সাভারে স্থানান্তরের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও রাজধানীর হাজারীবাগে থাকা সব ট্যানারি অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে কারখানাগুলোতে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানিসহ সকল ধরনের সেবা বিচ্ছিন্ন করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৬ মার্চ সোমবার বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) করা এক আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. সেলিমের সমন্বয়ে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। আদালতে বেলার পক্ষে শুনানি করেন ফিদা এম কামাল ও সৈয়দ রিজওয়ানা হাসান। এর আগে, এক রায়ে হাজারীবাগ থেকে সকল ট্যানারি সাভারে স্থানান্তরের জন্য নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। কিন্তু ঐ রায়ের পরেও ট্যানারিগুলো হাজারীবাগেই তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। বিষয়টি উল্লেখ করে হাইকোর্টে আবেদন দাখিল করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি ‘বেলা’। শুনানি শেষে হাইকোর্ট উপরোক্ত আদেশ দেন।



   সাভারে স্থানান্তরের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও রাজধানীর হাজারীবাগে থাকা সব ট্যানারি অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে কারখানাগুলোতে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানিসহ সকল ধরনের সেবা বিচ্ছিন্ন করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৬ মার্চ সোমবার বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) করা এক আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. সেলিমের সমন্বয়ে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।


আদালতে বেলার পক্ষে শুনানি করেন ফিদা এম কামাল ও সৈয়দ রিজওয়ানা হাসান।
এর আগে, এক রায়ে হাজারীবাগ থেকে সকল ট্যানারি সাভারে স্থানান্তরের জন্য নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। কিন্তু ঐ রায়ের পরেও ট্যানারিগুলো হাজারীবাগেই তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।


বিষয়টি উল্লেখ করে হাইকোর্টে আবেদন দাখিল করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি ‘বেলা’। শুনানি শেষে হাইকোর্ট উপরোক্ত আদেশ দেন।


উল্লেখ্য, সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুসারে হাজারীবাগ থেকে সাভারে ট্যানারি স্থানান্তর না হওয়ায় ট্যানারি মালিক ও সরকার সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালে হাইকোর্টে ‘আদালত অবমাননা’ মামলা করেন পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে আইনজীবী মনজিল  মোরসেদ। 
ওই আবেদনে গত বছরের ১৬ জুন ১৫৪টি ট্যানারি প্রতিষ্ঠানকে পরিবেশ দূষণের ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রতিদিন ৫০ হাজার টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।


পরে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার এবং  লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়ার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের করা আপিল আবেদনে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ক্ষতিপূরণ পুননির্ধারণ করে দেন।


আপিল বিভাগ আদেশ অনুযায়ী, ক্ষতিপূরণের হিসেবে প্রতিদিন ১০ হাজার টাকা জমা দিতে ১৫৪টি ট্যানারি প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট মালিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে এই আদেশের পর যে ট্যানারি প্রতিষ্ঠান সাভারে স্থানান্তরিত হবে, সেই প্রতিষ্ঠানকে পরদিন থেকে আর ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়।


এ ছাড়া ৪ মার্চ বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের অপর একটি বেঞ্চ রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে সাভারে স্থানান্তর না হওয়ায় পরিবেশ দূষণের ক্ষতিপূরণ হিসেবে বকেয়া ৩০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা দুই সপ্তাহের মধ্যে ১৫৪ ট্যানারি প্রতিষ্ঠানকে পরিশোধের নির্দেশ দেন।

Post A Comment: