ত্বক পরিষ্কার করতে সবাই ফেসওয়াশ ব্যবহার করে থাকেন। বাজার ঘুরলে নানান ব্র্যান্ডের নানান রকম ফেসওয়াশ দেখতে পাওয়া যায়। আবার ত্বকের ধরণ অনুযায়ী ফেসওয়াশের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তৈলাক্ত ত্বকে সবধরনের ফেসওয়াশ মানায় না। যার কারণে ত্বকে দেখা দেয় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। কোনো কোনো সময় এই ফেসওয়াশের কারণেই ত্বকে ব্রণের সমস্যা এবং র‍্যাশ দেখা দেয়। মিশ্র ত্বকের অধিকারীদেরও এই সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়। এত ঝামেলায় না গিয়ে ঘরে থাকা কিছু উপাদানে তৈরি করে নিন ফেসওয়াশ। এই ফেসওয়াশের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই একেবারেই। আসুন তাহলে জেনে নিন ফেসওয়াশ তৈরির উপায়টি।


  ত্বক পরিষ্কার করতে সবাই ফেসওয়াশ ব্যবহার করে থাকেন। বাজার ঘুরলে নানান ব্র্যান্ডের নানান রকম ফেসওয়াশ দেখতে পাওয়া যায়। আবার ত্বকের ধরণ অনুযায়ী ফেসওয়াশের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তৈলাক্ত ত্বকে সবধরনের ফেসওয়াশ মানায় না। যার কারণে ত্বকে দেখা দেয় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। কোনো কোনো সময় এই ফেসওয়াশের কারণেই ত্বকে ব্রণের সমস্যা এবং র‍্যাশ দেখা দেয়। মিশ্র ত্বকের অধিকারীদেরও এই সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়। এত ঝামেলায় না গিয়ে ঘরে থাকা কিছু উপাদানে তৈরি করে নিন ফেসওয়াশ। এই ফেসওয়াশের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই একেবারেই। আসুন তাহলে জেনে নিন ফেসওয়াশ তৈরির উপায়টি।

যা যা লাগবে:
- দেড় টেবিল চামচ মধু
- দেড় টেবিল চামচ লেবুর রস
- ১/৩ কাপ ওটমিল

যেভাবে তৈরি করবেন:
 ১। ওটমিল ব্লেন্ডারে বা ফুড প্রসেসরে কিংবা হামানদিস্তায় গুঁড়ো করে নিন। খুব বেশি মিহি না হলেও চলবে। 
২।  এরপর একটি পাত্রে গুঁড়ো করা ওটমিল, লেবুর রস ও মধু খুব ভালো করে মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করুন। ব্যস, তৈরি হয়ে গেলো আপনার ফেসওয়াশ।

যেভাবে ব্যবহার করবেন:
১।প্রথমে পানির ঝাপটায় মুখ খুব ভালো করে ধুয়ে নিন।
২।এরপর ফেসওয়াশ পুরো মুখে ভালো করে লাগিয়ে দুই/এক মিনিট ম্যাসেজ করুন।
৩।তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে, পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিন।

কার্যকারিতা:
১। ওটমিল ত্বকের বাড়তি তেল শুষে নেয়ার ক্ষমতা রাখে, তাই এটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য বেশ কার্যকরী। এছাড়াও এটি একই সাথে স্ক্রাবারের কাজ করবে। 
২। মধুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের ইনফেকশন এবং ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমায়। 
৩। লেবু প্রাকৃতিক ব্লিচিং-এর কাজ করে। ত্বকের কালো দাগ দূর করে উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।


Post A Comment: