কথাটি শুনে কেউ কেউ হয়ত গালমন্দ করতে শুরু করেছেন। বলছেন, এ পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু এ সত্যি হতে আর বেশি দেরি নয়। আপনি কি জানেন, বাঁশগাছের আয়ু সর্বাধিক ১৫০ বছর, ওক গাছের আয়ু হাজার বছর? ক্যালিফোর্নিয়ার সিকুওইয়া ন্যাশনাল পার্কে একটি গাছ আছে নাম সিকোয়া। এ গাছটি পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বড় গাছ। এটি ৫২৫০০ ঘনফুট বা ১৪৮৭ ঘনমিটার। এটি বাঁচে দুহাজার বছর পর্যন্ত। উদ্ভিদ জগতের প্রত্যেকটি গাছের আয়ু পূর্ব নির্ধারিত। প্রাণিজগতের আয়ুষ্কালও নির্দিষ্ট নিয়মে বাধা। যেমন-মাছির আয়ু পাঁচ সপ্তাহ, ইঁদুর ও ফড়িংয়ের আয়ু ছমাস, কুকুরের আয়ু ১০-১৫ বছর, বেড়ালের আয়ু ১০-২১ বছর, বাঘের আয়ু ২৫ বছর, হাতির আয়ু ৭০ বছর, কচ্ছপের আয়ু ৩০০ বছর। আর মানুষের আয়ু ৭০-৮০ বছর। কিন্তু কিছু মানুষ আছে যাদের আয়ু স্বাভাবিক আয়ুর চেয়ে অনেক বেশি। রাশিয়ার জর্জিয়ার মানুষের আয়ু এবং পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের হুনজা উপত্যকার মানুষদের গড় আয়ু স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি। মানুষের আয়ু নির্ধারণ করে কে? বংশগতিই মানুষের আয়ুনির্ধারক। আর এ বংশগতিকে নির্ধারণ করে জিন বা বংশাণু। যে রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে মানবদেহের জিন বা বংশাণু তৈরি করে তার নাম ডিএনএ (ডি-অক্সি রাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড)। ডিএনএ এবং জিন সমার্থক। আর এই ডিএনএ হলো বংশগতির ধারক ও বাহক। মানব-জিনোমের সম্পূর্ণ জিনচিত্রের দুয়ার খুলে গেছে জিন-চিকিৎসার মাধ্যমে। বংশগত রোগ, জন্মগত রোগের কারণ যে বিভিন্ন গোলমালের ফলে হচ্ছে তা নিশ্চিতভাবেই জানা গেছে। জিনজনিত অসুখের সংখ্যা এখন পাঁচ হাজার। জিনচিত্র পড়ে এসব রোগের আগাম খবর পেয়ে যাবেন চিকিৎসকরা রোগির দেহে রোগ আসার বহু আগেই। সফল এ জিন-চিকিৎসা মানুষের আয়ু দেবে বাড়িয়ে। সিকোয়া গাছ দু’হাজার বছর বাঁচে। যদি আয়ুনির্ধারক সেই সিকোয়া গাছের জিন লাগিয়ে দেওয়া হয় মানুষের জিনে তাহলে মানুষের আয়ুও বেড়ে হবে দু’হাজার বছরের কাছাকাছি। যৌবনও অটুট থাকবে ততোদিন। জিন যেন জিয়নকাঠি। তার ছোঁয়ায় মানুষ অমর হয়ত হবে না কিন্তু দু’হাজার বছর বাঁচা অসম্ভবের কিছু নয়। সূত্র : ইন্টারনেট

কথাটি শুনে কেউ কেউ হয়ত গালমন্দ করতে শুরু করেছেন। বলছেন, এ পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু এ সত্যি হতে আর বেশি দেরি নয়।


আপনি কি জানেন, বাঁশগাছের আয়ু সর্বাধিক ১৫০ বছর, ওক গাছের আয়ু হাজার বছর? ক্যালিফোর্নিয়ার সিকুওইয়া ন্যাশনাল পার্কে একটি গাছ আছে নাম সিকোয়া। এ গাছটি পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বড় গাছ। এটি ৫২৫০০ ঘনফুট বা ১৪৮৭ ঘনমিটার। এটি বাঁচে দুহাজার বছর পর্যন্ত। উদ্ভিদ জগতের প্রত্যেকটি গাছের আয়ু পূর্ব নির্ধারিত।

প্রাণিজগতের আয়ুষ্কালও নির্দিষ্ট নিয়মে বাধা। যেমন-মাছির আয়ু পাঁচ সপ্তাহ, ইঁদুর ও ফড়িংয়ের আয়ু ছমাস, কুকুরের আয়ু ১০-১৫ বছর, বেড়ালের আয়ু ১০-২১ বছর, বাঘের আয়ু ২৫ বছর, হাতির আয়ু ৭০ বছর, কচ্ছপের আয়ু ৩০০ বছর। আর মানুষের আয়ু ৭০-৮০ বছর। কিন্তু কিছু মানুষ আছে যাদের আয়ু স্বাভাবিক আয়ুর চেয়ে অনেক বেশি। রাশিয়ার জর্জিয়ার মানুষের আয়ু এবং পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের হুনজা উপত্যকার মানুষদের গড় আয়ু স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি।

মানুষের আয়ু নির্ধারণ করে কে? বংশগতিই মানুষের আয়ুনির্ধারক। আর এ বংশগতিকে নির্ধারণ করে জিন বা বংশাণু। যে রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে মানবদেহের জিন বা বংশাণু তৈরি করে তার নাম ডিএনএ (ডি-অক্সি রাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড)। ডিএনএ এবং জিন সমার্থক। আর এই ডিএনএ হলো বংশগতির ধারক ও বাহক।

মানব-জিনোমের সম্পূর্ণ জিনচিত্রের দুয়ার খুলে গেছে জিন-চিকিৎসার মাধ্যমে। বংশগত রোগ, জন্মগত রোগের কারণ যে বিভিন্ন গোলমালের ফলে হচ্ছে তা নিশ্চিতভাবেই জানা গেছে। জিনজনিত অসুখের সংখ্যা এখন পাঁচ হাজার। জিনচিত্র পড়ে এসব রোগের আগাম খবর পেয়ে যাবেন চিকিৎসকরা রোগির দেহে রোগ আসার বহু আগেই। সফল এ জিন-চিকিৎসা মানুষের আয়ু দেবে বাড়িয়ে।

সিকোয়া গাছ দু’হাজার বছর বাঁচে। যদি আয়ুনির্ধারক সেই সিকোয়া গাছের জিন লাগিয়ে দেওয়া হয় মানুষের জিনে তাহলে মানুষের আয়ুও বেড়ে হবে দু’হাজার বছরের কাছাকাছি। যৌবনও অটুট থাকবে ততোদিন। জিন যেন জিয়নকাঠি। তার ছোঁয়ায় মানুষ অমর হয়ত হবে না কিন্তু দু’হাজার বছর বাঁচা অসম্ভবের কিছু নয়।
সূত্র :  ইন্টারনেট 

Post A Comment: