খুলনায় অস্ত্র মামলায় দুই আসামীর প্রত্যেককে ১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইনের ১৯ এ ধারায় ১০ বছর ও (এফ) ধারায় আরো ৭ বছরসহ মোট ১৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরূপ কুমার গোস্বামী এ রায় ঘোষণা করেন। দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন নগরীর গিলাতলা

 খুলনায় অস্ত্র মামলায় দুই আসামীর প্রত্যেককে ১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইনের ১৯ এ ধারায় ১০ বছর ও (এফ) ধারায় আরো ৭ বছরসহ মোট ১৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরূপ কুমার গোস্বামী এ রায় ঘোষণা করেন। দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন নগরীর গিলাতলা


দক্ষিণ পাড়ার মৃত ওমর আলির ছেলে মো. মিজান (২৬) ও একই এলাকার আবেদ আলির ছেলে মো. সাঈদ আলি (২৬)। রায় ঘোষণাকালে আসামী মিজান আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন এবং সাঈদ আলি পলাতক রয়েছেন।

এপিপি অ্যাডভোকেট মো. কামরুল হোসেন জোয়ার্দ্দার জানান, ২০১৩ সালের ২৭ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার  দিকে গিলাতলা দক্ষিণ পাড়ার বালিরঘাট শাহাজাহানের বাড়ির পাশে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্যরা ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন সংবাদ পায় র‌্যাব। এসময় সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যরা পালিয়ে গেলেও ৭ দশমিক ৬৫ এমএম বোরের একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য মিজান ধরা পড়ে। 


পরে তার স্বীকারোক্তিতে জানা যায় অস্ত্রটি সে একই এলাকার  সাঈদ আলির নিকট থেকে কিনেছে। এ ঘটনায় র‌্যাব-৬ খুলনার উপ-সহকারী পরিচালক পুলিশ পরিদর্শক বিদ্যুৎ চন্দ্র দে বাদি হয়ে মিজান ও সাঈদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইনের ১৯ এ ও এফ ধারায় মামলা দায়ের করেন। পরে  একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. মনিরুল ইসলাম আসামী মিজান ও সাঈদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। রাস্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি অ্যাডভোকেট সুলতানা রহমান শিল্পি ও এপিপি অ্যাডভোকেট মো. কামরুল হোসেন জোয়ার্দ্দার।

Post A Comment: