চট্টগ্রামে ডাস্টবিনে কুড়িয়ে পাওয়া শিশু একুশকে শাকিলা আক্তার ও ডা. জাকির হোসেন দম্পতির জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস বুধবার তাকে এ দম্পতির জিম্মায় দেওয়ার নির্দেশ দেন। এ শিশুটিকে জিম্মায় নেওয়ার জন্য মোট ১৭ জন আবেদন করেন। এরমধ্যে ১৩ জনের আবেদনের ওপর শুনানি করেন নারী ও শিশু আদালতের বিচারক। আবেদনগুলোর ওপর শুনানি শেষে গৃহিণী শাকিলা আক্তার ও চিকিৎসক জাকির হোসেন দম্পতির আবেদন গ্রহণ করে তাদের জিম্মায় শিশু একুশকে দেওয়ার নির্দেশ দেন বলে জানান চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর এসএম ফয়েজ।
একুশ পেল নতুন ঠিকানা
 
চট্টগ্রামে ডাস্টবিনে কুড়িয়ে পাওয়া শিশু একুশকে শাকিলা আক্তার ও ডা. জাকির হোসেন দম্পতির জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস বুধবার তাকে এ দম্পতির জিম্মায় দেওয়ার নির্দেশ দেন। এ শিশুটিকে জিম্মায় নেওয়ার জন্য মোট ১৭ জন আবেদন করেন। এরমধ্যে ১৩ জনের আবেদনের ওপর শুনানি করেন নারী ও শিশু আদালতের বিচারক। আবেদনগুলোর ওপর শুনানি শেষে গৃহিণী শাকিলা আক্তার ও চিকিৎসক জাকির হোসেন দম্পতির আবেদন গ্রহণ করে তাদের জিম্মায় শিশু একুশকে দেওয়ার নির্দেশ দেন বলে জানান চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর এসএম ফয়েজ।

চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানা এলাকার একটি ডাস্টবিন থেকে ২০ মার্চ নবজাতক এক পুত্র শিশুকে উদ্ধার করে এলাকাবাসী। এরপর পুলিশের তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে শিশুটির পরিচর্যা করা হয়। মহান ভাষা আন্দোলনের স্মরণে শিশুটির নাম রাখা হয় একুশ। আদালত এ শিশুর প্রকৃত বাবা-মাকে খোঁজার নির্দেশ দিলেও পুলিশ তাদের পাওয়া যায়নি বলে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। এরপর শিশুটিকে জিম্মায় নেওয়ার জন্য বেশ কযেকটি আবেদন জমা পড়ে চট্টগ্রামের আদালতে।

অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর এসএম ফয়েজ জানান, একুশের জিম্মার দায়িত্ব পাওয়া আবেদনকারী একজন গৃহিণী। তাকে ১০ লাখ টাকার শিশু বীমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বীমার কাগজপত্র আদালতে পেশ করার পর একুশকে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হবে।

চিকিৎসক জাকির তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘আমরা খুবই খুশি একটা সন্তান পেয়েছি।  আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী বীমার কাগজপত্র জমা দিয়ে একুশকে বাসায় নিয়ে যাবো।’

Post A Comment: