“বিরিয়ানি” নামটি শুনলে গরু বা খাসি বা মুরগির মাংসের কোনো খাবার চোখের সামনে ভেসে উঠে। মাংস ছাড়াও মাছ দিয়ে তৈরি করা সম্ভব মজাদার এই খাবারটি। মাছ খেতে পছন্দ করে না যেসব বাচ্চারা তাদেরকে তৈরি করে দিতে পারেন ফিশ বিরিয়ানি। আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক ফিশ বিরিয়ানির সম্পূর্ণ রেসিপিটি।

“বিরিয়ানি” নামটি শুনলে গরু বা খাসি বা মুরগির মাংসের কোনো খাবার চোখের সামনে ভেসে উঠে। মাংস ছাড়াও মাছ দিয়ে তৈরি করা সম্ভব মজাদার এই খাবারটি।  মাছ খেতে পছন্দ করে না যেসব বাচ্চারা তাদেরকে তৈরি করে দিতে পারেন ফিশ বিরিয়ানি। আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক ফিশ বিরিয়ানির সম্পূর্ণ রেসিপিটি।


উপকরণ:
৩০০ গ্রাম পোলাও বা বাসমতী চাল
মশলার জন্য:
তেল
৩টি সবুজ এলাচ
১টি কালো এলাচ
৪টি লবঙ্গ
১ ইঞ্চি দারুচিনি
১টি তেজপাতা
কিছু কারিপাতা
৬০০ গ্রাম যেকোনো বড় মাছ (টুকরো করে কাটা)
লবণ
১/২ চা চামচ হলুদের গুঁড়ো
১ টেবিল চামচ মরিচ গুঁড়ো
১ কাপ নারকেল দুধ
১ টেবিল চামচ আদা রসুনের পেস্ট
১টি বড় পেঁয়াজ
১টি বড় টমেটো
১/২ কাপ পানি
১ চা চামচ জিরা

টপিংয়ের জন্য:
১ চা চামচ গরম মশলা
জাফরান
২ টেবিল চামচ কুসুম গরম দুধ
লেবুর টুকরো
কলাপাতা
সাজানোর জন্য
পুদিনা আপাত
লেবুর রিং
কমলা খোসা কুচি

প্রণালী:
১। একটি পাত্রে তেল গরম করতে দিন। তেল গরম হয়ে এলে পেঁয়াজ কুচি, টমেটো কুচি, কাঁচামরিচ, তেজপাতা, লবঙ্গ, কালো এলাচ, সবুজ এলাচ, আদা রসুনের পেস্ট, কারিপাতা দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন।
২। এরপর এতে জিরা, দারুচিনি, ধনিয়া গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো, লবণ দিয়ে দিন।
৩। এই মিশ্রণের সাথে এক কাপ নারকেলের দুধ দিয়ে নাড়ুন।
৪। এবার মাছে লবণ, গরম মশলা, এবং হলুদের গুঁড়ো দিয়ে মাখিয়ে রাখুন।
৫। মাছগুলো মশলার মাঝে দিয়ে দিন।
৬। মাছের উপর সিদ্ধ করা পোলাও বা বাসমতী চাল দিয়ে ঢেকে দিন। তার উপর জাফরান মিশ্রণ দিয়ে দিন।
৭। কলাপাতা দিয়ে পোলাও ঢেকে দিন। তার উপর পাতিলের ঢাকনা দিয় ১০-১৫ মিনিট অল্প আঁচে রান্না করুন।
৮। ব্যস, তৈরি হয়ে গেলো ভিন্ন স্বাদের ফিশ বিরিয়ানি।

Post A Comment: