শরীরের বেশিরভাগ নতুন রক্তকোষই অস্থিমজ্জা বা বোন ম্যারো থেকে উৎপন্ন হয় যা অস্থির গোলাকার প্রান্তে থাকা চর্বি জাতীয় পদার্থ। যারা লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত হন তাদের নতুন রক্ত কোষগুলো পরিবর্তিত হয়ে ক্যান্সার সৃষ্টি করে। এর পর এদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া শুরু করে এবং এভাবেই রোগের উন্নতি ঘটতে থাকে। বোস্টনের ডানা হারবার ক্যান্সার ইনস্টিটিউট এর এডাল্ট লিউকেমিয়া প্রোগ্রাম এর ক্লিনিক্যাল ডাইরেক্টর এবং এমডি মারথা অয়াডলেইজ বলেন, ‘পূর্ণ বয়স্কদের জন্য ৫০ থেকে ৭০ বছর বয়স্ক যেকোন মানুষের লিউকেমিয়া হতে পারে’। মিশরের ইনফরমেশন রিসোর্স সেন্টারের দ্যা লিউকেমিয়া এন্ড লিম্ফোমা সোসাইটি এর তথ্য বিশেষজ্ঞ মেরেডিথ বার্নহার্ট ব্যাখ্যা করে বলেন, রক্তকোষের পরিবর্তনের ধরনের উপর এবং কত দ্রুত কোষের উৎপাদন প্রক্রিয়া পরিবর্তিত হয় তার উপর নির্ভর করে লিউকেমিয়াকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়।

 শরীরের বেশিরভাগ নতুন রক্তকোষই অস্থিমজ্জা বা বোন ম্যারো থেকে উৎপন্ন হয় যা অস্থির গোলাকার প্রান্তে থাকা চর্বি জাতীয় পদার্থ। যারা লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত হন তাদের নতুন রক্ত কোষগুলো পরিবর্তিত হয়ে ক্যান্সার সৃষ্টি করে। এর পর এদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া শুরু করে এবং এভাবেই রোগের উন্নতি ঘটতে থাকে। বোস্টনের ডানা হারবার ক্যান্সার ইনস্টিটিউট এর এডাল্ট লিউকেমিয়া প্রোগ্রাম এর ক্লিনিক্যাল ডাইরেক্টর এবং এমডি মারথা অয়াডলেইজ বলেন, ‘পূর্ণ বয়স্কদের জন্য ৫০ থেকে ৭০ বছর বয়স্ক যেকোন মানুষের লিউকেমিয়া হতে পারে’।

মিশরের ইনফরমেশন রিসোর্স সেন্টারের দ্যা লিউকেমিয়া এন্ড লিম্ফোমা সোসাইটি এর তথ্য বিশেষজ্ঞ মেরেডিথ বার্নহার্ট ব্যাখ্যা করে বলেন, রক্তকোষের পরিবর্তনের ধরনের উপর এবং কত দ্রুত কোষের উৎপাদন প্রক্রিয়া পরিবর্তিত হয় তার উপর নির্ভর করে লিউকেমিয়াকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়।

বার্নহার্ট এবং অয়াডলেইজ উভয়েই পরিষ্কারভাবে বলেন যে, লিউকেমিয়ার কোন একক লক্ষণ নেই। ‘উপসর্গ লিউকেমিয়ার বিভিন্ন ধরনের উপর নির্ভর করে’। কিন্তু পূর্ণবয়স্কদের লিউকেমিয়ার ক্ষেত্রে কিছু সাধারণ উপসর্গ দেখা যায়। সেগুলোর বিষয়েই জানবো আজ।

১। ফ্যাকাসে ত্বক
লিউকেমিয়া হলে ক্যান্সারের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ নতুন রক্তকোষ বোন ম্যারো ও আক্রান্ত হয় বলে স্বাস্থ্যকর কোষের জন্মগ্রহণ কঠিন হয়ে পরে। বার্নহার্ট ব্যাখ্যা করেন, ‘স্বাস্থ্যকর কোষের সংখ্যা কম থাকার কারণে (লিউকেমিয়া হওয়ার কারণে) আপনার অ্যানেমিয়া হতে পারে বলে ত্বক  ফ্যাকাসে হয়ে যেতে পারে’।  বিশেষজ্ঞরা বলেন, ‘রক্তস্বল্পতার কারণে হাত সব সময় ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে’।

২। ক্লান্তি
অন্যান্য রোগের মত লিউকেমিয়ার ক্ষেত্রেও সাধারণ উপসর্গ হচ্ছে ক্লান্তি। অয়াডলেইজ বলেন, যদি আপনার সব সময় নিজেকে অবসন্ন মনে হয় এবং বিশেষ করে শক্তির ঘাটতির কারণেই যদি আপনি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন অনুভব করেন তাহলে আপনার চিকিৎসককে বলুন। অ্যানেমিয়ার কারণেও ক্লান্তি অনুভব হতে পারে।

৩। সংক্রমণ অথবা জ্বর
আপনার ইমিউন সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে রক্তকোষ। যদি তারা অস্বাস্থ্যকর হয় তাহলে আপনি খুব ঘন ঘন অসুস্থ হতে পারেন। অয়াডলেইজ বলেন, ‘সংক্রমণ বা জ্বর সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ যা আমরা দেখি’।   

৪। শ্বাসকষ্ট
বার্নহার্ট বলেন, শক্তির অভাব অনুভব করার পাশাপাশি শ্বাসকষ্ট অনুভব করার প্রতিও নজর দেয়া উচিৎ। বিশেষ করে শরীরচর্চার সময় যদি শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন তাহলে তা আপনার চিকিৎসককে জানানো উচিৎ।

৫। নিরাময় হয় খুব ধীরে
বার্নহার্ট বলেন, যদি আপনার শরীরের কেটে যাওয়া স্থানটি শুকাতে খুব বেশি সময় নেয় অথবা যদি খুব দ্রুত ঘা হয় তাহলে আপনার লিউকেমিয়ার সমস্যার কারণে এমন হতে পারে।  যদি আপনার ত্বকে ছোট ছোট লাল বিন্দু দেখতে পান যা আসলে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে হয়, তাহলে তা হতে পারে লিউকেমিয়ার লক্ষণ। অয়াডলেইজ বলেন, সাধারণত শরীরের নিম্নাংশে হয়ে থাকে এই ধরনের লাল লাল দাগ।

৬। অন্যান্য উপসর্গ
বার্নহার্ট বলেন, উপরের ৫ টি উপসর্গ না থাকলেও রাতে ঘেমে যাওয়া, জয়েন্টে ব্যথা হওয়া ইত্যাদি উপসর্গগুলোও লিউকেমিয়ার সাথে সম্পর্কিত। অয়েডলেইজ বলেন, ওজন কমার লক্ষণ থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে। তিনি আরো কিছু সম্ভাব্য লক্ষণের কথা বলেন যেমন- নাক দিয়ে রক্ত পড়া, লিম্ফনোড ফুলে যায় বা বৃদ্ধি পায়, জ্বর থাকতে পারে বা শরীর ঠান্ডা হয়ে যেতে পারে।

Post A Comment: