তৃতীয় দিন শেষে হিসাব করতে বসলে মিল খুঁজে পাওয়া কঠিন। বাংলাদেশের ইনিংসের শুরু আর শেষের মধ্যে কোনো মিলই থাকলো না। কোনো উইকেট না হারিয়ে ১০০ পার করা বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস শেষ হয়ে গেছে ৩১২ রানেই। গল টেস্টের প্রথম ইনিংসেই ১৮২ রানের লিড পেলো স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। এদিন লিড আরও বাড়তে পারতো। তবে আশীর্বাদ হয়ে এসেছে বৃষ্টি! বৃষ্টির হানাতে তৃতীয় দিনের ৩৮.৪ ওভারের খেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। আর এ কারণে চতুর্থ দিনের খেলা ১৫ মিনিট এগিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। শ্রীলঙ্কার স্থানীয় সময় বেলা ১০টায় দিনের খেলা মাঠে গড়ায়। কিন্তু বৃষ্টির কারণে তৃতীয় দিনের অনেকটা সময় নষ্ট হওয়ায় চুতর্থ দিনের খেলা ১৫ মিনিট এগিয়ে ৯.৪৫ মিনিটে শুরু হবে। অর্থাৎ বাংলাদেশ সময় সোয়া দশটায় চতুর্থ দিনের খেলা শুরু হবে।


  তৃতীয় দিন শেষে হিসাব করতে বসলে মিল খুঁজে পাওয়া কঠিন। বাংলাদেশের ইনিংসের শুরু আর শেষের মধ্যে কোনো মিলই থাকলো না। কোনো উইকেট না হারিয়ে ১০০ পার করা বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস শেষ হয়ে গেছে ৩১২ রানেই। গল টেস্টের প্রথম ইনিংসেই ১৮২ রানের লিড পেলো স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। এদিন লিড আরও বাড়তে পারতো। তবে আশীর্বাদ হয়ে এসেছে বৃষ্টি!

বৃষ্টির হানাতে তৃতীয় দিনের ৩৮.৪ ওভারের খেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। আর এ কারণে চতুর্থ দিনের খেলা ১৫ মিনিট এগিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। শ্রীলঙ্কার স্থানীয় সময় বেলা ১০টায় দিনের খেলা মাঠে গড়ায়। কিন্তু বৃষ্টির কারণে তৃতীয় দিনের অনেকটা সময় নষ্ট হওয়ায় চুতর্থ দিনের খেলা ১৫ মিনিট এগিয়ে ৯.৪৫ মিনিটে শুরু হবে। অর্থাৎ বাংলাদেশ সময় সোয়া দশটায় চতুর্থ দিনের খেলা শুরু হবে। 

প্রথম ইনিংসে ৪৯৪ রান কর শ্রীলঙ্কা ইতিমধ্যেই ১৮২ রানে এগিয়ে গেছে। তৃতীয় দিনের বাকিটা সময় ব্যাট করতে পারলে তাদের লিড ৩৫০ বা তারও বেশিও হতে পারতো। কিন্তু বৃষ্টি বাধায় সেটা করতে পারেনি স্বাগতিকরা। শঙ্কা আছে চতুর্থ দিনের খেলা মাঠে গড়োনো নিয়েও। কারণ আবহাওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী চতুর্থ দিনেও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। 

এমনকি রাতেও হতে পারে বৃষ্টি। সেটা হলে সকালে আগেভাগে ম্যাচ নাও মাঠে গড়াতে পারে। এতে অবশ্য স্বস্তিই হওয়ার কথা বাংলাদেশের। প্রকৃতির কান্নার কারণেই যে তৃতীয় দিন শেষে বড় লিডের নিচে পড়তে হয়নি বাংলাদেশকে। তবে ম্যাচে যে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে সেটা বলার অপেক্ষাই রাখে না। 

দ্বিতীয় ইনিংসে লঙ্কানরা ২০০-২৫০ রান করলেই বাংলাদেশের সামনে দাঁড়িয়ে যাবে বিশাল লক্ষ্য। যদিও এমন নাও হতে পারতো। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের শুরুটাও হয়েছিল বেশ রঙিন। উদ্বোধনী জুটি থেকেই আসে ১১৮ রান। কিন্তু এক মুশফিক ছাড়া তামিম-সৌম্যর দেখানো পথে হাঁটতে পারেননি বাকি ব্যাটসম্যানরা। যে কারণেই প্রথম ইনিংসে ১৮২ রানে পিছিয়ে পড়ে তৃতীয় দিন শেষেই হারের শঙ্কায় বাংলাদেশ!  

Post A Comment: