ইন্টারভিউ বোর্ডে নার্ভাস বোধ করেন না এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর। নিজের যোগ্যতার এই লড়াইয়ে হেরে যেতে চান না কেউই। চাকরি সবারই প্রয়োজন। কিন্তু ইন্টারভিউ এ শুধু চাকরি পাওয়া না পাওয়ার বিষয়টি জড়িত নয়। একইসাথে জড়িত একজন মানুষের অহম। কিন্তু লড়াইটা যত বড় ভীতিটাও বড় তেমন। সেখান থেকেই হয়ে যায় কিছু ভুল। চাকরি পেতে এই ভুলগুলো যেমন এড়িয়ে চলতে হবে তেমন নিজের বডি ল্যাঙ্গুয়েজে আনতে হবে কিছু পরিবর্তন। এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন ভেনেসা ভান এডওয়ার্ড, তিনি সায়েন্স অফ পিপল অর্গানাইজেশনের আচরণ বিষয়ক তদন্তকারক।

 Interview-Body-Language-Technique-Know

ইন্টারভিউ বোর্ডে নার্ভাস বোধ করেন না এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর। নিজের যোগ্যতার এই লড়াইয়ে হেরে যেতে চান না কেউই। চাকরি সবারই প্রয়োজন। কিন্তু ইন্টারভিউ এ শুধু চাকরি পাওয়া না পাওয়ার বিষয়টি জড়িত নয়। একইসাথে জড়িত একজন মানুষের অহম। কিন্তু লড়াইটা যত বড় ভীতিটাও বড় তেমন। সেখান থেকেই হয়ে যায় কিছু ভুল। চাকরি পেতে এই ভুলগুলো যেমন এড়িয়ে চলতে হবে তেমন নিজের বডি ল্যাঙ্গুয়েজে আনতে হবে কিছু পরিবর্তন। এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন ভেনেসা ভান এডওয়ার্ড, তিনি সায়েন্স অফ পিপল অর্গানাইজেশনের আচরণ বিষয়ক তদন্তকারক।


যা করবেন

শুধু ১টি ব্যাগ/ফাইল বহন করুন

ইন্টারভিউ এর দিন একটি মার্জিত রূপ দিতে চাই আমরা নিজেকে। এজন্য সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হল কম জিনিস বহন করা। দরকারি কাগজপত্র বহন তো করতেই হবে। তাই একটি এমন ব্যাগ নিন যাতে সব কিছুই বহন করা সম্ভব হয়। ব্যাগ, ফাইল, কোট এরকম নানান জিনিস একসাথে আপনাকে গোছালো একটি রূপ দেয়।

জুতা

মানানসই, রুচিশীল জুতা পরুন। শব্দ তৈরি করে এমন জুতা হতে পারে বিরক্তির কারণ। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রার্থীর শেষ যে জিনিসটি সবার মনে থাকে তা হল তার জুতা।

বসার ধরন

আমরা মনে করি, ইন্টারভিউ বোর্ডে মুখোমুখি সোজা হয়ে বসতে হবে। কিন্তু তা নয়। সামান্য কৌণিক অবস্থানে বসুন। এতে আপনাকে আরও বিশ্বস্ত মনে হবে।  আমাদের কিছু ব্যবহার অপরকে মানসিকভাবে প্রভাবিত করে। আমরা জানতেও পারি না সেই প্রভাব কেমন। এটিও তেমন একটি।

মনকে সুস্থির করুন

নিজের মনকে স্থির করতে এবং আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে ইন্টারভিউ এর ঠিক আগে 'পাওয়ার পোজ' অনুশীলন করুন। এতে মন শান্ত হবে। আপনার চোখে মুখে ফুটে উঠবে দৃঢ়তা। শুধু মৌখিক ভাবভঙ্গি বদলে দিতে পারে ইন্টারভিউয়ারের প্রশ্ন করার ধরণ। যা আসতে পারে আপনার অনুকূলে।

যা করবেন না

নার্ভাস ভাব প্রকাশ করা

আপনার হাসিটি হবে প্রাণবন্ত। কোনভাবেই নার্ভাসভাব যেন ফুটে না ওঠে সেদিকে খেয়াল রাখুন। কারণ আপনি যত নার্ভাস হবেন তত আপনার যোগ্যতা কম বলে মনে হবে। মনে হবে, আপনি দায়িত্ব পালনে সমর্থ হবেন না। সেক্ষেত্রে প্রশ্নের উত্তর সব ঠিক মত দিতে পারলেও এটি একটি মাইনাস পয়েন্ট হিসেবে গণ্য হবে।

অঙ্গভঙ্গি

হাত ক্রস করে বসবেন না। এতে মনে হতে পারে, আপনার মাঝে আনুগত্যের অভাব রয়েছে। আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করুন, কিন্তু বিনয়ের সাথে। পরিপাটি হয়ে বসুন। তবে বসার ভঙ্গির দিকে অধিক নজর না দিয়ে স্বাভাবিক থাকুন।

ঠোঁট চেপে রাখবেন না

এতে মনে হবে আপনি অন্যমনস্ক অথবা কোন চিন্তা আপনাকে পেছনে টানছে। ঠোঁট সহজ স্বাভাবিক রাখুন।

মুখ এবং চুল স্পর্শ করা

বারবার মুখ আর চুলে হাত দেওয়া নার্ভাসনেস প্রকাশ করে।

Post A Comment: