দেশের চারটি বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান বনস্পতি উৎপাদন ও বাজারজাত করলেও তার অধিকাংশই ভেজাল বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। প্রতিষ্ঠান চারটি হচ্ছে, সিটি গ্রুপের মালিকানাধীন দীপা অয়েল মিল, মেঘনা গ্রুপের তানভীর অয়েল মিল, পুষ্টি ও হিলসা ব্র্যান্ডের শবনম অয়েল মিলস ও চট্টগ্রামের মুসকান ব্র্যান্ডের লিলা ফুডস। ২ মার্চ দৈনিক বণিক বার্তায় প্রকাশিত ‘দেশে উৎপাদিত বনস্পতির অধিকাংশই ভেজাল’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এ সব তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বনস্পতির মেল্টিং পয়েন্ট বা গলনাঙ্ক মানবদেহের তাপমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হয়। সঠিক পদ্ধতিতে উৎপাদন করা হলে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার সঙ্গে এর গলনাঙ্কের কোনো ব্যত্যয়ও দেখা যায় না। কিন্তু দেশে উৎপাদিত বনস্পতির অধিকাংশই ভেজাল হওয়ায় এক্ষেত্রে সঠিক মান পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন নমুনা পরীক্ষা করে বনস্পতির চারটি গুরুত্বপূর্ণ প্যারামিটারের তিনটিতেই ত্রুটি পাওয়া গেছে। ফাস্টফুড তৈরিসহ দেশের অধিকাংশ বেকারিতেই বনস্পতি ব্যবহার হয়ে থাকে। এছাড়া হোটেল, রেস্তোরাঁ ও ঘরোয়া অনেক অনুষ্ঠানে এটি ব্যবহার হয়। বনস্পতির গলনাঙ্ক নির্দিষ্ট মানমাত্রার চেয়ে বেশি হলে তা হজমে সমস্যা করে। একই সঙ্গে এটি রক্তে চর্বির পরিমাণ বাড়ায়। এতে হাইপারটেনশনের ঝুঁকি বাড়ে। এমনকি এ চর্বির মাত্রা বাড়তে বাড়তে একসময় আর্টারি বন্ধ হয়ে মৃত্যুর আশঙ্কাও থাকে।

 দেশের চারটি বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান বনস্পতি উৎপাদন ও বাজারজাত করলেও তার অধিকাংশই ভেজাল বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।


প্রতিষ্ঠান চারটি হচ্ছে, সিটি গ্রুপের মালিকানাধীন দীপা অয়েল মিল, মেঘনা গ্রুপের তানভীর অয়েল মিল, পুষ্টি ও হিলসা ব্র্যান্ডের শবনম অয়েল মিলস ও চট্টগ্রামের মুসকান ব্র্যান্ডের লিলা ফুডস।


২ মার্চ দৈনিক বণিক বার্তায় প্রকাশিত ‘দেশে উৎপাদিত বনস্পতির অধিকাংশই ভেজাল’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এ সব তথ্য উঠে এসেছে।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বনস্পতির মেল্টিং পয়েন্ট বা গলনাঙ্ক মানবদেহের তাপমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হয়। সঠিক পদ্ধতিতে উৎপাদন করা হলে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার সঙ্গে এর গলনাঙ্কের কোনো ব্যত্যয়ও দেখা যায় না। কিন্তু দেশে উৎপাদিত বনস্পতির অধিকাংশই ভেজাল হওয়ায় এক্ষেত্রে সঠিক মান পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন নমুনা পরীক্ষা করে বনস্পতির চারটি গুরুত্বপূর্ণ প্যারামিটারের তিনটিতেই ত্রুটি পাওয়া গেছে।
ফাস্টফুড তৈরিসহ দেশের অধিকাংশ বেকারিতেই বনস্পতি ব্যবহার হয়ে থাকে। এছাড়া হোটেল, রেস্তোরাঁ ও ঘরোয়া অনেক অনুষ্ঠানে এটি ব্যবহার হয়। বনস্পতির গলনাঙ্ক নির্দিষ্ট মানমাত্রার চেয়ে বেশি হলে তা হজমে সমস্যা করে। একই সঙ্গে এটি রক্তে চর্বির পরিমাণ বাড়ায়। এতে হাইপারটেনশনের ঝুঁকি বাড়ে। এমনকি এ চর্বির মাত্রা বাড়তে বাড়তে একসময় আর্টারি বন্ধ হয়ে মৃত্যুর আশঙ্কাও থাকে।

Post A Comment: