তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষতার যুগে দৈনন্দিন জীবনের অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে মোবাইল ফোন। উচ্চবিত্ত তো বটেই, মধ্যবিত্তের হাত ঘুরে নিম্নবিত্তের কাছেও এখন যোগাযোগের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার মোবাইল ফোন। তবে গত দুই দশকে মোবাইল ফোনেও পরিবর্তন ঘটেছে। সাদাকালো মনিটরের টু জি সেট পেড়িয়ে এখন রঙিন থ্রি জি সুবিধা সম্বলিত স্মার্ট ফোনের যুগ চলছে। বিজ্ঞানীদের চেষ্টা চলছে এই প্রযুক্তিকে আরও আধুনিক করার। তবে নতুনত্বের মাঝেও যে সমস্ত ফোন অতীতে আমরা ব্যবহার করেছি তা এখনও স্থান করে আছে সুনামের তালিকায়। তেমনই কিছু মোবাইল ফোনের পরিচয় জেনে নিন। ১. স্যামসাং’এর স্মার্ট ফোন বিক্রির তালিকায় এখনও সবার উপরে স্থান করে আছে গ্যালাক্সি এস থ্রি। ২০১২ সালে বাজারে আসা স্মার্ট ফোনটি এখন সেকেলে হলেও গ্রাহকেরা সেটিকেই তখন সবচেয়ে আধুনিক হিসেবে বেঁছে নিয়েছিলেন। এন্ড্রয়েড ৪.০৪ আইসক্রিম স্যান্ডুইচ অপারেটিং সিস্টেমের সেটটি সেবার কিনেছিলেন অন্তত ৬ কোটি মানুষ। ২. সেরা মোবাইল ফোনের তালিকায় সবচেয়ে পুরনো সেট বলা যেতে পারে মটোরোলা স্টারটেক’কে। সেই ১৯৯৬ সালে বাজারে আসা ফোনটিকে যারা ব্যবহার করেছেন, তারা এখনও ফোল্ডিং সেটটিকে ভুলতে পারেননি। সেবার নতুন প্রযুক্তির সেটটি কিনেছিলেন প্রায় ৬ কোটি মানুষ। ৩. সেরা মোবাইল ফোনের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে অ্যাপলের আইফোন ৪এস (IPhone 4s).. নতুন প্রযুক্তির মোবাইল ফোন সেটটি বাজারে আসার সঙ্গে সঙ্গে তা লুফে নেন প্রায় ৬ কোটি মানুষ। ৪. টু জি সেটের যুগে নোকিয়াকে ব্যবহার করেননি এমন মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী বোধহয় কমই আছেন। এই প্রতিষ্ঠানেরই সেট ছিল নোকিয়া ৫১৩০.. ২০০৭ সালে বাজারে আসার পর বিশ্বব্যাপী বিক্রি হয় দেড়কোটি সেট। শুধু তাই নয়, সেটে সংযোজিত মিউজিক প্লেয়ার এবং ২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা প্রযুক্তিকে অনুসরণ করে বাজারে আসে এমনই প্রায় সাড়ে ৬ কোটি সেট। ৫. তালিকায় স্থান করে নেয়া অ্যাপলের আইফোন ৫ বাজারে আসে ২০১২ সালে। বড় আকারের (৪ ইঞ্চি) ডিসপ্লের পাশাপাশি সেটটিতে এমন সব ফিচার ছিল যা আলোড়ন ফেলে দেয় ব্যবহারকারীদের মধ্যে। অ্যাপল মাত্র ১ বছর সেটটিকে উৎপাদন করলেও বিক্রি হয়ে যায় প্রায় ৭ কোটি সেট। ৬. মোবাইল ফোনসেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে একসময় ব্যাপক জনপ্রিয় ছিল নোকিয়া ৬০১০ মডেলটি। ২০০৪ সালে বাজারে আসার পর বিক্রি হয় প্রায় সাড়ে ৭ কোটি সেট। ৭. ২০১৩ সালে বাজারে আসে স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস ৪ (Galaxy S4).. বাজারে আসার পর দ্রুতই সর্বোচ্চ বিক্রির তালিকায় স্থান করে নেয় মডেলটি। পরবর্তী বছরে গ্যালাক্সি এস ৫ (Galaxy S5) মডেলের সেট বাজারে আসার আগে প্রায় ৮ কোটি সেট বিক্রি করে স্যামসাং। ৮. ২০১৪ সালে বাজারে আসে অ্যাপলের আইফোন ৬ ও আইফোন ৬ প্লাস (IPhone iPhone & 6 Plus)মডেলটি। বড় ডিসপ্লের হ্যান্ডসেটটি বাজারে আসার পরই বিক্রির সংখ্যাটি গিয়ে দাঁড়ায় প্রায় ১০ কোটিতে। ৯. নোকিয়ার মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের মধ্যে সাড়া ফেলে দেয় ১২০৮ মডেলটি। প্রতিষ্ঠানটি ২জি সেটটিতে যোগ করে অতিপ্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ‘চর্ট লাইট’। আর তাই ২০০৭ সালে বাজারে আসার পর এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১০ কোটিতে। ১০. নোকিয়া’র ৩৩১০ মডেলটিকে ব্যবহার করেননি এমন মানুষ বোধহয় কমই আছে। ২০০০ সালে বাজারে আসা সেটটি গেমের কারণে বেশ জনপ্রিয়তা পায়। পুরো বিশ্বে সেটটি বিক্রিই হয় প্রায় ১৩ কোটি। ১১. ২০০৪ সালে মোবাইল ফোনের বাজারে আলোড়ন ফেলে দেয় মটোরোলা’র রেজর ভি৩ (Motorola RAZR V3) সেট। একাধারে চিকন ও পাতলা কিন্তু লোহার মতোই মজবুত সেটটি কেনেন প্রায় ১৩ কোটি মানুষ। ১২. খুব সাধারণ মানের ফোন ছিল নোকিয়া’র ১৬০০ মডেলের সেটটি। তবে ২০০৬ সালে এটি বাজারে আসার পর তা লুফে নেন অন্তত ১৩ কোটি মানুষ। বিশেষ করে এশিয়া অঞ্চলে সেটটি বিক্রি হয় সবচেয়ে বেশি। ১৩. জনপ্রিয়তার শিখরে ছিল নোকিয়ার ২৬০০ মডেলের সেটটিও। ক্যামেরা তো ছিলই, অন্যকে তা শেয়ার করতে সংযোজন করা হয় ব্লু-টুথ সুবিধাও। আর তাই ২০০৪ সালে বাজারে আসার পর বিক্রি হয়ে যায় সাড়ে ১৩ কোটিরও বেশি সেট। ১৪. স্মার্ট ফোনসেট উৎপাদনের আগে স্যামসাংয়ের ই১১০০ মডেলটি বাজার দখলে সক্ষম হয়েছিল। খুব সাধারণ মানের সেট হলেও এটির ব্যাটারি’র ক্ষমতা ছিল দারুণ। বলা হয়, একবার চার্জ দিলে প্রায় ১৩ দিন ধরে ব্যবহার করা যেত সেটটি। ২০০৯ সালে বাজারে আসার পর বিক্রি হয়ে যায় প্রায় ১৫ কোটি সেট। ১৫. ২০০৩ সালে নোকিয়া’র ৬৬০০ মডেলের সেটটি ছিল অনেকের কাছেই স্বপ্নের মতো। উচ্চমূল্যের সেটটিতে কিছুটা ছাড় দেয়ার পর মুহুর্তেই বিক্রির সংখ্যা দাঁড়ায় ১৫ কোটিতে। ১৬. ২০০৯ সালে বাজারে আসে সাম্বিয়ান অপারেটিং সিস্টেমে চালিত নোকিয়া’র ৫২৩০ মোবাইল ফোন সেটটি। ছবি ও ভিডিও শেয়ারের জন্য সেটটিতে ওয়াইফাই সুবিধা থাকায় সেটটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। বিক্রি হয় প্রায় ১৫ কোটি সেট। ১৭. কমমূল্য, দীর্ঘমেয়াদী ব্যাটারী এবং সবুজাভ ব্যাকলাইট সুবিধা থাকা নোকিয়ার ১২০০ মডেলের ফোনসেটটিও ব্যপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। ২০০৭ সালে এটি বাজারে আসার পর বিক্রি হয়ে যায় ১৫ কোটিরও বেশি সেট। ১৮. সর্বোচ্চ বিক্রির তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে নোকিয়ার ৩২১০ মডেলের সেটটি। ১৯৯৯ সালে সেটটি বাজারের আসার পর থেকে বিক্রি হয় ১৫ কোটিরও বেশি সেট। যারা দীর্ঘদিন মোবাইল ফোন সেট ব্যবহার করে থাকেন, তাদের স্মৃতিতে অবশ্যই রয়েছে এই সেটটি। ১৯. এযাবৎকালে মোবাইল সেট জনপ্রিয়তার তালিকায় শিখরে রয়েছে নোকিয়ার ৩৩১০ মডেলটি। প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত অপর মডেল ১১০০ এটি তেমন জনপ্রিয়তা না পেলেও বিক্রির দিক থেকে অনেক এগিয়ে। ২০০৩ সালে বাজারে আসার পর বিক্রি হয়ে যায় ১৫ কোটিরও বেশি সেট। ২০. নোকিয়ার ১১১০ সেটটি বাজারে আসে ২০০৫ সালে। ব্যবহারকারীদের কাছে সেটটি প্রচণ্ড জনপ্রিয়তা পায়। হালকা কিন্তু মজবুত এই সেটটি কেনেন ২৫ কোটিরও বেশি ব্যবহারকারী।

  তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষতার যুগে দৈনন্দিন জীবনের অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে মোবাইল ফোন। উচ্চবিত্ত তো বটেই, মধ্যবিত্তের হাত ঘুরে নিম্নবিত্তের কাছেও এখন যোগাযোগের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার মোবাইল ফোন। তবে গত দুই দশকে মোবাইল ফোনেও পরিবর্তন ঘটেছে। সাদাকালো মনিটরের টু জি সেট পেড়িয়ে এখন রঙিন থ্রি জি সুবিধা সম্বলিত স্মার্ট ফোনের যুগ চলছে। বিজ্ঞানীদের চেষ্টা চলছে এই প্রযুক্তিকে আরও আধুনিক করার।


তবে নতুনত্বের মাঝেও যে সমস্ত ফোন অতীতে আমরা ব্যবহার করেছি তা এখনও স্থান করে আছে সুনামের তালিকায়। তেমনই কিছু মোবাইল ফোনের পরিচয় জেনে নিন।


১. স্যামসাং’এর স্মার্ট ফোন বিক্রির তালিকায় এখনও সবার উপরে স্থান করে আছে গ্যালাক্সি এস থ্রি। ২০১২ সালে বাজারে আসা স্মার্ট ফোনটি এখন সেকেলে হলেও গ্রাহকেরা সেটিকেই তখন সবচেয়ে আধুনিক হিসেবে বেঁছে নিয়েছিলেন। এন্ড্রয়েড ৪.০৪ আইসক্রিম স্যান্ডুইচ অপারেটিং সিস্টেমের সেটটি সেবার কিনেছিলেন অন্তত ৬ কোটি মানুষ।


২. সেরা মোবাইল ফোনের তালিকায় সবচেয়ে পুরনো সেট বলা যেতে পারে মটোরোলা স্টারটেক’কে। সেই ১৯৯৬ সালে বাজারে আসা ফোনটিকে যারা ব্যবহার করেছেন, তারা এখনও ফোল্ডিং সেটটিকে ভুলতে পারেননি। সেবার নতুন প্রযুক্তির সেটটি কিনেছিলেন প্রায় ৬ কোটি মানুষ।


৩. সেরা মোবাইল ফোনের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে অ্যাপলের আইফোন ৪এস (IPhone 4s).. নতুন প্রযুক্তির মোবাইল ফোন সেটটি বাজারে আসার সঙ্গে সঙ্গে তা লুফে নেন প্রায় ৬ কোটি মানুষ।


৪. টু জি সেটের যুগে নোকিয়াকে ব্যবহার করেননি এমন মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী বোধহয় কমই আছেন। এই প্রতিষ্ঠানেরই সেট ছিল নোকিয়া ৫১৩০.. ২০০৭ সালে বাজারে আসার পর বিশ্বব্যাপী বিক্রি হয় দেড়কোটি সেট। শুধু তাই নয়, সেটে সংযোজিত মিউজিক প্লেয়ার এবং ২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা প্রযুক্তিকে অনুসরণ করে বাজারে আসে এমনই প্রায় সাড়ে ৬ কোটি সেট।


৫. তালিকায় স্থান করে নেয়া অ্যাপলের আইফোন ৫ বাজারে আসে ২০১২ সালে। বড় আকারের (৪ ইঞ্চি) ডিসপ্লের পাশাপাশি সেটটিতে এমন সব ফিচার ছিল যা আলোড়ন ফেলে দেয় ব্যবহারকারীদের মধ্যে। অ্যাপল মাত্র ১ বছর সেটটিকে উৎপাদন করলেও বিক্রি হয়ে যায় প্রায় ৭ কোটি সেট।


৬. মোবাইল ফোনসেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে একসময় ব্যাপক জনপ্রিয় ছিল নোকিয়া ৬০১০ মডেলটি। ২০০৪ সালে বাজারে আসার পর বিক্রি হয় প্রায় সাড়ে ৭ কোটি সেট।


৭. ২০১৩ সালে বাজারে আসে স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস ৪ (Galaxy S4).. বাজারে আসার পর দ্রুতই সর্বোচ্চ বিক্রির তালিকায় স্থান করে নেয় মডেলটি। পরবর্তী বছরে গ্যালাক্সি এস ৫ (Galaxy S5) মডেলের সেট বাজারে আসার আগে প্রায় ৮ কোটি সেট বিক্রি করে স্যামসাং।


৮. ২০১৪ সালে বাজারে আসে অ্যাপলের আইফোন ৬ ও আইফোন ৬ প্লাস (IPhone iPhone & 6 Plus)মডেলটি। বড় ডিসপ্লের হ্যান্ডসেটটি বাজারে আসার পরই বিক্রির সংখ্যাটি গিয়ে দাঁড়ায় প্রায় ১০ কোটিতে।


৯. নোকিয়ার মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের মধ্যে সাড়া ফেলে দেয় ১২০৮ মডেলটি। প্রতিষ্ঠানটি ২জি সেটটিতে যোগ করে অতিপ্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ‘চর্ট লাইট’। আর তাই ২০০৭ সালে বাজারে আসার পর এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১০ কোটিতে।


১০. নোকিয়া’র ৩৩১০ মডেলটিকে ব্যবহার করেননি এমন মানুষ বোধহয় কমই আছে। ২০০০ সালে বাজারে আসা সেটটি গেমের কারণে বেশ জনপ্রিয়তা পায়। পুরো বিশ্বে সেটটি বিক্রিই হয় প্রায় ১৩ কোটি।


১১. ২০০৪ সালে মোবাইল ফোনের বাজারে আলোড়ন ফেলে দেয় মটোরোলা’র রেজর ভি৩ (Motorola RAZR V3) সেট। একাধারে চিকন ও পাতলা কিন্তু লোহার মতোই মজবুত সেটটি কেনেন প্রায় ১৩ কোটি মানুষ।


১২. খুব সাধারণ মানের ফোন ছিল নোকিয়া’র ১৬০০ মডেলের সেটটি। তবে ২০০৬ সালে এটি বাজারে আসার পর তা লুফে নেন অন্তত ১৩ কোটি মানুষ। বিশেষ করে এশিয়া অঞ্চলে সেটটি বিক্রি হয় সবচেয়ে বেশি।


১৩. জনপ্রিয়তার শিখরে ছিল নোকিয়ার ২৬০০ মডেলের সেটটিও। ক্যামেরা তো ছিলই, অন্যকে তা শেয়ার করতে সংযোজন করা হয় ব্লু-টুথ সুবিধাও। আর তাই ২০০৪ সালে বাজারে আসার পর বিক্রি হয়ে যায় সাড়ে ১৩ কোটিরও বেশি সেট।


১৪. স্মার্ট ফোনসেট উৎপাদনের আগে স্যামসাংয়ের ই১১০০ মডেলটি বাজার দখলে সক্ষম হয়েছিল। খুব সাধারণ মানের সেট হলেও এটির ব্যাটারি’র ক্ষমতা ছিল দারুণ। বলা হয়, একবার চার্জ দিলে প্রায় ১৩ দিন ধরে ব্যবহার করা যেত সেটটি। ২০০৯ সালে বাজারে আসার পর বিক্রি হয়ে যায় প্রায় ১৫ কোটি সেট।


১৫. ২০০৩ সালে নোকিয়া’র ৬৬০০ মডেলের সেটটি ছিল অনেকের কাছেই স্বপ্নের মতো। উচ্চমূল্যের সেটটিতে কিছুটা ছাড় দেয়ার পর মুহুর্তেই বিক্রির সংখ্যা দাঁড়ায় ১৫ কোটিতে।


১৬. ২০০৯ সালে বাজারে আসে সাম্বিয়ান অপারেটিং সিস্টেমে চালিত নোকিয়া’র ৫২৩০ মোবাইল ফোন সেটটি। ছবি ও ভিডিও শেয়ারের জন্য সেটটিতে ওয়াইফাই সুবিধা থাকায় সেটটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। বিক্রি হয় প্রায় ১৫ কোটি সেট।


১৭. কমমূল্য, দীর্ঘমেয়াদী ব্যাটারী এবং সবুজাভ ব্যাকলাইট সুবিধা থাকা নোকিয়ার ১২০০ মডেলের ফোনসেটটিও ব্যপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। ২০০৭ সালে এটি বাজারে আসার পর বিক্রি হয়ে যায় ১৫ কোটিরও বেশি সেট।


১৮. সর্বোচ্চ বিক্রির তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে নোকিয়ার ৩২১০ মডেলের সেটটি। ১৯৯৯ সালে সেটটি বাজারের আসার পর থেকে বিক্রি হয় ১৫ কোটিরও বেশি সেট। যারা দীর্ঘদিন মোবাইল ফোন সেট ব্যবহার করে থাকেন, তাদের স্মৃতিতে অবশ্যই রয়েছে এই সেটটি।


১৯. এযাবৎকালে মোবাইল সেট জনপ্রিয়তার তালিকায় শিখরে রয়েছে নোকিয়ার ৩৩১০ মডেলটি। প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত অপর মডেল ১১০০ এটি তেমন জনপ্রিয়তা না পেলেও বিক্রির দিক থেকে অনেক এগিয়ে। ২০০৩ সালে বাজারে আসার পর বিক্রি হয়ে যায় ১৫ কোটিরও বেশি সেট।


২০. নোকিয়ার ১১১০ সেটটি বাজারে আসে ২০০৫ সালে। ব্যবহারকারীদের কাছে সেটটি প্রচণ্ড জনপ্রিয়তা পায়। হালকা কিন্তু মজবুত এই সেটটি কেনেন ২৫ কোটিরও বেশি ব্যবহারকারী।

Post A Comment: