রাঙামাটি পার্বত্য জেলার বাঘাইছড়ি পৌরসভার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ (শনিবার)। মোট ৯টি কেন্দ্রে ৩৩ বুথে সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে টানা চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও একজন স্বতন্ত্রসহ মেয়র পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন তিনজন।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলার বাঘাইছড়ি পৌরসভার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ (শনিবার)। মোট ৯টি কেন্দ্রে ৩৩ বুথে সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে টানা চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও একজন স্বতন্ত্রসহ মেয়র পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন তিনজন। 




সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন। যে কোনো উপায়ে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে নির্বাচনকে সুষ্ঠু করতে নির্বাচন কমিশন থেকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এজন্য চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকবে বলে জানান, রাঙামাটি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটানিং অফিসার মো. নাজিম উদ্দিন।

গত ৮ জানুয়ারি রাঙামাটি পার্বত্য জেলার দ্বিতীয় পৌরসভা এই বাঘাইছড়ির নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করে ইসি। পৌরসভাটির এবার নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১০ হাজার ১৭৭। নির্বাচনে মেয়র পদে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের মো. জাফর আলী খান, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির ওমর আলী এবং মোবাইল ফোন প্রতীক নিয়ে আজিজুর রহমান আজিজ স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া ৯ ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৫ জন এবং ৩টি সংরক্ষিত মহিলা আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মেয়র পদে ত্রিমুখী লড়াইয়ের ধারণা দিয়েছেন ভোটার ও পর্যবেক্ষক মহল। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তিন জনই। তবে মূল ফ্যাক্টর পাহাড়ি ভোটাররা বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। পৌরসভায় পাহাড়ি ভোটারের সংখ্যা ১ হাজার ৬শ’ ৩২ জন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটানিং অফিসার মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, শুক্রবার ব্যালট বাক্স, ব্যালট পেপার, যাবতীয় নির্বাচনী সামগ্রী ও সরঞ্জামাদিসহ কেন্দ্রে কেন্দ্রে গিয়ে অবস্থান নিয়েছেন প্রিসাইডিং, পোলিং অফিসার, নির্বাচনী কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনীর সদস্যরা।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পর হতে বহিরাগতদের বাঘাইছড়ির নির্বাচনী এলাকা ছাড়তে অনুরোধ করা হয়েছে। নির্বাচনে কোথাও কোনো অনিয়ম বা বিশৃংখলা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আইনশৃংখলা বাহিনীকে বলা আছে। এজন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও র‌্যাব- এই চার স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে মোতায়েন করা নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা টহল জোরদার করেছেন।

তিনি জানান, নির্বাচনে একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৯টি বিজিবি মোবাইল টিম, প্রতি ভোট কেন্দ্রে ১০ জন করে পুলিশ, ৯টি পুলিশের মোবাইল টিম, ৩টি স্টাইকিং ফোর্স, আনসারসহ এক প্লাটুন র‌্যাবের মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক নিয়োজিত থাকবেন। ৯টি কেন্দ্রের সবকটিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

Post A Comment: