মার্কিন প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপলের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের হুমকি দিয়েছে ফিনল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান নকিয়া। নকিয়া করপোরেশনের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) ক্রিস্টিয়ান পুলোলা সম্প্রতি এক সম্মেলনে বলেছেন, প্রয়োজন পড়লে পেটেন্ট নিয়ে অ্যাপলের সঙ্গে দীর্ঘ আইনি লড়াই শুরু করবে নকিয়া। গতকাল শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বরে জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপলের বিরুদ্ধে কয়েকটি অভিযোগ দায়ের করে নকিয়া। ওই অভিযোগে অ্যাপল পণ্যে একাধিক নকিয়ার পেটেন্ট ভঙ্গের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। ডিসপ্লে, ইউজার ইন্টারফেস, সফটওয়্যার, অ্যানটেনা, চিপসেট ও ভিডিও কোডিংয়ের নানা প্রযুক্তি নিয়ে ৩২টি পেটেন্ট ভঙ্গের অভিযোগ এনেছে ফিনল্যান্ডের প্রতিষ্ঠানটি। নকিয়ার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান হিসেবে তিনটি মূল্যবান মেধাস্বত্ব সম্পদের পোর্টফোলিও রয়েছে নকিয়ার। গত দুই দশকে গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে ১১৫ বিলিয়ন ইউরো খরচ করে নকিয়া হাজারো পেটেন্ট করিয়েছে। এর মধ্যে স্মার্টফোন, ট্যাব, পিসির মতো নানা যন্ত্রের পেটেন্ট রয়েছে। নকিয়া দাবি করেছে, ২০১১ সালে নকিয়ার কাছ থেকে কিছু পেটেন্ট অনুমোদনে সম্মত হয়েছিল অ্যাপল। কিন্তু অ্যাপলের অন্যান্য পণ্যে নকিয়া উদ্ভাবিত যেসব প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে তার জন্য নকিয়ার অফার গ্রহণ করেনি


  মার্কিন প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপলের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের হুমকি দিয়েছে ফিনল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান নকিয়া। নকিয়া করপোরেশনের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) ক্রিস্টিয়ান পুলোলা সম্প্রতি এক সম্মেলনে বলেছেন, প্রয়োজন পড়লে পেটেন্ট নিয়ে অ্যাপলের সঙ্গে দীর্ঘ আইনি লড়াই শুরু করবে নকিয়া। গতকাল শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত বছরের ডিসেম্বরে জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপলের বিরুদ্ধে কয়েকটি অভিযোগ দায়ের করে নকিয়া। ওই অভিযোগে অ্যাপল পণ্যে একাধিক নকিয়ার পেটেন্ট ভঙ্গের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। ডিসপ্লে, ইউজার ইন্টারফেস, সফটওয়্যার, অ্যানটেনা, চিপসেট ও ভিডিও কোডিংয়ের নানা প্রযুক্তি নিয়ে ৩২টি পেটেন্ট ভঙ্গের অভিযোগ এনেছে ফিনল্যান্ডের প্রতিষ্ঠানটি।


নকিয়ার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান হিসেবে তিনটি মূল্যবান মেধাস্বত্ব সম্পদের পোর্টফোলিও রয়েছে নকিয়ার। গত দুই দশকে গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে ১১৫ বিলিয়ন ইউরো খরচ করে নকিয়া হাজারো পেটেন্ট করিয়েছে। এর মধ্যে স্মার্টফোন, ট্যাব, পিসির মতো নানা যন্ত্রের পেটেন্ট রয়েছে।


নকিয়া দাবি করেছে, ২০১১ সালে নকিয়ার কাছ থেকে কিছু পেটেন্ট অনুমোদনে সম্মত হয়েছিল অ্যাপল। কিন্তু অ্যাপলের অন্যান্য পণ্যে নকিয়া উদ্ভাবিত যেসব প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে তার জন্য নকিয়ার অফার গ্রহণ করেনি


Post A Comment: