২০২১ সাল নাগাদ চামড়া খাতে ৫ বিলিয়ন বা ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার রফতানি আয় হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। গত অর্থবছরে চামড়া খাতে রফতানি আয় হয়েছে ১১৬ কোটি ডলার। এ খাতে পণ্য বৈচিত্র্য ও রফতানি আয় বাড়াতে জানুয়ারিতে 'বর্ষপণ্য চামড়া' (লেদার প্রডাক্ট অব দ্য ইয়ার) ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
Leather-exports-will-reach-US-$-5-billion 


২০২১ সাল নাগাদ চামড়া খাতে ৫ বিলিয়ন বা ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার রফতানি আয় হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। গত অর্থবছরে চামড়া খাতে রফতানি আয় হয়েছে ১১৬ কোটি ডলার। এ খাতে পণ্য বৈচিত্র্য ও রফতানি আয় বাড়াতে জানুয়ারিতে 'বর্ষপণ্য চামড়া' (লেদার প্রডাক্ট অব দ্য ইয়ার) ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


গতকাল রোববার রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে চামড়া ও পাদুকাসহ চামড়াজাত পণ্যকে ২০১৭ সালের 'বর্ষপণ্য' ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তোফায়েল আহমেদ বলেন, হাজারীবাগ থেকে সাভারের চামড়া শিল্পনগরীতে অনেক ট্যানারি স্থানান্তর হলেও এখনও সবাই যায়নি। চলতি বছরের জুনের মধ্যে যারা স্থানান্তর করতে পারবে না, তারা সমস্যায় পড়বে। হাজারীবাগে সবকিছু বন্ধ করে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, চামড়া শিল্পনগরীতে কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারের (সিইটিপি) স্থাপনের ব্যয় সরকার বহন করবে। ট্যানারি স্থানান্তরে মালিকদের অনেক অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। এর মধ্যে সিইটিপি স্থাপন ব্যয় করতে হলে তারা অনেক সমস্যায় পড়বেন। তিনি এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ জানাবেন, যাতে সিইটিপি স্থাপনে সব খরচ সরকার বহন করে। মন্ত্রী বলেন, মালিকরা দ্রুত জমির মূল্য পরিশোধ করে শিল্প প্লট বুঝে নেবেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী রফতানি আয় বৃদ্ধির জন্য পণ্য বহুমুখীকরণ ও বাজার সম্প্রসারণে চামড়া খাতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চামড়া শিল্পে নীতি সহায়তা দেবে সরকার। দ্রুত ট্যানারি স্থানান্তরের পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন করা হবে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মিকাইল শিপার বলেন, নিরাপত্তার স্বার্থে পোশাক খাতের প্রতিটি রফতানিতে শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ হারে অর্থ কেটে রাখা হচ্ছে। চামড়া খাতেও একই প্রক্রিয়ায় অর্থ কাটা হবে।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. শাহিন আহমেদ বলেন, বর্তমানে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির মাধ্যমে চামড়ার প্রক্রিয়া করা হচ্ছে। শিগগিরই বেশ কিছু ট্যানারি এ কাজে আন্তর্জাতিক সনদ পাবে। এ ছাড়া মানসম্মত চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্রযুক্তি উন্নয়নে কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদানে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

Post A Comment: