পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারি নিয়ে তদন্ত চলছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। আর এই তদন্তের পথ ধরে ইংল্যান্ডে গ্রেফতার হলেন পাকিস্তান জাতীয় দলের সাবেক ওপেনার নাসির জামসেদ। যুক্তরাজ্যের দ্য ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) এক বিবৃতিতে মঙ্গলবার রাতে এই তথ্য জানিয়েছে। এদিনই পিএসএল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, স্পট ফিক্সিং এর দায়ে নাসির জামসেদকে টুর্নামেন্টটিতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এনসিএ জানিয়েছে, তারা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখেছে। সেই অনুসারে কাজ করে যাচ্ছে। জামসেদের সাথে আরো এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার কথা জানায় তারা। এনসিএ জানিয়েছে, ‘ঘুষ কেলেঙ্কারিতে এই দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। এটা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের স্পট ফিক্সিং সংক্রান্ত তদন্তের ঘটনায় হয়েছে। ১৩ ফেব্রুয়ারি তাদের গ্রেফতার করা হয়। অবশ্য ২০১৭ এর এপ্রিল পর্যন্ত তারা জামিনে মুক্ত থাকবে।’ তদন্তের পরের ধাপে তারা এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানায়। গত বৃহস্পতিবার দুবাইয়ে পিএসএলের দ্বিতীয় আসর শুরু হয়েছে। কিন্তু তার একদিন পরই স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের দুই খেলোয়াড়কে নিষিদ্ধ করা হয়। দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তানের জাতীয় দলের খেলোয়াড় শারজিল খান ও খালিদ লতিফকে। তদন্তের অংশ হিসেবে পিএসএলে তদন্ত দল পেসার মোহম্মদ ইরফান, স্পিনার জুলফিকার বাবর ও ব্যাটসম্যান শাহজাইব খানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সন্দেহের তালিকায় থাকলেও তাদের খেলার অনুমতি আছে পিএসএলে।

  পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারি নিয়ে তদন্ত চলছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। আর এই তদন্তের পথ ধরে ইংল্যান্ডে গ্রেফতার হলেন পাকিস্তান জাতীয় দলের সাবেক ওপেনার নাসির জামসেদ। যুক্তরাজ্যের দ্য ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) এক বিবৃতিতে মঙ্গলবার রাতে এই তথ্য জানিয়েছে। এদিনই পিএসএল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, স্পট ফিক্সিং এর দায়ে নাসির জামসেদকে টুর্নামেন্টটিতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।


এনসিএ জানিয়েছে, তারা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখেছে। সেই অনুসারে কাজ করে যাচ্ছে। জামসেদের সাথে আরো এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার কথা জানায় তারা। এনসিএ জানিয়েছে, ‘ঘুষ কেলেঙ্কারিতে এই দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। এটা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের স্পট ফিক্সিং সংক্রান্ত তদন্তের ঘটনায় হয়েছে। ১৩ ফেব্রুয়ারি তাদের গ্রেফতার করা হয়। অবশ্য ২০১৭ এর এপ্রিল পর্যন্ত তারা জামিনে মুক্ত থাকবে।’ তদন্তের পরের ধাপে তারা এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানায়। 

গত বৃহস্পতিবার দুবাইয়ে পিএসএলের দ্বিতীয় আসর শুরু হয়েছে। কিন্তু তার একদিন পরই স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের দুই খেলোয়াড়কে নিষিদ্ধ করা হয়। দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তানের জাতীয় দলের খেলোয়াড় শারজিল খান ও খালিদ লতিফকে। তদন্তের অংশ হিসেবে পিএসএলে তদন্ত দল পেসার মোহম্মদ ইরফান, স্পিনার জুলফিকার বাবর ও ব্যাটসম্যান শাহজাইব খানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সন্দেহের তালিকায় থাকলেও তাদের খেলার অনুমতি আছে পিএসএলে। 


Post A Comment: