আশুলিয়ায় যাত্রীবাহী বাসের চাপায় আহত এক শ্রমিক নিহতের ঘটনায় সহকর্মীরা নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেছে। এ সময় সড়কটিতে ঢাকা ও উত্তরবঙ্গগামী সব ধরনের যানবাহন প্রায় ১ ঘণ্টা চলাচল বন্ধ থাকে। পরে পুলিশ এসে শ্রমিকদের সরিয়ে দিলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

 

আশুলিয়ায় যাত্রীবাহী বাসের চাপায় আহত এক শ্রমিক নিহতের ঘটনায় সহকর্মীরা নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেছে। এ সময় সড়কটিতে ঢাকা ও উত্তরবঙ্গগামী সব ধরনের যানবাহন প্রায় ১ ঘণ্টা চলাচল বন্ধ থাকে। পরে পুলিশ এসে শ্রমিকদের সরিয়ে দিলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।


সোমবার বেলা ১১টার দিকে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের আশুলিয়ার বাড়ইপাড়া এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন স্থানীয় এনার্জিপ্যাকের শ্রমিকরা।

শ্রমিকরা জানান, ভোরে তাদের কারখানার ইদ্রিস নামে এক শ্রমিক নামাজ পড়তে যান। নামাজ শেষ করে তিনি সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ইতিহাস পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুত্র আহত হয়। পরে তাকে প্রথমে স্থানীয় ফাতেমা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে পথেই তার মৃত্যু হয়।

তারা আরও জানান, ইদ্রিসের মৃত্যুর খবর সহকর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে এনার্জিপ্যাকের কয়েকশ শ্রমিক নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের বাড়ইপাড়া এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিচার দাবি করেন। এ সময় সড়কটিতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দিলে দুপুর ১২টার দিকে সড়কটিতে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শামীম আহমেদ জানান, বর্তমানে সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ঘাতক বাস ও চালককে আটকের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

Post A Comment: