ফুচকা খেতে ভালোবাসেন? কিন্তু আপনি কি জানেন, আপনার প্রিয় তেঁতুল মিশ্রিত জলের স্বাদ বাড়ানোর জন্য তাতে মেশানো হচ্ছে টয়লেট ক্লিনার! সত্যিই কিন্তু। চেতন নানজি মারওয়ালি নামে এক ফুচকাওয়ালা স্বাদ বাড়াতে তেঁতুল জলে দিনের পর দিন মিশিয়ে আসছিলেন টয়লেট ক্লিনার!

ফুচকা খেতে ভালোবাসেন? কিন্তু আপনি কি জানেন, আপনার প্রিয় তেঁতুল মিশ্রিত জলের স্বাদ বাড়ানোর জন্য তাতে মেশানো হচ্ছে  টয়লেট ক্লিনার! সত্যিই কিন্তু। চেতন নানজি মারওয়ালি নামে এক ফুচকাওয়ালা স্বাদ বাড়াতে তেঁতুল জলে দিনের পর দিন মিশিয়ে আসছিলেন টয়লেট  ক্লিনার!

ফুচকার তেঁতুল জলে টয়লেট ক্লিনার

ঘটনাটি অবশ্য ভারতের গুজরাটের আমেদাবাদের। ২০০৯ সালে চেতনের নামে বিশেষ আদালতে অভিযোগ দায়ের করে আমেদাবাদ মিউনিসিপাল কর্পোরেশন (এএমসি)। শনিবার আদালতে চেতন দোষী প্রমাণ হওয়ায় তাকে ৬ মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আমেদাবাদের লাল-দরজা এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে এএমসি'র কাছে একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে চেতনের বিরুদ্ধে। বেশ কয়েকজন জানায় যে, চেতন কিছু একটা তেঁতুল জলে মেশাচ্ছেন।

স্থানীয়রা আরও জানায় যে, চেতন বেচে যাওয়া তেঁতুল জল রাস্তায় ফেলে যেতেন। কিন্তু লক্ষ করে দেখা গেছে যেখানে তেঁতুল ফেলা হত রাস্তার সেই জায়গাটি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। এরপরই তার উপর সন্দেহ জাগে স্থানীয়দের এবং তারা এএমসি'কে জানায়।
অভিযোগ পেয়ে এএমসি'র একটি দল তেঁতুল জল সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা করে। পরীক্ষায় জানা যায় যে। তেঁতুল জলে অক্সালিক অ্যাসিড মেশানো হয়েছে, যা টয়লেট ক্লিনার হিসেবে ব্যবহার করা হত। মামলা দায়ের করার সাত বছর পর আদালত চেতনের সাজা ঘোষণা করেছে। তবে চেতন দাবি করেছেন, কোনো তথ্যই তাকে দোষী প্রমাণ করতে পারেনি।

Post A Comment: