দিনে দিনে বিকশিত হচ্ছে বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প। সরকার মনোযোগী হচ্ছে বিভিন্ন পর্যটন অঞ্চলকে আরও আকর্ষণীয় করে গড়ে তুলতে। তারই ধারাবাহিকতায় টেকনাফে গড়ে তোলা হচ্ছে দেশের প্রথম বিশেষায়িত পর্যটন অঞ্চল। নাফ নদী পেরিয়ে সেন্ট মার্টিন যাই আমরা। টেকনাফকে ভ্রমণ গন্তব্য হিসেবে বেছে নেওয়া হয় না তেমন। কিন্তু এবার টেকনাফই হতে যাচ্ছে বিশেষ আকর্ষণ। নাফ নদীর একটি দ্বীপ ‘জালিয়ার দ্বীপ’। টেকনাফ শহরে ঢোকার মুখে উঁচু ন্যাটং পাহাড় থেকেই চোখে পড়ে দ্বীপটি। চারিদিকে সবুজ পাহাড় আর ছলাৎ ছলাৎ ঢেউ তোলা নদী, মাঝে অপূর্ব দ্বীপ। এখানেই হবে নাফ ট্যুরিজম পার্ক।

 
দিনে দিনে বিকশিত হচ্ছে বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প। সরকার মনোযোগী হচ্ছে বিভিন্ন পর্যটন অঞ্চলকে আরও আকর্ষণীয় করে গড়ে তুলতে। তারই ধারাবাহিকতায় টেকনাফে গড়ে তোলা হচ্ছে দেশের প্রথম বিশেষায়িত পর্যটন অঞ্চল।
 
নাফ নদী পেরিয়ে সেন্ট মার্টিন যাই আমরা। টেকনাফকে ভ্রমণ গন্তব্য হিসেবে বেছে নেওয়া হয় না তেমন। কিন্তু এবার টেকনাফই হতে যাচ্ছে বিশেষ আকর্ষণ। নাফ নদীর একটি দ্বীপ ‘জালিয়ার দ্বীপ’। টেকনাফ শহরে ঢোকার মুখে উঁচু ন্যাটং পাহাড় থেকেই চোখে পড়ে দ্বীপটি। চারিদিকে সবুজ পাহাড় আর ছলাৎ ছলাৎ ঢেউ তোলা নদী, মাঝে অপূর্ব দ্বীপ। এখানেই হবে নাফ ট্যুরিজম পার্ক।
 
উদ্যোগটি নিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। ঝুলন্ত ব্রিজ, রিসোর্ট, ক্যাবল কার, ওসেনারিয়াম, ভাসমান রেস্টুরেন্ট, ইকো-কটেজ, কনভেনশন সেন্টার, সু্ইমিং পুল, ফান লেক, অ্যাকুয়া লেক, মাছ ধরার জেটি, এমিউজমেন্ট পার্ক, শিশু পার্কসহ নানাবিধ বিনোদনের ব্যবস্থা থাকবে। চীন, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও জাপানসহ দেশীয় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এখানে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
 
তবে শুধু জ্বালিয়ার দ্বীপ নয়, গোটা টেকনাফকে ঘিরেই পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এখানকার সমুদ্রসৈকত ঘিরে বেজার তত্ত্বাবধানে ‘সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক’ নামের আরেকটি বিশেষ পর্যটন স্পট গড়ে তোলার প্রক্রিয়া চলছে। প্রক্রিয়াধীন এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে টেকনাফের যোগাযোগ ব্যবস্থা যেমন আরও উন্নত হবে তেমন অবকাশ যাপনের জন্য আরেকটি চমৎকার গন্তব্য পাবে দেশের মানুষ।
 
যাতায়াত: ঢাকা থেকে সরাসরি টেকনাফ যায় সেন্টমার্টিন সার্ভিসের হিনো এসি বাস। এছাড়াও ঢাকা থেকে শ্যামলি, এস আলম, সৌদিয়া, হানিফ ইত্যাদি পরিবহনের নন এসি বাস যায় টেকনাফ। ঢাকা থেকে যেকোনো বাসে কক্সবাজার এসে সেখান থেকেও সহজেই আসা যায় টেকনাফ।
 
থাকার ব্যবস্থা: পর্যটনকেন্দ্র স্থাপন হয়ে গেলে এর অধীনেই থাকবে নানান মানের হোটেল। বর্তমানে থাকার জন্য সবচেয়ে ভালো জায়গা হলো বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের মোটেল নে টং। টেকনাফ শহরেও কিছু সাধারণ মানের হোটেল আছে।

Post A Comment: