সামাজিক মাধ্যমে অপ্রত্যাশিত ভিডিওকাণ্ডে নিজের বাহিনী, সেনাবাহিনীসহ পুরো দেশকে নাড়িয়ে-চাড়িয়ে দিয়ে এবার অনশনে বসেছেন বিএসএফ জওয়ান তেজ বাহাদুর। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফকে পচা-বাসী খাবার খেতে দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ এবং তাদের সঙ্গে অফিসারদের দুর্ব্যবহার ও অনাচারের বয়ান দিয়ে ভিডিও আপলোড করেছিলেন তেজ বাহাদুর যাদব। বিএসএফ জওয়ানের ওই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ছিছি পড়ে যায় সর্বত্র বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে মজবুর হয়ে পড়েন সেনা প্রধান। তিনি অনুরোধ করেন এ ধরনের অভিযোগ প্রকাশ্যে না জানাতে। এ ঘটনায় দিল্লি হাইকোর্ট সৈনিকদের খাবারের মান নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নোটিশ দেয়। আর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং গঠন করেন তদন্ত কমিটি। বিএসএফ গঠন করে কোর্ট অব ইনকোয়ারি। এর সমান্তরালে তেজ বাহাদুরের স্বেচ্ছা অবসরের আবেদন নিয়ে শুরু হয় নয়া নাটক। ঘটনার তদন্ত চলাকালে স্বেচ্ছা অবসরের আবেদন বিবেচনা অসম্ভব বলে জানায় বিএসএফ। অপরদিকে, বিএসএফ সদস্যদের সমস্যা দূর করতে কিছু কার্যকর ব্যবস্থা নেয় কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে চলতে থাকে তদন্ত। সংশ্লিষ্টদের এই তদন্তই যেন জীবনের শান্তি ছিনিয়ে নিয়েছে এখন তেজ বাহাদুরের। এরমধ্যে সংবাদ মাধ্যম জানায়, ওই ভিডিওটি মুছে ফেলতে চাপ দেওয়া হলেও তা মানেননি তেজপাল। শেষপর্যন্ত তাকে বিএসএফ সদর দফতরে নেওয়া হয় তদন্ত সূত্রে। সেখানে তেজপাল খাবার গ্রহণ বন্ধ করে এখন অনশন শুরু করেছেন। তার স্ত্রী দাবি করেন- স্বেচ্ছা অবসরে বাধা দিয়ে বিএসএফ তেজপালের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। কারণ, তার অবসরের আবেদন ভিডিওকাণ্ডের আগের। তবে বিএসএফ তেজপালের অভিযোগকে বানোয়াট দাবি করেছে। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে বিএসএফের অপর সদস্য যজ্ঞপ্রতাপ সিং অনশন করেন। যজ্ঞ সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছিলেন অফিসাররা সৈনিকদের দিয়ে জুতা পলিশ, কাপড় ধোয়ানো, নিজেদের পোষা কুকুর চড়ানোসহ অন্যান্য নিগ্রহমূলক কাজ করান। তার ঘটনায়ও বেশ তোলপাড় হয়।

  সামাজিক মাধ্যমে অপ্রত্যাশিত ভিডিওকাণ্ডে নিজের বাহিনী, সেনাবাহিনীসহ পুরো দেশকে  নাড়িয়ে-চাড়িয়ে দিয়ে এবার অনশনে বসেছেন বিএসএফ জওয়ান তেজ বাহাদুর।

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফকে পচা-বাসী খাবার খেতে দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ এবং তাদের সঙ্গে অফিসারদের দুর্ব্যবহার ও অনাচারের বয়ান দিয়ে ভিডিও আপলোড করেছিলেন তেজ বাহাদুর যাদব। বিএসএফ জওয়ানের ওই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ছিছি পড়ে যায় সর্বত্র

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে মজবুর হয়ে পড়েন সেনা প্রধান। তিনি অনুরোধ করেন এ ধরনের অভিযোগ প্রকাশ্যে না জানাতে।

এ ঘটনায় দিল্লি হাইকোর্ট সৈনিকদের খাবারের মান নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নোটিশ দেয়। আর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং গঠন করেন তদন্ত কমিটি। বিএসএফ গঠন করে কোর্ট অব ইনকোয়ারি।

এর সমান্তরালে তেজ বাহাদুরের স্বেচ্ছা অবসরের আবেদন নিয়ে শুরু হয় নয়া নাটক। ঘটনার তদন্ত চলাকালে স্বেচ্ছা অবসরের আবেদন বিবেচনা অসম্ভব বলে জানায় বিএসএফ।


অপরদিকে, বিএসএফ সদস্যদের সমস্যা দূর করতে কিছু কার্যকর ব্যবস্থা নেয় কর্তৃপক্ষ।   একই সঙ্গে চলতে থাকে তদন্ত। সংশ্লিষ্টদের এই তদন্তই যেন জীবনের শান্তি ছিনিয়ে নিয়েছে এখন তেজ বাহাদুরের।  
এরমধ্যে সংবাদ মাধ্যম জানায়, ওই ভিডিওটি মুছে ফেলতে চাপ দেওয়া হলেও তা মানেননি তেজপাল।


শেষপর্যন্ত তাকে বিএসএফ সদর দফতরে নেওয়া হয় তদন্ত সূত্রে। সেখানে তেজপাল খাবার গ্রহণ বন্ধ করে এখন অনশন শুরু করেছেন। তার স্ত্রী দাবি করেন- স্বেচ্ছা অবসরে বাধা দিয়ে বিএসএফ তেজপালের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।   কারণ, তার অবসরের আবেদন ভিডিওকাণ্ডের আগের।
তবে বিএসএফ তেজপালের অভিযোগকে বানোয়াট দাবি করেছে।  


প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে বিএসএফের অপর সদস্য যজ্ঞপ্রতাপ সিং অনশন করেন।   যজ্ঞ সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছিলেন অফিসাররা সৈনিকদের দিয়ে জুতা পলিশ, কাপড় ধোয়ানো, নিজেদের পোষা কুকুর চড়ানোসহ অন্যান্য নিগ্রহমূলক কাজ করান। তার ঘটনায়ও বেশ তোলপাড় হয়।

Post A Comment: