ছোট আহ্নিক মন্দির, পুঠিয়া, রাজশাহীতে অবস্থিত। এই মন্দিরটি বাংলা বা চালা স্থাপত্য রীতিতে নির্মিত। মন্দিরের ছাদ দোচালা আকৃতির এবং আংশিক বাকানো। এ নির্মাণশৈলীকে দোচালা রীতিও বলা হয়। একদম আমাদের নিজস্ব ও দেশীয় নির্মাণ রীতি এটি। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাঝামাঝি ইংল্যান্ডে এ রীতিতে সামার কটেজ ও রিসোর্ট (resort) নির্মাণের হিরিক পরে। পৃথিবী ব্যাপী এ নির্মাণশৈলী Bungalows বা Bengal style নামে পরিচিত। মুলত সল্প ব্যয়ের জন্য এ নির্মাণশৈলী বিখ্যাত। মন্দিরটি অবশ্য স্বল্প ব্যায়ে নির্মিত নয়। আহ্নিক মন্দিরের সামনের দিকে পুরো দেয়াল এবং অন্যান্য দিকে আংশিক দেওয়াল টেরাকোটা দিয়ে ঢাকা। টেরাকোটায় মূলত শ্রীকৃষ্ণের বৃন্দাবন লীলা, জীবজন্তু ও লতাপাতা চিত্রিত হয়েছে। পুঠিয়া রাজবাড়ীর দক্ষিণ পাশে এমন্দির অবস্থিত। আয়তাকার নির্মিত উত্তর দক্ষিণে লম্বা (২৪’ X ১৬’) এমন্দিরের পূর্বদিকে পাশাপাশি ৩টি এবং দক্ষিণে ১টি খিলান দরজা আছে। মন্দিরটি আঠার খ্রিস্টাব্দে প্রেম নারায়ণ কর্তৃক নির্মিত এবং মন্দিরটির বয়স প্রায় ২৫০ বছর। কীভাবে যাবেন : রাজশাহী-নাটোর মহাসড়কের পুঠিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে এক কিলোমিটার দক্ষিণে রিকশায় মাত্র পাঁচ মিনিটের পথ, ভাড়া মাত্র পাঁচ টাকা। রাজশাহী শহর থেকে সড়ক পথে দূরত্ব ৩৪ কিলোমিটার এবং নাটোর থেকে ১৮ কিলোমিটার। নিজস্ব গাড়িতে ভ্রমণে গেলে রাজশাহী শহরের প্রায় ত্রিশ কিলোমিটার আগে পড়বে জায়গাটি। এছাড়া রাজশাহীগামী যেকোনো বাসে গিয়েও পুঠিয়া নামা যায়। আবার রাজশাহী থেকে লোকাল বাসে পুঠিয়া আসতে সময় লাগে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা। রাজশাহী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে নাটোরগামী বাসে চড়ে পুঠিয়া নামা যায়। কোথায় থাকবেন : পুঠিয়াতে জেলা পরিষদের দু’টি ডাকবাংলো আছে যেখানে নির্ধারিত ভাড়া পরিশোধ করে থাকা যাবে। তবে আসার আগেই ডাকবাংলোতে কক্ষ বরাদ্দ নিতে হবে জেলা পরিষদ থেকে। জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের ফোন নম্বর ০৭২১-৭৭৬৩৪৮। এ ছাড়া পুঠিয়া বাসস্ট্যান্ডের পাশে একটি বেসরকারি আবাসিক হোটেল রয়েছে।

  ছোট আহ্নিক মন্দির, পুঠিয়া, রাজশাহীতে অবস্থিত। এই মন্দিরটি বাংলা বা চালা স্থাপত্য রীতিতে নির্মিত। মন্দিরের ছাদ দোচালা আকৃতির এবং আংশিক বাকানো। এ নির্মাণশৈলীকে দোচালা রীতিও বলা হয়। একদম আমাদের নিজস্ব ও দেশীয় নির্মাণ রীতি এটি। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাঝামাঝি ইংল্যান্ডে এ রীতিতে সামার কটেজ ও রিসোর্ট (resort) নির্মাণের হিরিক পরে। পৃথিবী ব্যাপী এ নির্মাণশৈলী Bungalows বা Bengal style নামে পরিচিত। মুলত সল্প ব্যয়ের জন্য এ নির্মাণশৈলী বিখ্যাত। মন্দিরটি অবশ্য স্বল্প ব্যায়ে নির্মিত নয়।

আহ্নিক মন্দিরের সামনের দিকে পুরো দেয়াল এবং অন্যান্য দিকে আংশিক দেওয়াল টেরাকোটা দিয়ে ঢাকা। টেরাকোটায় মূলত শ্রীকৃষ্ণের বৃন্দাবন লীলা, জীবজন্তু ও লতাপাতা চিত্রিত হয়েছে। 


পুঠিয়া রাজবাড়ীর দক্ষিণ পাশে এমন্দির অবস্থিত। আয়তাকার নির্মিত উত্তর দক্ষিণে লম্বা (২৪’ X ১৬’) এমন্দিরের পূর্বদিকে পাশাপাশি ৩টি এবং দক্ষিণে ১টি খিলান দরজা আছে। মন্দিরটি আঠার খ্রিস্টাব্দে প্রেম নারায়ণ কর্তৃক নির্মিত এবং মন্দিরটির বয়স প্রায় ২৫০ বছর।
 
কীভাবে যাবেন : রাজশাহী-নাটোর মহাসড়কের পুঠিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে এক কিলোমিটার দক্ষিণে রিকশায় মাত্র পাঁচ মিনিটের পথ, ভাড়া মাত্র পাঁচ টাকা। রাজশাহী শহর থেকে সড়ক পথে দূরত্ব ৩৪ কিলোমিটার এবং নাটোর থেকে ১৮ কিলোমিটার। 
নিজস্ব গাড়িতে ভ্রমণে গেলে রাজশাহী শহরের প্রায় ত্রিশ কিলোমিটার আগে পড়বে জায়গাটি। এছাড়া রাজশাহীগামী যেকোনো বাসে গিয়েও পুঠিয়া নামা যায়। আবার রাজশাহী থেকে লোকাল বাসে পুঠিয়া আসতে সময় লাগে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা। রাজশাহী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে নাটোরগামী বাসে চড়ে পুঠিয়া নামা যায়। 

কোথায় থাকবেন : পুঠিয়াতে জেলা পরিষদের দু’টি ডাকবাংলো আছে যেখানে নির্ধারিত ভাড়া পরিশোধ করে থাকা যাবে। তবে আসার আগেই ডাকবাংলোতে কক্ষ বরাদ্দ নিতে হবে জেলা পরিষদ থেকে। 


জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের ফোন নম্বর ০৭২১-৭৭৬৩৪৮। এ ছাড়া পুঠিয়া বাসস্ট্যান্ডের পাশে একটি বেসরকারি আবাসিক হোটেল রয়েছে। 

Post A Comment: