মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা বায়রা গ্রামে স্ত্রী ও গৃহপরিচারিকাকে হত্যার দায়ে স্বামী ইবনে কায়সার মুকুলকে (৩২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আল মাহমুদ ফায়জুল কবির এই রায় প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মুকুল সিংগাইর উপজেলার বায়রা গ্রামের ফেরদৌস মাস্টারের ছেলে।
স্ত্রীসহ জোড়া খুনের দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন
 

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা বায়রা গ্রামে স্ত্রী ও গৃহপরিচারিকাকে হত্যার দায়ে স্বামী ইবনে কায়সার মুকুলকে (৩২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আল মাহমুদ ফায়জুল কবির এই রায় প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মুকুল সিংগাইর উপজেলার বায়রা গ্রামের ফেরদৌস মাস্টারের ছেলে।


আদালত সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে ২০১৩ সালের ১৩ জানুয়ারি দুপুরে নিজ বাড়িতে স্ত্রী নার্গিস আক্তারকে দা দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে স্বামী মুকুল। এসময় গৃহপরিচারিকা সাকী বেগম (৪৫) এগিয়ে এলে তাকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। এতে ঘটনাস্থলে স্ত্রী নার্গিস আক্তার মারা যায়। মারাত্মক আহত সাকী বেগমকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর সেও মারা যায়।

এ ঘটনায় নার্গিসের বাবা গিয়াস উদ্দিন বাদী হয়ে ওই দিনই সিংগাইর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ আসামি মুকুলকে গ্রেফতার করে।

ঘটনার তিন মাস পর ২০১৩ সালের ১৯ মার্চ আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সিংগাইর থানার সাব ইন্সপেক্টর এনামুল হক। মামলায় মোট ১৮ জনের স্বাক্ষ্য শেষে এই রায় দেওয়া হয়।

সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট মথুরনাথ ও আসামি পক্ষে ছিলেন এডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন।

Post A Comment: