সর্বকালের সফল অধিনায়কদের একজন তিনি। উপমহাদেশের কঠিন পরীক্ষাতেও ছিলেন সফল। রিকি পন্টিংয়ের পরামর্শ শুনতেই হবে। যদিও সেই পরামর্শ তিনি দিচ্ছেন অস্ট্রেলিয়াকে, কিন্তু এর থেকে বাংলাদেশেরও তো নেওয়ার আছে। অস্ট্রেলিয়ার আগে বাংলাদেশই তো টেস্টে মুখোমুখি হবে ভারতের। টেস্ট, ওয়ানডে কি টি-টোয়েন্টি—সবখানেই রানের ফোয়ারা ছোটাচ্ছেন কোহলি। কোহলিকে থামাতে না পারলে বিপদ। পন্টিং সহজ একটা পরামর্শ দিয়েছেন, কোহলিকে তাঁর স্বস্তির জায়গা থেকে বের করে আনতে হবে। রাখতে হবে অস্বস্তিতে। মাইক হাসি যদিও বলেছেন, কোহলিকে স্লেজিং করে খ্যাপানো যাবে না। তাতে উল্টো বিপদ। কিন্তু পন্টিং মনে করেন, কোহলিকে রাগিয়ে দিতে হবে। আবেগটাই কোহলির সবচেয়ে বড় শক্তি, আবার দুর্বলতাও। পন্টিং বলেছেন, ‘কোহলির একটা ব্যাপার আছে, ও যখনই মুখোমুখি লড়াইয়ের সামনে পড়ে, একটু হলেও নিজের স্বস্তির জায়গার বাইরে চলে আসে। খেয়াল করলেই দেখবেন, ও তখন মারাত্মক আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। এটা হয়তো ওর জন্য ভালো, কিন্তু প্রতিপক্ষের জন্যও ভালো। কী ঘটবে, তা তো আমরা দেখতেই পারব। তবে ওর মধ্যে আমি আমার কিছুটা ছায়া দেখি। সেও জাতীয় দলের জার্সিটার জন্য প্রাণ দিয়ে দেয়। মাঠেও দেখবেন খুব ছটফটে। খুবই আক্রমণাত্মক খেলোয়াড়।’ পন্টিং কোহলির ব্যাপারে এই রায়ও দিচ্ছেন, ‘ও কি বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যান? হ্যাঁ, সম্ভবত সে-ই সেরা। এই ভাবনা ছয় কি সাত মাস আগেই আমার মাথায় এসেছিল। আর তারপর তো ও নিজেকে অন্য এক উচ্চতাতেও নিয়ে গেল।’ কোহলিকে থামাতে তাই সব ধরনের কৌশল নিতেই হবে। মনস্তাত্ত্বিক কৌশল। ক্রিকেটীয় কৌশলও। মাঠের অধিনায়কের জন্যও কিছু দাওয়াই বাতলে দিয়েছেন পন্টিং, ‘বিরাটের মতো খেলোয়াড়দের বেলায় যেটা করতে হবে, ওর বাউন্ডারির জায়গাগুলো বন্ধ করে ​দিন। ওকে বাধ্য করুন মাঠের ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় খেলে রান করতে। ওকে বাধ্য করুন যেন রান পেতে ওকে উ​ইকেটে অনেকক্ষণ থাকতে হয়।’ বাংলাদেশ অবশ্য সফরে একটাই টেস্ট খেলতে। অস্ট্রেলিয়া খেলতে চার টেস্ট সিরিজ। যার শুরু হবে ২৩ ফেব্রুয়ারি। পন্টিং মনে করেন, ভারত একবার ছন্দটা পেয়ে গেলে সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারে না প্রতিপক্ষ দলগুলো। ২০০১ সালের সিরিজটাই প্রমাণ। সেবার মুম্বাইয়ে ১০ উইকেটে জিতল অস্ট্রেলিয়া। কলকাতা টেস্টে ফলোঅন করতে নেমেছিল ভারত। সিরিজ জয় তখন অস্ট্রেলিয়ার নাগালে। কিন্তু সেই ম্যাচটাই ভারত অবিশ্বাস্যভাবে জিতে নিল। এরপর সিরিজের শেষ টেস্টটাও জিতল নাটকের রোমাঞ্চ ছড়িয়ে। পন্টিং বলেছেন, ‘ভারতে খেলতে গিয়ে আমি একটা জিনিস শিখেছি, স্বাগতিক দল যে গতিটা তৈরি করবে, আপনাকে ​তা থামাতেই হবে।’

 সর্বকালের সফল অধিনায়কদের একজন তিনি। উপমহাদেশের কঠিন পরীক্ষাতেও ছিলেন সফল। রিকি পন্টিংয়ের পরামর্শ শুনতেই হবে। যদিও সেই পরামর্শ তিনি দিচ্ছেন অস্ট্রেলিয়াকে, কিন্তু এর থেকে বাংলাদেশেরও তো নেওয়ার আছে। অস্ট্রেলিয়ার আগে বাংলাদেশই তো টেস্টে মুখোমুখি হবে ভারতের।

টেস্ট, ওয়ানডে কি টি-টোয়েন্টি—সবখানেই রানের ফোয়ারা ছোটাচ্ছেন কোহলি। কোহলিকে থামাতে না পারলে বিপদ। পন্টিং সহজ একটা পরামর্শ দিয়েছেন, কোহলিকে তাঁর স্বস্তির জায়গা থেকে বের করে আনতে হবে। রাখতে হবে অস্বস্তিতে। মাইক হাসি যদিও বলেছেন, কোহলিকে স্লেজিং করে খ্যাপানো যাবে না। তাতে উল্টো বিপদ। কিন্তু পন্টিং মনে করেন, কোহলিকে রাগিয়ে দিতে হবে। আবেগটাই কোহলির সবচেয়ে বড় শক্তি, আবার দুর্বলতাও।


পন্টিং বলেছেন, ‘কোহলির একটা ব্যাপার আছে, ও যখনই মুখোমুখি লড়াইয়ের সামনে পড়ে, একটু হলেও নিজের স্বস্তির জায়গার বাইরে চলে আসে। খেয়াল করলেই দেখবেন, ও তখন মারাত্মক আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। এটা হয়তো ওর জন্য ভালো, কিন্তু প্রতিপক্ষের জন্যও ভালো। কী ঘটবে, তা তো আমরা দেখতেই পারব। তবে ওর মধ্যে আমি আমার কিছুটা ছায়া দেখি। সেও জাতীয় দলের জার্সিটার জন্য প্রাণ দিয়ে দেয়। মাঠেও দেখবেন খুব ছটফটে। খুবই আক্রমণাত্মক খেলোয়াড়।’


পন্টিং কোহলির ব্যাপারে এই রায়ও দিচ্ছেন, ‘ও কি বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যান? হ্যাঁ, সম্ভবত সে-ই সেরা। এই ভাবনা ছয় কি সাত মাস আগেই আমার মাথায় এসেছিল। আর তারপর তো ও নিজেকে অন্য এক উচ্চতাতেও নিয়ে গেল।’


কোহলিকে থামাতে তাই সব ধরনের কৌশল নিতেই হবে। মনস্তাত্ত্বিক কৌশল। ক্রিকেটীয় কৌশলও। মাঠের অধিনায়কের জন্যও কিছু দাওয়াই বাতলে দিয়েছেন পন্টিং, ‘বিরাটের মতো খেলোয়াড়দের বেলায় যেটা করতে হবে, ওর বাউন্ডারির জায়গাগুলো বন্ধ করে ​দিন। ওকে বাধ্য করুন মাঠের ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় খেলে রান করতে। ওকে বাধ্য করুন যেন রান পেতে ওকে উ​ইকেটে অনেকক্ষণ থাকতে হয়।’


বাংলাদেশ অবশ্য সফরে একটাই টেস্ট খেলতে। অস্ট্রেলিয়া খেলতে চার টেস্ট সিরিজ। যার শুরু হবে ২৩ ফেব্রুয়ারি। পন্টিং মনে করেন, ভারত একবার ছন্দটা পেয়ে গেলে সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারে না প্রতিপক্ষ দলগুলো। ২০০১ সালের সিরিজটাই প্রমাণ। সেবার মুম্বাইয়ে ১০ উইকেটে জিতল অস্ট্রেলিয়া। কলকাতা টেস্টে ফলোঅন করতে নেমেছিল ভারত। সিরিজ জয় তখন অস্ট্রেলিয়ার নাগালে। কিন্তু সেই ম্যাচটাই ভারত অবিশ্বাস্যভাবে জিতে নিল। এরপর সিরিজের শেষ টেস্টটাও জিতল নাটকের রোমাঞ্চ ছড়িয়ে।


পন্টিং বলেছেন, ‘ভারতে খেলতে গিয়ে আমি একটা জিনিস শিখেছি, স্বাগতিক দল যে গতিটা তৈরি করবে, আপনাকে ​তা থামাতেই হবে।’

Post A Comment: