রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ থাকার অভিযোগ ওঠায় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে সদ্য দায়িত্ব পাওয়া মাইকেল ফ্লিন পদত্যাগ করেছেন। গণমাধ্যমকে ফ্লিনের পদত্যাগের বিষয়ে নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউস। ফ্লিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি দায়িত্ব পাওয়ার আগে থেকেই রুশ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে রাশিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি আলোচনার বিষয় নিয়ে কর্মকর্তাদের ভুলপথে পরিচালিত করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমে উঠে এসেছে যে দেশটির জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট হোয়াইট হাউসকে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করে দিয়েছিল। তারা সতর্ক করে দেয় ফ্লিন রাশিয়ার কাছে মার্কিন নিরাপত্তা নাজুক করে দিতে পারেন। সিনিয়র ডেমোক্র্যাট নেতারা তার পদত্যাগের জন্য জোর দাবি তোলেন। দায়িত্ব পাওয়ার আগেই মার্কিন কূটনীতি নিয়ে কাজ করা বেআইনি বলে স্বীকৃত। প্রশাসনে দায়িত্ব পাওয়ার আগেই গত বছর এই কাজটি করেন মাইকেল ফ্লিন। এ কারণে তীব্র সমালোচনার মুখোমুখি পড়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অবশেষে পদত্যাগ করে ট্রাম্প প্রশাসন ও নিজেকে রক্ষা করলেন মাইকেল ফ্লিন। তিনি তার পদত্যাগপত্রে লেখেন, ‘রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ফোনালাপ নিয়ে সদ্য নির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কয়েকজনের কাছে অসাবধানতাবশত অসম্পূর্ণ তথ্যগুলো বলে দিয়েছিলাম।’ অস্থায়ী হিসেবে মাইকেল ফ্লিনের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন লে. জে. জোসেফ কিথ কেল্লোগ। মাইকেল ফ্লিনও মার্কিন সেনাবাহিনী থেকে লে. জেনারেল পদ থেকে অবসরে গিয়েছিলেন। সূত্র: বিবিসি।


   রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ থাকার অভিযোগ ওঠায় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে সদ্য দায়িত্ব পাওয়া মাইকেল ফ্লিন পদত্যাগ করেছেন। গণমাধ্যমকে ফ্লিনের পদত্যাগের বিষয়ে নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউস। ফ্লিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি দায়িত্ব পাওয়ার আগে থেকেই রুশ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে রাশিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি আলোচনার বিষয় নিয়ে কর্মকর্তাদের ভুলপথে পরিচালিত করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।


এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমে উঠে এসেছে যে দেশটির জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট হোয়াইট হাউসকে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করে দিয়েছিল। তারা সতর্ক করে দেয় ফ্লিন রাশিয়ার কাছে মার্কিন নিরাপত্তা নাজুক করে দিতে পারেন। সিনিয়র ডেমোক্র্যাট নেতারা তার পদত্যাগের জন্য জোর দাবি তোলেন।


দায়িত্ব পাওয়ার আগেই মার্কিন কূটনীতি নিয়ে কাজ করা বেআইনি বলে স্বীকৃত। প্রশাসনে দায়িত্ব পাওয়ার আগেই গত বছর এই কাজটি করেন মাইকেল ফ্লিন। এ কারণে তীব্র সমালোচনার মুখোমুখি পড়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অবশেষে পদত্যাগ করে ট্রাম্প প্রশাসন ও নিজেকে রক্ষা করলেন মাইকেল ফ্লিন। তিনি তার পদত্যাগপত্রে লেখেন, ‘রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ফোনালাপ নিয়ে সদ্য নির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কয়েকজনের কাছে অসাবধানতাবশত অসম্পূর্ণ তথ্যগুলো বলে দিয়েছিলাম।’ 


অস্থায়ী হিসেবে মাইকেল ফ্লিনের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন লে. জে. জোসেফ কিথ কেল্লোগ। মাইকেল ফ্লিনও মার্কিন সেনাবাহিনী থেকে লে. জেনারেল পদ থেকে অবসরে গিয়েছিলেন। সূত্র: বিবিসি। 

Post A Comment: