দেশের তৃতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংক ২০১৬ সালে মোট আয় করেছে চার হাজার ৮৭০ কোটি টাকা। যা আগের বছরের চেয়ে ৩.৪ শতাংশ বেশি। আর এ বছর অপারেটরটির ডেটা রেভিনিউ সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের বছরের চেয়ে ৫১.২ শতাংশ ডেটা রেভিনিউ বৃদ্ধি পেয়ে এ খাত থেকে আয় হয়েছে ৪৯০ কোটি টাকা। বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর পর ১১ বছরের মাথায় এসে নিজেকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসিবে ঘোষণা করে বাংলালিংক। ২০১৬ সালে প্রথম কোম্পানিটি তার আয়ের হিসাব দিয়েছিল। তবে সব সময় তাদের রেভিনিউয়ের তথ্য প্রকাশ করে অপারেটরটির মূল কোম্পানি ভিমপেলকম।

   দেশের তৃতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংক ২০১৬ সালে মোট আয় করেছে চার হাজার ৮৭০ কোটি টাকা। যা আগের বছরের চেয়ে ৩.৪ শতাংশ বেশি। আর এ বছর অপারেটরটির ডেটা রেভিনিউ সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের বছরের চেয়ে ৫১.২ শতাংশ ডেটা রেভিনিউ বৃদ্ধি পেয়ে এ খাত থেকে আয় হয়েছে ৪৯০ কোটি টাকা।


বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর পর ১১ বছরের মাথায় এসে নিজেকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসিবে ঘোষণা করে বাংলালিংক। ২০১৬ সালে প্রথম কোম্পানিটি তার আয়ের হিসাব দিয়েছিল। তবে সব সময় তাদের রেভিনিউয়ের তথ্য প্রকাশ করে অপারেটরটির মূল কোম্পানি ভিমপেলকম।


ভিমপেলকমের হিসেবে বাংলালিংক ২০১৩ সালে তিন হাজার ৯০০ কোটি, ২০১৪ সালে চার হাজার ৩৭০ কোটি, ২০১৫ সালে চার হাজার ৭১০ কোটি এবং ২০১৬ সালে চার হাজার ৮৭০ কোটি টাকা আয় করেছে। 


এ ব্যাপারে বাংলালিংকের সিইও এরিক অস বলছেন, আমরা ২০১৬ সাল থেকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা দিতে পেরেছি। আমরা নিয়মিতভাবে আমাদের স্টেকহোল্ডারদের গুরুত্ব দিতে চাই। ডেটা এখন নতুন উদীয়মান রেভিনিউ সোর্স। আমরা আমাদের এই আয়ে সন্তুষ্ট। আশা করছি ২০১৭ সালে আরও ভাল ফলাফল আশা করতে পারব।


ভিমপেলকমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলালিংকের মোট গ্রাহক ৩ কোটি ৪ লাখ। বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের ফলে অপারেটরটির মোট ৩৮ লাখ অর্থাৎ ৫.৯ শতাংশ গ্রাহক কমেছে। অপারেটরটির মোট ১ কোটি ৪৯ লাখ ইন্টারনেট গ্রাহক রয়েছে, যা আগের বছরের চেয়ে ৬.৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাংলালিংক নিয়মিতভাবে তাঁদের থ্রিজি সেবা সম্প্রসারণ করছে। যা এখন পর্যন্ত দেশজুড়ে ৫৯ শতাংশ এলাকায় কাভারেজ দিতে পেরেছে। ২০১৫ সালের শেষে তাঁদের মোট থ্রিজি কাভারেজ ছিল ৩৩ শতাংশ। অপারেটরটির গত বছর মূলধন ব্যয় হয়েছে এক হাজার ৭০ কোটি টাকা।

Post A Comment: