গ্রাম তো অনেক রকমেরই হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের গ্রামের কথা বললেই মনে ভাসে সবুজ গাছ-গাছালিতে ভরা, নদীর পাড়ে অবস্থিত ছোট্ট কোন মায়াবী স্থানের কথা। কিন্তু এবার আপনাকে যে গ্রামটির সাথে পরিচয় করিয়ে দেব সেটা মোটেও আমাদের পরিচিত আর দশটা গ্রামের মতন নয়। সবুজ গাছ-গাছালি নয়, এই গ্রামে গেলে আপনি খুঁজে পাবেন বালুর আস্তরণ। সেই আস্তরণ এতটাই বেশি যে, গ্রামের বাড়ি ঘর, এমনকি মানুষগুলোকে পর্যন্ত কখনো কখনো আপনি হারিয়ে ফেলবেন সেই সাদা বালুর ভিড়ে। বলছিলাম হোয়াইট সী’র পাশে অবস্থিত গ্রাম শোয়নার কথা। ১৯৩০ সালে নির্মাণ করা হয় শোয়নাকে। প্রায় ১৫০০ জন মানুষ বাস করত তখন এখানে। তবে সেসময় এতটা বেশি বালু দিয়ে ভর্তি ছিল না গ্রামটি। তখন এখানেও আর সব গ্রামের মতন সবুজে ভরা গাছ ছিল, নয়নাভিরাম দৃশ্য ছিল। কিন্তু ১৯৫০ সালে সব কিছু বদলাতে শুরু করে। পাশের হোয়াইট সী'র তীর থেকে উড়ে আসা সাদা বালু ধীরে ধীরে মুড়ে দেয় শোয়নার তিনজন লাইট হাউজ কিপারের বাড়িগুলোকে। আর তারপর থেকে বিষয়টি হতে থাকে আরও বেশি দ্রুত। এক রাতের ভেতরেই বালুতে ডুবে যেতে থাকে একের পর এক বাড়ি। শোয়নাতে বসবাসরত আবহাওয়াবিদ নাতাশা জানায়- প্রতিদিন এই সমস্যা কেবল বেড়ে চলেছে। সমস্যা এতটাই গুরুতর পর্যায়ে চলে গেছে এখন যে, নিজের ঘরে প্রবেশ করতে নাতাশার চিলেকোঠার সাহায্য নেওয়ার দরকার পড়ে। নাতাশার মতে, ৮০র দশকে বিষয়টা আরও বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। তবে বর্তমানে, বিশেষ করে ৯০ শতকের পরে পুরো ব্যাপারটায় একটু হলেও স্থিতিশীলতা এসেছে বলে মনে করেন তিনি। তবে তাই বলে বালুর উড়ে আসা যে থেমে গিয়েছে তা নয়। নাতাশা জানান- এখনো বালুগুলো প্রতিদিন উড়ে আসছে আর ডুবিয়ে দিচ্ছে শোয়নার বাড়িঘরগুলোকে।





  গ্রাম তো অনেক রকমেরই হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের গ্রামের কথা বললেই মনে ভাসে সবুজ গাছ-গাছালিতে ভরা, নদীর পাড়ে অবস্থিত ছোট্ট কোন মায়াবী স্থানের কথা। কিন্তু এবার আপনাকে যে গ্রামটির সাথে পরিচয় করিয়ে দেব সেটা মোটেও আমাদের পরিচিত আর দশটা গ্রামের মতন নয়। সবুজ গাছ-গাছালি নয়, এই গ্রামে গেলে আপনি খুঁজে পাবেন বালুর আস্তরণ। সেই আস্তরণ এতটাই বেশি যে, গ্রামের বাড়ি ঘর, এমনকি মানুষগুলোকে পর্যন্ত কখনো কখনো আপনি হারিয়ে ফেলবেন সেই সাদা বালুর ভিড়ে। বলছিলাম হোয়াইট সী’র পাশে অবস্থিত গ্রাম শোয়নার কথা।



১৯৩০ সালে নির্মাণ করা হয় শোয়নাকে। প্রায় ১৫০০ জন মানুষ বাস করত তখন এখানে। তবে সেসময় এতটা বেশি বালু দিয়ে ভর্তি ছিল না গ্রামটি। তখন এখানেও আর সব গ্রামের মতন সবুজে ভরা গাছ ছিল, নয়নাভিরাম দৃশ্য ছিল। কিন্তু ১৯৫০ সালে সব কিছু বদলাতে শুরু করে। পাশের হোয়াইট সী'র তীর থেকে উড়ে আসা সাদা বালু ধীরে ধীরে মুড়ে দেয় শোয়নার তিনজন লাইট হাউজ কিপারের বাড়িগুলোকে। আর তারপর থেকে বিষয়টি হতে থাকে আরও বেশি দ্রুত।




এক রাতের ভেতরেই বালুতে ডুবে যেতে থাকে একের পর এক বাড়ি। শোয়নাতে বসবাসরত আবহাওয়াবিদ নাতাশা জানায়- প্রতিদিন এই সমস্যা কেবল বেড়ে চলেছে। সমস্যা এতটাই গুরুতর পর্যায়ে চলে গেছে এখন যে, নিজের ঘরে প্রবেশ করতে নাতাশার চিলেকোঠার সাহায্য নেওয়ার দরকার পড়ে।


নাতাশার মতে, ৮০র দশকে বিষয়টা আরও বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। তবে বর্তমানে, বিশেষ করে ৯০ শতকের পরে পুরো ব্যাপারটায় একটু হলেও স্থিতিশীলতা এসেছে বলে মনে করেন তিনি।

তবে তাই বলে বালুর উড়ে আসা যে থেমে গিয়েছে তা নয়। নাতাশা জানান- এখনো বালুগুলো প্রতিদিন উড়ে আসছে আর ডুবিয়ে দিচ্ছে শোয়নার বাড়িঘরগুলোকে।

সুত্র: অ্যামিউজিং প্ল্যানেট

Post A Comment: