চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেশের রফতানি আয় কমেছে ৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ। যেখানে বছরের শুরুতে জানুয়ারি মাসে এক অংকের প্রবৃদ্ধি হয়েছিল রফতানি আয়ে। কিন্তু বছরের দ্বিতীয় মাসে আয় প্রবৃদ্ধির এ ধারায় ধাক্কা খেয়েছে খাতটি। শুক্রবার ১০ মার্চ দৈনিক বণিক বার্তায় 'ফেব্রুয়ারিতে রফতানি আয় কমেছে ৪.৪৯%' শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ, বাংলাদেশ রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে রফতানি আয়ের এ তথ্য রয়েছে।



 চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেশের রফতানি আয় কমেছে ৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ। যেখানে বছরের শুরুতে জানুয়ারি মাসে এক অংকের প্রবৃদ্ধি হয়েছিল রফতানি আয়ে। কিন্তু বছরের দ্বিতীয় মাসে আয় প্রবৃদ্ধির এ ধারায় ধাক্কা খেয়েছে খাতটি।  


শুক্রবার ১০ মার্চ দৈনিক বণিক বার্তায়  'ফেব্রুয়ারিতে রফতানি আয় কমেছে ৪.৪৯%' শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ, বাংলাদেশ রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে রফতানি আয়ের এ তথ্য রয়েছে। 


ওই প্রতিবেদনে চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরের আট মাসের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) রফতানি আয় প্রকাশ করেছে ইপিবি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে রফতানি আয় হয়েছে ২৭২ কোটি ৬১ লাখ ১২ হাজার ডলার, যা বছরের একই সময়ে ছিল ২৮৫ কোটি ৪২ লাখ ২০ হাজার ডলার। এ হিসেবে আয় কমেছে ৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আয় কম হয়েছে ৯ দশমিক ৬৪ শতাংশ।


চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আট মাসে রফতানি খাত থেকে আয় হয়েছে ২ হাজার ২৮৩ কোটি ৬২ লাখ ৬০ হাজার ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ২ হাজার ২১২ কোটি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার। এ হিসাবে আয় বেড়েছে ৩ দশমিক ২২ শতাংশ।


প্রাথমিক পণ্য খাতগুলোর মধ্যে আছে হিমায়িত খাদ্য ও মাছ এবং কৃষি। চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে হিমায়িত খাদ্য ও মাছের রফতানি আয় কমেছে ৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এ খাতে গত আট মাসে আয় হয়েছে ৩৭ কোটি ২৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৩৫ কোটি ৭৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার।


পোশাক খাতের সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি ও রফতানিকারকদের সংগঠন এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএবি) সভাপতি আবদুস সালাম মূর্শেদী পত্রিকাটিকে বলেন, ৫০ বিলিয়ন ডলার অর্জনে আমাদের প্রবৃদ্ধির হার আরো বাড়াতে হবে। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের মূল্য অনেক কমে গেছে। গত বছর আমরা ইউরোর দরপতন মোকাবেলা করেছি। এবার করতে হচ্ছে পাউন্ডের দরপতন।

Post A Comment: