প্রতিবার ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে অন্য সময়ের তুলনায় জার্সির চাহিদা বাড়ে বিশ্ববাজারে। ফলে ক্রীড়া জগতের অন্যতম বড় এ আসর ঘিরে আলাদা ব্যবসায়িক পরিকল্পনা থাকে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প খাতসংশ্লিষ্টদের। ২০২২ সালে কাতারে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ ফুটবলের ২২তম আসর সামনে রেখেও এখন থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের বাজার ধরতে তৎপরতা শুরু করেছেন পোশাক শিল্প মালিকরা। ২৪ মার্চ শুক্রবার দৈনিক বণিক বার্তায় ‘কাতারে ফুটবল বিশ্বকাপ: মধ্যপ্রাচ্যের বাজার ধরতে তৎপর পোশাক শিল্প মালিকরা’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে আসে।


প্রতিবার ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে অন্য সময়ের তুলনায় জার্সির চাহিদা বাড়ে বিশ্ববাজারে। ফলে ক্রীড়া জগতের অন্যতম বড় এ আসর ঘিরে আলাদা ব্যবসায়িক পরিকল্পনা থাকে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প খাতসংশ্লিষ্টদের। ২০২২ সালে কাতারে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ ফুটবলের ২২তম আসর সামনে রেখেও এখন থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের বাজার ধরতে তৎপরতা শুরু করেছেন পোশাক শিল্প মালিকরা।

২৪ মার্চ শুক্রবার দৈনিক বণিক বার্তায় ‘কাতারে ফুটবল বিশ্বকাপ: মধ্যপ্রাচ্যের বাজার ধরতে তৎপর পোশাক শিল্প মালিকরা’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে আসে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের মোট রফতানি আয়ের ৮২ শতাংশ আসে পোশাক শিল্প থেকে। আবার এ আয়ের সিংহভাগ আসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজার থেকে। পণ্য ও গন্তব্যের এই একমুখিতা কাটিয়ে উঠতে চান শিল্পোদ্যোক্তারা। সরকারের তরফ থেকেও আছে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা। এ অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যের বাজার ধরার জন্য কাতারে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফুটবলের আসরকে বড় সুযোগ হিসেবেই দেখছেন শিল্প মালিকরা।

২০২২ সালে কাতারে বিশ্বকাপ ফুটবলের আগে ২০২০ সালে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে ওয়ার্ল্ড এক্সপো-২০২০। এ দুটি আয়োজনে বিশ্বের প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ মানুষের সমাগম হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাই এ দুই আয়োজন সামনে রেখে পোশাকপণ্যের রফতানি বৃদ্ধি নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সরকারি প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন পোশাক শিল্প মালিকরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি জিএম ফারুক বণিক বার্তা-কে বলেন, ‘অপ্রচলিত বাজার হিসেবে মধ্যপ্রাচ্য আমাদের কাছে খুবই আকর্ষণীয় ও সম্ভাবনাময়। ২০২২ সালে বিশ্বকাপের আসর কেন্দ্র করে এ সম্ভাবনা আমরা কাজে লাগাতে চাইছি। এছাড়া ২০২০ সালে দুবাই এক্সপো অনুষ্ঠিত হবে। আমরা জাপান ও রাশিয়ার মতো অপ্রচলিত বাজারে প্রচারণার মাধ্যমে বাজার সম্প্রসারণে সফল হয়েছি। আশা করছি, কাতারে বিশ্বকাপ ফুটবল ও দুবাই এক্সপো মধ্যপ্রাচ্যের বাজার ধরতে কাজে লাগবে।’

অপ্রচলিত বাজারের মধ্যে সম্ভাবনাময় হলেও মধ্যপ্রাচ্যের বাজার ধরতে বেগ পেতে হচ্ছে পোশাক শিল্প ও অন্যান্য রফতানিমুখী শিল্প মালিকদের। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরেও মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল থেকে রফতানি আয়ের প্রবাহ কমছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের (জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি) আট মাসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আয় হয়েছিল ৫০ কোটি ৮৪ লাখ ডলার। কিন্তু চলতি ২০১৬-১৭   অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় কমে ৪৫ কোটি ১৫ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এ হিসাবে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আয় কমেছে ১১ শতাংশ।

Post A Comment: