটি চার ও সমান সংখ্যক ছক্কায় হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন মাশরাফি। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের আগে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে বুধবার শ্রীলঙ্কা বোর্ড প্রেসিডেন্টস একাদশের বিপক্ষে মাঠে নামে মাশরাফিবাহিনী। টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত পঞ্চাশ ওভারে সাত উইকেটে ৩৫৪ রানের সংগ্রহ দাড় করায় স্বাগতিকরা।

goog_1433420362
কলম্বো ক্রিকেট ক্লাব গ্রাউন্ডে শ্রীলঙ্কা বোর্ড প্রেসিডেন্টস একাদশের বিপক্ষে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছেন সীমিত ওভারে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। মাত্র ২৮ বলে চারটি চার ও সমান সংখ্যক ছক্কায় হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন মাশরাফি। 


তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের আগে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে বুধবার শ্রীলঙ্কা বোর্ড প্রেসিডেন্টস একাদশের বিপক্ষে মাঠে নামে মাশরাফিবাহিনী। টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত পঞ্চাশ ওভারে সাত উইকেটে ৩৫৪ রানের সংগ্রহ দাড় করায় স্বাগতিকরা।


জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ইনিংসের প্রথম বলেই বিনুরা ফার্নান্দোর বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ইমরুল কায়েস। শুরুতেই উইকেট হারানো বাংলাদেশকে এরপর এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন আরেক ওপেনার সৌম্য সরকার ও সাব্বির রহমান।


শতরানের জুটি গড়ার পথে সাব্বির তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরিও। দাসুন শানাকাকে চার মেরে ৪৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূরন করেন ডানহাতি এই আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যান। তার ইনিংসে ছিল নয়টি চার একটি ছক্কার মার। তবে সাব্বিরের হাফ সেঞ্চুরির পরপরই সাজঘরে ফেরেন তার সঙ্গী সৌম্য।


হাফ সেঞ্চুরি থেকে মাত্র তিন রান দূরে থাকতে মিলিন্দ শিরিবর্ধনের বলে সান্দুনের হাতে ধরা পড়েন সৌম্য। তার ৪৭ রানের ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কার মার। পরের ওভারে ফিরে যান সাব্বিরও। চতুরঙ্গ ডি সিলভার বলে থিসারা পেরেরার তালুবন্দী হন ৬৩ বলে ৭২ রান করা সাব্বির। তার ইনিংসে ছিল ১১টি চার ও একটি ছক্কার মার।


সৌম্য-সাব্বির ফিরে যাওয়ার পর দলের হাল ধরেন মুশফিকুর রহিম ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ব্যক্তিগত ২০ রানে মুশফিক ফিরলেও মোসাদ্দেক তুলে নেন হাফসেঞ্চুরি। কিন্তু ইনিংসটাকে বড় করার আগেই ধনঞ্জয়ার শিকারে পরিণত হন সৈকত।


এরপর শুভাগত হোম ও সানজামুল ইসলাম দ্রুত ফিরে গেলেও মাশরাফি ও রিয়াদ রানের চাকা বাড়াতে থাকেন দলের। চার-ছক্কার ফুলঝুরিতে মাত্র ২৮ বলেই হাফ সেঞ্চুরির দেখা পান মাশরাফি। এরপর তার সঙ্গী রিয়াদও হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন।


তবে ব্যক্তিগত ৫৮ রানে মাশরাফি সাজঘরে ফিরলে ভাঙ্গে তাদের ১০১ রানের জুটি। ৪৯ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ আট উইকেটে ৩৪২ রান। শেষ ছয় বলে বাংলাদেশের জয়ের জন্য প্রয়োজন আরও ১৩ রানের। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৬৩ রানে অপরাজিত আছেন।


এর আগে দিলশান মুনাবিরাকে ফিরিয়ে শুরুটা ভালোই করেছিলেন তাসকিন আহমেদ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সুবিধা করতে পারেনি লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। দ্বিতীয় উইকেটে সান্দুন বিরাকডিকে সঙ্গে নিয়ে কুশল ১১৪ রানের জুটি গড়েন আরেক ওপেনার কুশল পেরেরা। এই জুটি ভাঙেন সাইফউদ্দিন। তার বলে রুবেল হোসেনের হাতে ক্যাচ তুলে দেন বিরাকডি। তার করা ৬৭ রানের ইনিংস সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান। 


২৮ রান যোগ করতে অবসর নেন কুশল পেরেরা। এই ইনিংসে করেছেন ৬৪ রান। এরপর সিরিবর্ধনকে সাজঘরে ফেরান সানজামুল। আউট হওয়ার আগে ৩২ রান আসে এই ব্যাটসম্যানের ব্যাট থেকে। শেষদিকে ধনঞ্জয় ডি সিলভা ও পেরেরা দ্রুত রান তুললে প্রেসিডেন্ট একাদশ ৩৫৪ রানের সংগ্রহ পায় স্বাগতিকরা।

Post A Comment: