নাটোরের লালপুরে এক কলেজশিক্ষককে গুলি করে হত্যা করে তাঁর মোটরসাইকেল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। আজ বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে একটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।



নাটোরের লালপুরে এক কলেজশিক্ষককে গুলি করে হত্যা করে তাঁর মোটরসাইকেল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। আজ বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে একটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।



নিহত শিক্ষকের নাম মোশাররফ হোসেন (৩৮)। তিনি লালপুরের মোহরকয়া ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। তাঁর বাড়ি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পীরগাছা গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মোহাম্মদ আলী প্রামাণিক।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার ট্রাকচালক সুজন আলী (২৫) রাজশাহী থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন। তিনি তাঁর গাড়িতে করে মোশাররফকে ঘটনাস্থল থেকে তুলে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। সুজন আলী জানান, তিনি রাজশাহীতে মাল নামিয়ে ভেড়ামারায় ফিরে যাচ্ছিলেন। বাঘা থানার সীমানা পার হয়ে লালপুরের পুলিশ বক্সের সামনে গিয়ে দেখেন অনেক মানুষ সেখানে জটলা করে আছেন। মাঝখানে একজন মানুষ পড়ে রয়েছেন। কেউ তাঁকে তুলে আনছেন না দেখে তিনি গাড়ি ঘুরিয়ে তাঁকে তুলে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তখন বেলা পৌনে একটার মতো বাজে। ট্রাকে তোলার সময় তিনি বেঁচে ছিলেন কি না, তা বুঝতে পারেননি।
মোশাররফের সহকর্মী রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক জহুরুল ইসলাম বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি এবং মোশাররফ হোসেন প্রায় একই সঙ্গে কলেজ থেকে বাড়ির উদ্দেশে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। মোশাররফকে রেখে তিনি কয়েক মিনিট আগে কলেজ থেকে বের হন। বাঘায় এসে তিনি খবর পান বাঘা থানার সীমান্ত থেকে লালপুরের দিকে প্রায় এক কিলোমিটার ভেতরে বাদলিবাড়ি গ্রামে পুলিশ বক্সের সামনে মোশাররফকে গুলি করে করে দুর্বৃত্তরা তাঁর মোটরসাইকেলটি নিয়ে গেছে।


বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক জহুরুল ইসলাম জানান, তাঁর বাঁ বগলের নিচে গুলি লেগেছে। গুলির আঘাতেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে তাঁরা ধারণা করছেন।
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মাহমুদ বলেন, ঘটনাস্থল বাঘা থানার সীমান্ত থেকে লালপুরের প্রায় এক কিলোমিটার ভেতরে। পুলিশ বক্সের সামনে।

লালপুর থানার ওসি আবু ওবায়েদ বলেন, তাঁরা খবর
পেয়েছেন। ঘটনাস্থলে তাঁরা পুলিশ পাঠিয়েছেন। কলেজশিক্ষকের মোটরসাইকেল ছিনতাই হওয়ার ঘটনা শুনেছেন। বিস্তারিত পরে জানাতে পারবেন।
অবসরে যাওয়া সরকারি চাকরিজীবী যারা শতভাগ পেনশনের টাকা তুলে নিয়েছেন তারাও বৈশাখী ভাতা পাবেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবের খসড়া সম্প্রতি অনুমোদন করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। শিগগির এ প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর প্রজ্ঞাপন জারি করে কার্যকর করবে সরকার। আগামী বাংলা নববর্ষ থেকে এ ভাতা দেওয়া হতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল একটি সূত্রে জানা গেছে।
এখন অর্ধেক পেনশন উত্তোলনকারী অবসরপ্রাপ্ত এবং মাসিক পেনশন গ্রহণকারীরা বৈশাখী ভাতা পাচ্ছেন। যারা পেনশনের পুরো টাকা তুলেছেন তাদের কেউই বৈশাখী ভাতা পান না। এ ক্ষেত্রে সমতা আনতে শতভাগ পেনশনভোগীদেরও বৈশাখী ভাতা দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।
নতুন নিয়মে সরকারি চাকরিজীবীরা পেনশনের অর্ধেক টাকা তুলতে পারবেন। বাকি অর্ধেক বাধ্যতামূলকভাবে রাখতে হবে। তারা মাসিক ভাতা পাবেন। আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন নিয়ম কার্যকর হবে। আগের নিয়মে, সরকারি চাকরিজীবীরা পেনশনের পুরো টাকা তুলতে পারতেন অথবা কেউ চাইলে অর্ধেক নিতে পারতেন।
অষ্টম পে স্কেল অনুযায়ী বর্ধিত বেতনের পাশাপাশি অন্যান্য ভাতার সঙ্গে বৈশাখী ভাতা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। গত পহেলা বৈশাখ থেকে এটা কার্যকর করা হয়। সূত্র জানায়, বৈশাখী ভাতা চালু হওয়ার পর যে সব সরকারি চাকরিজীবী অবসরে গেছেন এবং যারা পেনশনের পুরো টাকা তুলে ফেলেছেন তাদের অনেকেই বৈশাখী ভাতা পাওয়ার আবেদন করেন। এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি বিবেচনা করে এ সুবিধা দিতে যাচ্ছে সরকার। মূলত বয়স্ক অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীদের সামাজিক সুরক্ষা দিতে এ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলে সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, অবসরপ্রাপ্ত এবং শতভাগ পেনশন তুলে নেওয়া বেশ কয়েকজন সচিব সম্প্রতি অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বৈশাখী ভাতা দাবি করেন। তারা জানান, বর্তমানে চিকিৎসা ভাতা ও দুটি ঈদ উৎসব ভাতা পাচ্ছেন। এসব সুবিধা পেলে বৈশাখী ভাতা কেন পাবেন না। চাকরি থেকে অবসরের পর অনেকেই পুরো টাকা তুলে খেয়ে ফেলেছেন। ফলে আর্থিক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া বয়সের কারণে অনেকেই এখন অক্ষম। সন্তানদের থেকেও বিচ্ছিন্ন। এ অবস্থায় তারা সামাজিক সুরক্ষা চান। তাদের দেওয়া প্রস্তাব আমলে নেন অর্থমন্ত্রী।
জানা গেছে, শতভাগ পেনশনভোগী সরকারি চাকরিজীবীর সংখ্যা মোট অবসরপ্রাপ্তদের ৬ থেকে ৭ শতাংশ। তাদের সবাইকে বৈশাখী ভাতা দিলে সরকারের এ খাতে বাড়তি খরচ হবে বছরে ৩৫ থেকে ৪০ কোটি টাকা। বর্তমানে সরকারি চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ২০ ভাগ বৈশাখী ভাতা পান। গত অর্থবছরে এ খাতে ব্যয় হয়েছে প্রায় সাড়ে ৫শ' কোটি টাকা। তবে সরকারি চাকরিজীবীরা এ সুবিধা পেলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা এ সুবিধা থেকে বাদ পড়েছেন। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র বলেছে, অষ্টম পে স্কেল কার্যকর হওয়ার এক বছর পর এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বর্ধিত বেতন পান। ওই সময় বেসরকারি শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। তাদের বৈশাখী ভাতার আওতায় আনতে হলে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে হবে সরকারকে। বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকের সংখ্যা পাঁচ লাখ।
- See more at: http://bangla.samakal.net/2017/01/12/262302#sthash.8xMDYgMF.dpuf
অবসরে যাওয়া সরকারি চাকরিজীবী যারা শতভাগ পেনশনের টাকা তুলে নিয়েছেন তারাও বৈশাখী ভাতা পাবেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবের খসড়া সম্প্রতি অনুমোদন করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। শিগগির এ প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর প্রজ্ঞাপন জারি করে কার্যকর করবে সরকার। আগামী বাংলা নববর্ষ থেকে এ ভাতা দেওয়া হতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল একটি সূত্রে জানা গেছে।
এখন অর্ধেক পেনশন উত্তোলনকারী অবসরপ্রাপ্ত এবং মাসিক পেনশন গ্রহণকারীরা বৈশাখী ভাতা পাচ্ছেন। যারা পেনশনের পুরো টাকা তুলেছেন তাদের কেউই বৈশাখী ভাতা পান না। এ ক্ষেত্রে সমতা আনতে শতভাগ পেনশনভোগীদেরও বৈশাখী ভাতা দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।
নতুন নিয়মে সরকারি চাকরিজীবীরা পেনশনের অর্ধেক টাকা তুলতে পারবেন। বাকি অর্ধেক বাধ্যতামূলকভাবে রাখতে হবে। তারা মাসিক ভাতা পাবেন। আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন নিয়ম কার্যকর হবে। আগের নিয়মে, সরকারি চাকরিজীবীরা পেনশনের পুরো টাকা তুলতে পারতেন অথবা কেউ চাইলে অর্ধেক নিতে পারতেন।
অষ্টম পে স্কেল অনুযায়ী বর্ধিত বেতনের পাশাপাশি অন্যান্য ভাতার সঙ্গে বৈশাখী ভাতা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। গত পহেলা বৈশাখ থেকে এটা কার্যকর করা হয়। সূত্র জানায়, বৈশাখী ভাতা চালু হওয়ার পর যে সব সরকারি চাকরিজীবী অবসরে গেছেন এবং যারা পেনশনের পুরো টাকা তুলে ফেলেছেন তাদের অনেকেই বৈশাখী ভাতা পাওয়ার আবেদন করেন। এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি বিবেচনা করে এ সুবিধা দিতে যাচ্ছে সরকার। মূলত বয়স্ক অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীদের সামাজিক সুরক্ষা দিতে এ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলে সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, অবসরপ্রাপ্ত এবং শতভাগ পেনশন তুলে নেওয়া বেশ কয়েকজন সচিব সম্প্রতি অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বৈশাখী ভাতা দাবি করেন। তারা জানান, বর্তমানে চিকিৎসা ভাতা ও দুটি ঈদ উৎসব ভাতা পাচ্ছেন। এসব সুবিধা পেলে বৈশাখী ভাতা কেন পাবেন না। চাকরি থেকে অবসরের পর অনেকেই পুরো টাকা তুলে খেয়ে ফেলেছেন। ফলে আর্থিক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া বয়সের কারণে অনেকেই এখন অক্ষম। সন্তানদের থেকেও বিচ্ছিন্ন। এ অবস্থায় তারা সামাজিক সুরক্ষা চান। তাদের দেওয়া প্রস্তাব আমলে নেন অর্থমন্ত্রী।
জানা গেছে, শতভাগ পেনশনভোগী সরকারি চাকরিজীবীর সংখ্যা মোট অবসরপ্রাপ্তদের ৬ থেকে ৭ শতাংশ। তাদের সবাইকে বৈশাখী ভাতা দিলে সরকারের এ খাতে বাড়তি খরচ হবে বছরে ৩৫ থেকে ৪০ কোটি টাকা। বর্তমানে সরকারি চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ২০ ভাগ বৈশাখী ভাতা পান। গত অর্থবছরে এ খাতে ব্যয় হয়েছে প্রায় সাড়ে ৫শ' কোটি টাকা। তবে সরকারি চাকরিজীবীরা এ সুবিধা পেলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা এ সুবিধা থেকে বাদ পড়েছেন। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র বলেছে, অষ্টম পে স্কেল কার্যকর হওয়ার এক বছর পর এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বর্ধিত বেতন পান। ওই সময় বেসরকারি শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। তাদের বৈশাখী ভাতার আওতায় আনতে হলে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে হবে সরকারকে। বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকের সংখ্যা পাঁচ লাখ।
- See more at: http://bangla.samakal.net/2017/01/12/262302#sthash.8xMDYgMF.dpuf
অবসরে যাওয়া সরকারি চাকরিজীবী যারা শতভাগ পেনশনের টাকা তুলে নিয়েছেন তারাও বৈশাখী ভাতা পাবেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবের খসড়া সম্প্রতি অনুমোদন করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। শিগগির এ প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর প্রজ্ঞাপন জারি করে কার্যকর করবে সরকার। আগামী বাংলা নববর্ষ থেকে এ ভাতা দেওয়া হতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল একটি সূত্রে জানা গেছে।
এখন অর্ধেক পেনশন উত্তোলনকারী অবসরপ্রাপ্ত এবং মাসিক পেনশন গ্রহণকারীরা বৈশাখী ভাতা পাচ্ছেন। যারা পেনশনের পুরো টাকা তুলেছেন তাদের কেউই বৈশাখী ভাতা পান না। এ ক্ষেত্রে সমতা আনতে শতভাগ পেনশনভোগীদেরও বৈশাখী ভাতা দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।
নতুন নিয়মে সরকারি চাকরিজীবীরা পেনশনের অর্ধেক টাকা তুলতে পারবেন। বাকি অর্ধেক বাধ্যতামূলকভাবে রাখতে হবে। তারা মাসিক ভাতা পাবেন। আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন নিয়ম কার্যকর হবে। আগের নিয়মে, সরকারি চাকরিজীবীরা পেনশনের পুরো টাকা তুলতে পারতেন অথবা কেউ চাইলে অর্ধেক নিতে পারতেন।
অষ্টম পে স্কেল অনুযায়ী বর্ধিত বেতনের পাশাপাশি অন্যান্য ভাতার সঙ্গে বৈশাখী ভাতা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। গত পহেলা বৈশাখ থেকে এটা কার্যকর করা হয়। সূত্র জানায়, বৈশাখী ভাতা চালু হওয়ার পর যে সব সরকারি চাকরিজীবী অবসরে গেছেন এবং যারা পেনশনের পুরো টাকা তুলে ফেলেছেন তাদের অনেকেই বৈশাখী ভাতা পাওয়ার আবেদন করেন। এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি বিবেচনা করে এ সুবিধা দিতে যাচ্ছে সরকার। মূলত বয়স্ক অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীদের সামাজিক সুরক্ষা দিতে এ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলে সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, অবসরপ্রাপ্ত এবং শতভাগ পেনশন তুলে নেওয়া বেশ কয়েকজন সচিব সম্প্রতি অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বৈশাখী ভাতা দাবি করেন। তারা জানান, বর্তমানে চিকিৎসা ভাতা ও দুটি ঈদ উৎসব ভাতা পাচ্ছেন। এসব সুবিধা পেলে বৈশাখী ভাতা কেন পাবেন না। চাকরি থেকে অবসরের পর অনেকেই পুরো টাকা তুলে খেয়ে ফেলেছেন। ফলে আর্থিক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া বয়সের কারণে অনেকেই এখন অক্ষম। সন্তানদের থেকেও বিচ্ছিন্ন। এ অবস্থায় তারা সামাজিক সুরক্ষা চান। তাদের দেওয়া প্রস্তাব আমলে নেন অর্থমন্ত্রী।
জানা গেছে, শতভাগ পেনশনভোগী সরকারি চাকরিজীবীর সংখ্যা মোট অবসরপ্রাপ্তদের ৬ থেকে ৭ শতাংশ। তাদের সবাইকে বৈশাখী ভাতা দিলে সরকারের এ খাতে বাড়তি খরচ হবে বছরে ৩৫ থেকে ৪০ কোটি টাকা। বর্তমানে সরকারি চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ২০ ভাগ বৈশাখী ভাতা পান। গত অর্থবছরে এ খাতে ব্যয় হয়েছে প্রায় সাড়ে ৫শ' কোটি টাকা। তবে সরকারি চাকরিজীবীরা এ সুবিধা পেলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা এ সুবিধা থেকে বাদ পড়েছেন। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র বলেছে, অষ্টম পে স্কেল কার্যকর হওয়ার এক বছর পর এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বর্ধিত বেতন পান। ওই সময় বেসরকারি শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। তাদের বৈশাখী ভাতার আওতায় আনতে হলে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে হবে সরকারকে। বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকের সংখ্যা পাঁচ লাখ।
- See more at: http://bangla.samakal.net/2017/01/12/262302#sthash.8xMDYgMF.dpuf

Post A Comment: