নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন মেয়র গলিতে গতকাল রাতে এক বিউটিশিয়ানকে এসিড নিক্ষেপ করে পালানোর সময় এক যুবককে ধরে পুলিশ সোপর্দ করেছে জনতা। তার নাম মিন্টু নাথ (২৫)। তিনি কাপ্তাইয়ের বাঙ্গালহালিয়া চৌধুরী পাড়ার লালমোহন নাথের পুত্র। তিনি চান্দগাঁও পাঠানিয়া গোদা এলাকার অরনেট নামে একটি দর্জির দোকানে কাজ করেন।

নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন মেয়র গলিতে গতকাল রাতে এক বিউটিশিয়ানকে এসিড নিক্ষেপ করে পালানোর সময় এক যুবককে ধরে পুলিশ সোপর্দ করেছে জনতা। তার নাম মিন্টু নাথ (২৫)। তিনি কাপ্তাইয়ের বাঙ্গালহালিয়া চৌধুরী পাড়ার লালমোহন নাথের পুত্র। তিনি চান্দগাঁও পাঠানিয়া গোদা এলাকার অরনেট নামে একটি দর্জির দোকানে কাজ করেন।


অপরদিকে এসিডদগ্ধ মহিলার নাম নাম মাধবী বড়–য়া (২১)। তিনি বায়েজিদ থানাধীন চন্দ্রনগর মেনাল ভবনের বাসিন্দা অভি বড়–য়ার স্ত্রী। তিনি একটি বিউটি পার্লার চালান। গতকাল তারা স্বামী-স্ত্রী মিলে মেয়র গলিতে বাসা দেখতে যাওয়ার সময় এক দুর্বৃত্ত তাকে এসিড নিক্ষেপ করে। এসময় স্থানীয় জনতা এসিড নিক্ষেপকারী মিন্টুকে ধরে উত্তম-মধ্যম দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে এবং আহত মাধবীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠায়।

নগর যুবলীগ নেতা বেলায়েত হোসেন চৌধুরী রোবায়েত জানান, সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে তারা কয়েকজন মেয়র গলিস্থ সিটি কর্পোরেশন আর্বান স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পাশে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন। এসময় মিন্টু নামের যুবকটি চশমা খালের ব্রিজের উপর একজন উপজাতীয় মহিলাকে এসিড নিক্ষেপ করে পালিয়ে যাচ্ছিল। বিষয়টি আমাদের নজরে এলে আমরা দৌঁড়ে গিয়ে তাকে ধরে ফেলি। এ সময় আমার সাথে ছিল স্থানীয় বাসিন্দা আলী আকবর, মো. হাসান খানসহ কয়েকজন। তারা মিন্টুকে ধরে পাঁচলাইশ থানা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। তিনি বলেন, এসিডের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে, ওই মহিলার গায়ে ছুঁড়ে মারার সময় যেটুকু সড়কের পিচের উপর পড়েছে সেখান থেকে ধোঁয়া উঠেছে।

স্থানীয়রা জানান, ধৃত মিন্টু নাথ জনতার হাতে ধরা পড়ার পর সে স্বীকার করে যে, কোনো এক ব্যক্তি এসিড নিক্ষেপের কাজে তাকে ব্যবহার করেছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য পূর্বকোণকে বলেন, মাধবী বড়–য়ার চোখের অংশসহ মুখের ডানপাশ এবং ডান হাত ঝলসে গেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার শরীরের পাঁচ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাকে হাসপাতালের বার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

Post A Comment: