মানুষের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হচ্ছে হৃদপিন্ড। এই অঙ্গটি ঠিক ভাবে কাজ করলেই সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব। প্রতিটা মানুষের জন্যই স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া জরুরী। যারা হৃদরোগে আক্রান্ত তাদের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া আরো অনেক বেশি প্রয়োজনীয় তাদের রোগের জটিলতা কমানোর জন্য। সবজি, শস্য, ফল, ননীহীন দুগ্ধজাত পণ্য, মটরশুঁটি, চর্বিহীন মাংস, পোলট্রি এবং মাছ ইত্যাদি খাবারগুলো খাওয়া ভালো। হৃদপিন্ডকে সুস্থ রাখার জন্য কিছু খাবার এড়িয়ে চলতে হয়। কিন্তু বলা সহজ হলেও পালন করা খুব কঠিন। তারপর ও আপনার জানা থাকলে আপনি সতর্ক হতে পারবেন। নতুন গবেষণায় পুরনো ধারণাগুলোকে জটিল করে তুলেছে। কয়েক বছর আগের গবেষণাতে জানা গিয়েছিলো যে, ডায়াটারি কোলেস্টেরল, সোডিয়াম এবং ফ্যাট হৃদস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ওহাইও ষ্টেট ইউনিভার্সিটির ফুড সায়েন্সের অধ্যাপক জেফ ভলেক বলেন, 'একাধিক সাম্প্রতিক রিপোর্টে জানা গেছে যে, ডায়াটারি স্যাচুরেটেড ফ্যাট গ্রহন এবং কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজের সাথে কোন সম্পর্ক নেই’। ভলেক বলেন, যদিও এটা সত্যি যে রক্তে স্যচুরেটেড ফ্যাটের উপস্থিতি হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করার সাথে সম্পর্কিত। ডায়াটারি ফ্যাট এবং কোলেস্টেরল নিয়ে করা সাম্প্রতিক অন্য একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, খাদ্যে এদের উপস্থিতিই আপনার শরীরে এদের পরিমাণ বৃদ্ধি করবে এমন হওয়া বাঞ্ছনীয় নয়। তারপরও আপনি কী খাচ্ছেন তা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের হার্ট এন্ড ভাস্কুলার ইন্সটিটিউটের রেজিস্টার্ড ডায়েটেশিয়ান কেট প্যাটন বলেন, ‘খাদ্য আমাদের শরীরকে পুষ্টি প্রদান করে অথবা আমাদের শরীরকে বিষাক্ত করে তোলে’। হৃদপিণ্ডের জন্য ক্ষতিকর খাবারগুলোর বিষয়েই জানবো আজ। সোডা/কোমল পানীয় প্রথমেই আসে কোমল পানীয়ের নাম। এতে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে যা ধমনীর দেয়ালের উপর চাপ সৃষ্টি করে। সোডা পান করলে রক্তের চিনির মাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজ হওয়ার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। আপনার যদি সোডার প্রতি আসক্তি থাকে তাহলে সোডা পান করার পূর্বে দুইবার চিন্তা করে নিন। বেক করা খাবার বেক করা খাবারে প্রচুর চর্বি ও চিনি থাকে বলে এধরণের খাবার হৃদপিণ্ডের জন্য খুবই খারাপ। চর্বি ও চিনি ধমনীতে বাঁধার সৃষ্টি করে এবং রক্তে চিনির মাত্রা বৃদ্ধি করে। এগুলো কার্ডিও ভাস্কুলার রোগের কারণ। পরিশোধিত খাবার পরিশোধিত খাবার হৃদপিন্ডের জন্য খুবই খারাপ। এ ধরণের খাবার কার্ডিওভাস্কুলার রোগ বৃদ্ধি করে। তাই সকল ধরণের পরিশোধিত পণ্য যেমন- সালাদ ড্রেসিং, কেচাপ, সাদা পাউরুটি, কম ফ্যাটের দই, পাস্তা সসেজ, বারবিকিউ সসেজ ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন। মার্জারিন নতুন একটি গবেষণায় দাবী করা হয়েছে যে মাখন হৃদপিণ্ডের জন্য ক্ষতিকর নয়। অন্যদিকে মার্জারিন খুবই অস্বাস্থ্যকর একটি ট্রান্সফ্যাট যা হৃদপিন্ডের ধমনীতে বাঁধার সৃষ্টি করে। কফি ক্রিম মার্জারিন এর মতোই কফি ক্রিম এর গুড়া ট্রান্স ফ্যাটে পরিপূর্ণ। মাইক্রোওয়েবে তৈরি পপকর্ণ এবং হাইড্রোজেনেটেড অয়েল থাকে যে সকল খাবারে সেগুলোও হৃদস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। সূত্র : প্রিভেনশন



   মানুষের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হচ্ছে হৃদপিন্ড। এই অঙ্গটি ঠিক ভাবে কাজ করলেই সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব। প্রতিটা মানুষের  জন্যই স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া  জরুরী। যারা হৃদরোগে আক্রান্ত তাদের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া আরো অনেক বেশি প্রয়োজনীয় তাদের রোগের জটিলতা কমানোর জন্য।


সবজি, শস্য, ফল, ননীহীন দুগ্ধজাত পণ্য, মটরশুঁটি, চর্বিহীন মাংস, পোলট্রি এবং মাছ ইত্যাদি খাবারগুলো খাওয়া ভালো। হৃদপিন্ডকে সুস্থ রাখার জন্য কিছু খাবার এড়িয়ে চলতে হয়। কিন্তু বলা সহজ হলেও পালন করা খুব কঠিন। তারপর ও আপনার জানা থাকলে আপনি সতর্ক হতে পারবেন।


নতুন গবেষণায় পুরনো ধারণাগুলোকে জটিল করে তুলেছে। কয়েক বছর আগের গবেষণাতে জানা গিয়েছিলো যে, ডায়াটারি কোলেস্টেরল, সোডিয়াম এবং ফ্যাট হৃদস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।


ওহাইও ষ্টেট ইউনিভার্সিটির ফুড সায়েন্সের অধ্যাপক জেফ ভলেক  বলেন, 'একাধিক সাম্প্রতিক রিপোর্টে জানা গেছে যে, ডায়াটারি স্যাচুরেটেড ফ্যাট গ্রহন এবং কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজের  সাথে কোন সম্পর্ক নেই’। ভলেক বলেন, যদিও এটা সত্যি যে রক্তে স্যচুরেটেড ফ্যাটের উপস্থিতি হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করার সাথে সম্পর্কিত।
ডায়াটারি  ফ্যাট এবং কোলেস্টেরল নিয়ে করা  সাম্প্রতিক অন্য একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, খাদ্যে এদের উপস্থিতিই আপনার শরীরে এদের পরিমাণ বৃদ্ধি  করবে এমন হওয়া বাঞ্ছনীয় নয়।  


তারপরও আপনি কী খাচ্ছেন তা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের  হার্ট এন্ড ভাস্কুলার ইন্সটিটিউটের রেজিস্টার্ড ডায়েটেশিয়ান কেট প্যাটন বলেন,  ‘খাদ্য আমাদের শরীরকে পুষ্টি প্রদান করে অথবা আমাদের শরীরকে বিষাক্ত করে তোলে’।  হৃদপিণ্ডের জন্য ক্ষতিকর খাবারগুলোর বিষয়েই জানবো আজ।

সোডা/কোমল পানীয়   
প্রথমেই আসে কোমল পানীয়ের নাম। এতে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে যা  ধমনীর দেয়ালের উপর চাপ সৃষ্টি করে। সোডা পান করলে রক্তের চিনির মাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজ হওয়ার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। আপনার যদি সোডার প্রতি আসক্তি থাকে তাহলে সোডা পান করার পূর্বে দুইবার চিন্তা করে নিন।

বেক করা খাবার
বেক করা খাবারে প্রচুর চর্বি ও চিনি থাকে বলে এধরণের খাবার হৃদপিণ্ডের জন্য  খুবই খারাপ।  চর্বি ও চিনি ধমনীতে বাঁধার সৃষ্টি করে এবং রক্তে চিনির মাত্রা বৃদ্ধি করে। এগুলো কার্ডিও ভাস্কুলার রোগের কারণ।  

পরিশোধিত খাবার
পরিশোধিত খাবার হৃদপিন্ডের জন্য খুবই খারাপ। এ ধরণের খাবার কার্ডিওভাস্কুলার রোগ বৃদ্ধি করে। তাই সকল ধরণের পরিশোধিত পণ্য যেমন- সালাদ ড্রেসিং, কেচাপ, সাদা পাউরুটি, কম ফ্যাটের দই, পাস্তা সসেজ, বারবিকিউ সসেজ ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন।

মার্জারিন  
নতুন একটি গবেষণায় দাবী করা হয়েছে যে মাখন হৃদপিণ্ডের জন্য ক্ষতিকর নয়। অন্যদিকে মার্জারিন  খুবই অস্বাস্থ্যকর একটি ট্রান্সফ্যাট যা হৃদপিন্ডের ধমনীতে বাঁধার সৃষ্টি করে।    

কফি ক্রিম
মার্জারিন  এর মতোই কফি ক্রিম এর গুড়া ট্রান্স ফ্যাটে পরিপূর্ণ। মাইক্রোওয়েবে তৈরি পপকর্ণ এবং হাইড্রোজেনেটেড অয়েল থাকে যে সকল খাবারে সেগুলোও হৃদস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।


সূত্র :  প্রিভেনশন

Post A Comment: