উত্তর কোরিয়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্রের তালিকায় পিয়ংইয়ংকে পুনরায় তালিকাভুক্ত করলে যুক্তরাষ্ট্রকে এর জন্যে ‘চড়া মূল্য’ দিতে হবে। ৪ মার্চ শনিবার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা কেসিএনএকে বলেছেন, সন্ত্রাসী মদদদাতা দেশের নামের তালিকায় উত্তর কোরিয়াকে আবারো অন্তর্ভূক্ত করা হলে এর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে চড়া মূল্য দিতে হবে। এছাড়া উত্তর কোরিয়া তাদের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ প্রত্যাখান করে পিয়ংইয়ংয়ের সুনাম ক্ষুন্ন করায় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে। গত মাসে মালয়েশিয়ায় উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের সৎ ভাই কিম জং নামকে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ প্রয়োগে হত্যার পর থেকে বলা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়াকে কালো তালিকাভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। ওই ঘটনার পর প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়া বলে আসছে, পরিকল্পিত এ হত্যার পেছনে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া উত্তর কোরিয়ার হাত রয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের সংবাদমাধ্যম জানায়, ওই ঘটনার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের সন্ত্রাসী দেশের নামের তালিকায় উত্তর কোরিয়াকে অন্তর্ভূক্ত করার কথা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা শুরু করে।


  উত্তর কোরিয়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্রের তালিকায় পিয়ংইয়ংকে পুনরায় তালিকাভুক্ত করলে যুক্তরাষ্ট্রকে এর জন্যে ‘চড়া মূল্য’ দিতে হবে।


৪ মার্চ শনিবার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা কেসিএনএকে বলেছেন, সন্ত্রাসী মদদদাতা দেশের নামের তালিকায় উত্তর কোরিয়াকে আবারো অন্তর্ভূক্ত করা হলে এর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে চড়া মূল্য দিতে হবে।


এছাড়া উত্তর কোরিয়া তাদের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ প্রত্যাখান করে পিয়ংইয়ংয়ের সুনাম ক্ষুন্ন করায় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে।


গত মাসে মালয়েশিয়ায় উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের সৎ ভাই কিম জং নামকে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ প্রয়োগে হত্যার পর থেকে বলা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়াকে কালো তালিকাভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করছে।


ওই ঘটনার পর প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়া বলে আসছে, পরিকল্পিত এ হত্যার পেছনে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া উত্তর কোরিয়ার হাত রয়েছে।


কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের সংবাদমাধ্যম জানায়, ওই ঘটনার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের সন্ত্রাসী দেশের নামের তালিকায় উত্তর কোরিয়াকে অন্তর্ভূক্ত করার কথা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা শুরু করে।

Post A Comment: