এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ঋণে প্রতি এক্সেলে ২২ দশমিক ৫ টন ভার বহনের ক্ষমতাসম্পন্ন ২৫টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন) কেনার পরিকল্পনা করেছিল রেলওয়ে। প্রতিটি ইঞ্জিনের দাম ধরা হয়েছিল ৩১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। পরে প্রকল্প সংশোধন করে ৩০টি ইঞ্জিন কেনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতি এক্সেলে ১৮ দশমিক ৫ টন ভারবাহী (এক্সেল লোড) প্রতিটি ইঞ্জিন ৩৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকায় কেনা হবে। এ হিসাবে ভার বহন ক্ষমতা কমলেও ইঞ্জিনপ্রতি দাম বাড়ছে তিন কোটি ৭৮ লাখ টাকা। শুল্কসহ দাম পড়বে প্রায় ৪৮ কোটি ৩০ লাখ টাকা। ২০ মার্চ সোমবার ‘বেশি দামে কেনা হচ্ছে কম ক্ষমতার ইঞ্জিন’ শিরোনামে দৈনিক সমকালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।


এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ঋণে প্রতি এক্সেলে ২২ দশমিক ৫ টন ভার বহনের ক্ষমতাসম্পন্ন ২৫টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন) কেনার পরিকল্পনা করেছিল রেলওয়ে। প্রতিটি ইঞ্জিনের দাম ধরা হয়েছিল ৩১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। পরে প্রকল্প সংশোধন করে ৩০টি ইঞ্জিন কেনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতি এক্সেলে ১৮ দশমিক ৫ টন ভারবাহী (এক্সেল লোড) প্রতিটি ইঞ্জিন ৩৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকায় কেনা হবে। এ হিসাবে ভার বহন ক্ষমতা কমলেও ইঞ্জিনপ্রতি দাম বাড়ছে তিন কোটি ৭৮ লাখ টাকা। শুল্কসহ দাম পড়বে প্রায় ৪৮ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

২০ মার্চ সোমবার ‘বেশি দামে কেনা হচ্ছে কম ক্ষমতার ইঞ্জিন’ শিরোনামে দৈনিক সমকালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

চলতি মাসের শুরুতে প্রকল্পের পরীক্ষণ কমিটির সভায় ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়ে প্রশ্ন তোলে রেল মন্ত্রণালয়। রেলওয়ের মহাপরিচালক আমজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় প্রকল্পের ব্যয় প্রাক্কলন যৌক্তিকভাবে নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়। সভায় বলা হয়, রেলের বহরে থাকা ১৮ দশমিক ৫ টন এক্সেল লোডের তিন হাজার অশ্বশক্তির ইঞ্জিনগুলো অতিরিক্ত ভার বহনে সক্ষম নয়। প্রায়ই ইঞ্জিন গরম হয়ে যায়। তাই এবার আরও বেশি অশ্বশক্তির ইঞ্জিন সংগ্রহের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। থাকছে কিছু 'আপগ্রেড ফিচার'ও, যাতে তেল সাশ্রয় হবে। চাকার ক্ষয় কমবে। এসব যুক্তিতেই দাম বাড়ানো হচ্ছে।

অশ্বশক্তি বৃদ্ধি ও 'আপগ্রেড' ফিচারের কথা বলা হলেও, ভার বহন ক্ষমতা আগের মতোই থাকছে। ১৯ দশমিক ৫ টন এক্সেল লোডের ইঞ্জিন কেনার বিষয়টি আলোচিত হলেও বিদ্যমান রেললাইনের জন্য তা উপযোগী নয়- এ যুক্তিতে ১৮ দশমিক ৫ টন এক্সেল লোডের ইঞ্জিন কেনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। রেল সূত্রে জানা গেছে, ইঞ্জিন সংকট মেটাতে গত বছর 'বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ২৫টি ব্রডগেজ ডিজেল লোকোমেটিভ সংগ্রহ' প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ২২ দশমিক ৫ টন এক্সেল লোডের এসব ইঞ্জিন কিনতে ব্যয় ধরা হয় এক হাজার ৭২ কোটি ৪৫ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এ জন্য ৮৪৫ কোটি ৩১ লাখ ২০ হাজার টাকা ঋণ চাওয়া হয়েছিল এডিবির কাছে। বাকি টাকা জোগান দেবে সরকার।

Post A Comment: