আগামী বছরের শুরুতে চট্টগ্রামের গ্যাস সংকট কেটে যাবে। কাতার থেকে এলএনজি আমদানির বিষয়টি চূড়ান্ত করেছে সরকার। সোনাদিয়ায় এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ কাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। আমেরিকার এক্সলেটর এনার্জি নামক একটি কোম্পানি এই এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ করছে। আগামী বছরের মার্চে টার্মিনাল নির্মাণ সম্পন্ন হবে। আমাদানিকৃত এলএনজি সরবরাহে সোনাদিয়া থেকে নগরীর কর্ণফুলী থানা পর্যন্ত ৯০ কিলোমিটার পাইপ লাইন স্থাপন কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। পেট্রোবাংলার এলএনজি সেলের ম্যানেজার প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিম এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ কাতার থেকে এলএনজি আমদানি করে থাকে। বাংলাদেশও কাতার থেকে এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
 Cutting-the-gas-crisis-in-March-next-year

আগামী বছরের শুরুতে চট্টগ্রামের গ্যাস সংকট কেটে যাবে। কাতার থেকে এলএনজি আমদানির বিষয়টি চূড়ান্ত করেছে সরকার। সোনাদিয়ায় এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ কাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। আমেরিকার এক্সলেটর এনার্জি নামক একটি কোম্পানি এই এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ করছে। আগামী বছরের মার্চে টার্মিনাল নির্মাণ সম্পন্ন হবে। আমাদানিকৃত এলএনজি সরবরাহে সোনাদিয়া থেকে নগরীর কর্ণফুলী থানা পর্যন্ত ৯০ কিলোমিটার পাইপ লাইন স্থাপন কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। পেট্রোবাংলার এলএনজি সেলের ম্যানেজার প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিম এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ কাতার থেকে এলএনজি আমদানি করে থাকে। বাংলাদেশও কাতার থেকে এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


এদিকে আমদানি করা এলএনজি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ( কেজিডিসিএল) নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করার জন্য ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে পৃথক প্রকল্প গ্রহণ করে কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আইয়ুব খান চৌধুরী। তিনি জানান, বর্তমানে যে অভ্যন্তরীণ গ্যাস পাইপ লাইন রয়েছে তা ৩৫০ মিলিয়ন ঘন ফুট গ্যাস ধারণের ক্ষমতা সম্পন্ন। আমদানিকৃত এলএনজির দৈনিক সরবরাহ ৫শ মিলিয়ন ঘন ফুট। তাই এই আপগ্রেডেশন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট নিরসন ও নতুন শিল্প কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। তিনি বলেন, এছাড়া ১৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে আরো একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। চট্টগ্রামের মিরসরাই এলাকায় অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার কাজ চলছে। এতে গ্যাস সংযোগ প্রদানের জন্য প্রকল্পটির কাজ শুরু করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে চট্টগ্রামের গ্যাসের চাহিদা ৪৫০ মিলিয়ন ঘন ফুট। জাতীয় গ্রীড থেকে সরবরাহ পাওয়া যায় গড়ে ২৩০ মিলিয়ন ঘন ফুট। চট্টগ্রামে গ্যাসের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদান করেও ২০ হাজার গ্রাহক তিন বছর ধরে প্রতিক্ষার প্রহর গুনছেন। এলএনজি এলে ৫০ মিলিয়ন ঘন ফুট গ্যাস উদ্বৃত্ত থাকবে। যা জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হবে।

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি সূত্র জানায়, রাজস্ব আদায়ে এ কোম্পানি অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। দুই বছরে কেজিডিসিএল জরিমানার বিপরীতে রাজস্ব আয় করেছে ৭৮ কোটি টাকা। ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিশেষ তত্ত্বাবধানে মোট ১৮টি ভিজিল্যান্স টিম সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে। কোম্পানীর এক পরিসংখ্যানে জানা যায়, ২০১৪ সালের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ২৮৫২টি অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে আয় হয়েছে ২২ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা। একই সময়ে বকেয়া কারণে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে ১৬ হাজার ২২৫ গ্রাহকের। এতে রাজস্ব আয় হয়েছে ৪৮ কোটি ১২ লক্ষ টাকা। কেজিডিসিএল গ্যাসের সিস্টেম লস হ্রাসের লক্ষে শিল্প, সিএনজি ও ক্যাপটিভ পাওয়ার শ্রেণীর গ্রাহককে ২৫৭টি ইভিসিযুক্ত (ইলেক্ট্রনিক ভলিউম করেক্টর) টারবাইন মিটার স্থাপন করেছে। নগরীর আবাসিক গ্রাহককে দেয়া হচ্ছে ৬০ হাজার প্রি-পেইড মিটার।

Post A Comment: