শেয়ার বাজারে আগের বছরের তুলনায় আয় বেড়েছে ঠিকই। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে ঘোষিত লভ্যাংশের পরিমাণ। তা সত্ত্বেও লভ্যাংশ ঘোষণার খবরে শেয়ারবাজারে উত্তরা ফিন্যান্সের শেয়ারের দাম কমেছে। ফলে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ৪ টাকা ৩০ পয়সা বা প্রায় সোয়া ৬ শতাংশ কমে গেছে। সোমবার ২০ মার্চ দৈনিক প্রথম আলোর ‘আয় বাড়লেও কমেছে শেয়ারের দাম’ শিরোনামের একটি প্রতিবেদনে এ সব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।


শেয়ার বাজারে আগের বছরের তুলনায় আয় বেড়েছে ঠিকই। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে ঘোষিত লভ্যাংশের পরিমাণ। তা সত্ত্বেও লভ্যাংশ ঘোষণার খবরে শেয়ারবাজারে উত্তরা ফিন্যান্সের শেয়ারের দাম কমেছে। ফলে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ৪ টাকা ৩০ পয়সা বা প্রায় সোয়া ৬ শতাংশ কমে গেছে।

সোমবার ২০ মার্চ দৈনিক প্রথম আলোর  ‘আয় বাড়লেও কমেছে শেয়ারের দাম’ শিরোনামের একটি প্রতিবেদনে এ সব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার উত্তরা ফিন্যান্সের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। তাতে ২০১৬ সালে সমাপ্ত আর্থিক বছরে শেয়ারধারীদের ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফলে রোববার সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি ২০১৬ সাল শেষে কোম্পানিটির আয়-সংক্রান্ত কিছু মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (প্রাতিষ্ঠানিক ঘোষণা) বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রকাশ করা হয়েছে।

কোম্পানির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সাল শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৬ টাকা ৬২ পয়সা। আগের বছর অর্থাৎ ২০১৫ সাল শেষে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ৪ টাকা ৪১ পয়সা। সেই হিসাবে আগের বছরের চেয়ে ২০১৬ সালে উত্তরা ফিন্যান্সের ইপিএস ৫০ শতাংশ বা ২ টাকা ২১ পয়সা বেড়েছে। ২০১৫ সাল শেষে কোম্পানিটি শেয়ারধারীদের ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল, ২০১৬ সালেও একই লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়।

এদিকে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকার বাজারে সূচক সামান্য কমলেও বেড়েছে লেনদেন। দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স প্রায় ৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৬৯৫ পয়েন্টে। আর লেনদেন আগের দিনের চেয়ে ১৪০ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১০৪ কোটি টাকায়।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক ও লেনদেন উভয়ই বেড়েছে। এদিন সিএসইর সার্বিক সূচকটি দেড় পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৭০৭ পয়েন্টে। দিন শেষে লেনদেনের পরিমাণ সাড়ে ১৬ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ কোটি টাকায়।

বাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ব্যাংক ও আর্থিক খাতের কোম্পানিগুলোর লভ্যাংশের খবর আসতে শুরু করেছে। এ কারণে এসব কোম্পানির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে। তাই কিছুদিন ধরে শেয়ারবাজারে লেনদেন ও মূল্যবৃদ্ধিতে ব্যাংক এবং আর্থিক খাতের কোম্পানিগুলোর আধিপত্য আগের চেয়ে বেড়েছে।

Post A Comment: