দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইতে গত সপ্তাহে লেনদেন আগের সপ্তাহের তুলনায় সাড়ে ৩ শতাংশ বেড়ে পাঁচ হাজার ৩৫৮ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। তবে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ১৮ কোম্পানির লেনদেন বেড়েছে ৮২ শতাংশের বেশি; লেনদেন হয়েছে প্রায় ১৩৫ কোটি টাকার শেয়ার। আর টাকার অঙ্কে সর্বাধিক প্রায় ২২৩ কোটি টাকার লেনদেন বেড়ে ওষুধ ও রসায়ন খাতের মোট লেনদেন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে; শতাংশের হারে বৃদ্ধির হার সাড়ে ২৮ শতাংশ।
 Pharmaceuticals-and-chemistry-sectors-culminating-billion-deal


দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইতে গত সপ্তাহে লেনদেন আগের সপ্তাহের তুলনায় সাড়ে ৩ শতাংশ বেড়ে পাঁচ হাজার ৩৫৮ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। তবে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ১৮ কোম্পানির লেনদেন বেড়েছে ৮২ শতাংশের বেশি; লেনদেন হয়েছে প্রায় ১৩৫ কোটি টাকার শেয়ার। আর টাকার অঙ্কে সর্বাধিক প্রায় ২২৩ কোটি টাকার লেনদেন বেড়ে ওষুধ ও রসায়ন খাতের মোট লেনদেন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে; শতাংশের হারে বৃদ্ধির হার সাড়ে ২৮ শতাংশ।


ডিএসইর সার্বিক লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের লেনদেন বৃদ্ধিতে সর্বাধিক অবদান ছিল গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের। এ কোম্পানির মোট ৫৩ কোটি ৩২ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, যা এ খাতের মোট লেনদেনের ৪৪ শতাংশ। এ ছাড়া ওষুধ ও রসায়ন খাতের লেনদেন বৃদ্ধিতে সর্বাধিক অ্যাকটিভ ফাইন ও কেয়া কসমেটিকস। উভয় কোম্পানির লেনদেন এ খাতের মোট লেনদেনের যথাক্রমে প্রায় ২১ ও ১২ শতাংশ।

পর্যালোচনার দেখা যায়, প্রধান এ শেয়ারবাজারে গত সপ্তাহে আরও লেনদেন বেড়েছে ব্যাংক, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক, বীমা, সিমেন্ট, তথ্য ও প্রযুক্তি এবং বিবিধ খাতের। অন্য সব খাতের লেনদেন কমেছে। শেয়ারদর ওঠানামায় কয়েকটি খাতে মিশ্রধারা থাকলেও অধিকাংশ খাতের বেশিরভাগ শেয়ারের দরই কমেছে। যদিও দর হ্রাসের হার ছিল সামান্য। ব্যতিক্রম দেখা গেছে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে।

ডিএসইর প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত ৩৩৩ কোম্পানির শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে একটি বাদে সবক'টির লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১১৩টির, কমেছে ১৯৬টির এবং অপরিবর্তিত থেকেছে ২৩টির দর। বেশিরভাগ শেয়ারের দর কমার নেতিবাচক প্রভাব ছিল বাজার মূল্যসূচকে। এ বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৮ পয়েন্ট হারিয়ে ৫৫৮৭ পয়েন্টের নিচে নেমেছে। টানা তিন সপ্তাহে সূচকটি ২৬০ পয়েন্ট বৃদ্ধির পর সূচকে এমন নিম্নমুখী ধারা দেখা গেছে।

অপর শেয়ারবাজার সিএসইতে গত সপ্তাহে ৮৮ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দর বৃদ্ধির বিপরীতে ১৮৬টিরই দর কমেছে এবং অপরিবর্তিত থেকেছে ১৫টির দর। এতে এ বাজারের প্রধান সূচক সিএসসিএক্স প্রায় ৭২ পয়েন্ট হারিয়ে ১০৪৯২ পয়েন্টে নেমেছে। সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হয়েছে ৩৪০ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার।

ডিএসইর লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ওষুধ ও রসায়ন খাতে সর্বাধিক ২৮ কোম্পানির এক হাজার পাঁচ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। এর পরের অবস্থানে ছিল প্রকৌশল খাতের ৩৩ কোম্পানির প্রায় ৮২৯ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন, যা আগের সপ্তাহের চার কার্যদিবসের ৩ শতাংশ কম।

খাতওয়ারি লেনদেনে এর পরের অবস্থানে থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের ২৩ কোম্পানির ৬৫৬ কোটি টাকার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ১৮ কোম্পানির ৬৪৫ কোটি, ব্যাংক খাতের ৩০ কোম্পানির ৬২০ কোটি টাকার এবং বস্ত্র খাতের ৪৬ কোম্পানির ৫৯৪ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন ছিল উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যে আগের সপ্তাহের তুলনায় ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে লেনদেন ১৭ শতাংশ বেড়েছে, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ২২ শতাংশ কমেছে , ব্যাংক খাতের সাড়ে ২৫ শতাংশ বেড়েছে এবং বস্ত্র খাতের লেনদেন ৯ শতাংশ কমেছে।

লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ব্যাংক খাতের সাত কোম্পানির দর বৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ২১টির। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে দুটির দর বৃদ্ধির বিপরীতে ১৮টির, প্রকৌশল খাতের নয়টির দর বৃদ্ধির বিপরীতে ২২টির, সিমেন্ট খাতের একটির দর বৃদ্ধির বিপরীতে ছয়টির দর কমেছে।

Post A Comment: