সীতাকুণ্ডের জঙ্গি আস্তানায় বিস্ফোরক উদ্ধার ও পাঁচজন নিহতের ঘটনায় চারটি মামলা হয়েছে। পুলিশ বাদী হয়ে শুক্রবার সকালে সীতাকুণ্ড থানায় হত্যা, অস্ত্র, বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাগুলি করে। চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নামার বাজারের সাধন কুটির থেকে গ্রেপ্তার জঙ্গি দম্পতি জসীম ও আর্জিনাকে সবগুলো মামলার আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া হত্যা মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।
Sitakunda-militant-hideout-4-cases 

 সীতাকুণ্ডের জঙ্গি আস্তানায় বিস্ফোরক উদ্ধার ও পাঁচজন নিহতের ঘটনায় চারটি মামলা হয়েছে। পুলিশ বাদী হয়ে শুক্রবার সকালে সীতাকুণ্ড থানায় হত্যা, অস্ত্র, বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাগুলি করে। চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নামার বাজারের সাধন কুটির থেকে গ্রেপ্তার জঙ্গি দম্পতি জসীম ও আর্জিনাকে সবগুলো মামলার আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া হত্যা মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।


বুধবার বিকেলে স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে নামার বাজারের সাধন কুটিরে অভিযান চালিয়ে জঙ্গি দম্পতিকে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের তথ্যের উপর ভিত্তি করে  সীতাকুণ্ড পৌর এলাকার ৫ নম্বর প্রেমতলা ওয়ার্ডে ‘ছায়ানীড়’ নামের ওই বাড়িতে জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পায় পুলিশ। জঙ্গিরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গ্রেনেড হামলা চালায়।  এরপর ভবনটি ঘিরে রেখে ১৯ ঘণ্টা অভিযান চালায় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ও সোয়াট।

এ অভিযানে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ও গুলিতে এক নারীসহ চার জঙ্গি নিহত হন। নিহত নারীর পাশে এক শিশুর লাশ পাওয়া যায়।

Post A Comment: