ধরুন, ঝড়ের সময় জানালার বাইরে তাকালেন। দেখলেন, দূরে ল্যাম্পপোস্টে নীল আগুন জ্বলছে। আপনি হয়ত ফায়ার বিগ্রেডকে ফোন করে জানাবেন। কিন্তু পরক্ষণেই যদি লক্ষ করেন, আসলে আগুনটা জ্বলছে না আবার পানির ঝাপটায় নিভেও যাচ্ছে না তখন হয়ত ভয়ই পেয়ে ঈশ্বরকে স্মরণ করতে শুরু করবেন। শান্ত হোন। ভয়ের কিছু নেই। আপনি যা দেখছেন তা হল সেন্ট এলমোর আগুন।

 Fire-but-the-fire-is-not-What-is-the-secret-of-this-ghostly-light
রকেট ইন্ডিউসড লাইটনিং এর মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে তৈরি সেন্ট এলমোর রূপক আগুন।

ধরুন, ঝড়ের সময় জানালার বাইরে তাকালেন। দেখলেন, দূরে ল্যাম্পপোস্টে নীল আগুন জ্বলছে। আপনি হয়ত ফায়ার বিগ্রেডকে ফোন করে জানাবেন। কিন্তু পরক্ষণেই যদি লক্ষ করেন, আসলে আগুনটা জ্বলছে না আবার পানির ঝাপটায় নিভেও যাচ্ছে না তখন হয়ত ভয়ই পেয়ে ঈশ্বরকে স্মরণ করতে শুরু করবেন। শান্ত হোন। ভয়ের কিছু নেই। আপনি যা দেখছেন তা হল সেন্ট এলমোর আগুন। 



সেন্ট এলমোর আগুন একটি প্রাকৃতিক ঘটনা, যা ঘটে বৈদ্যুতিক শক্তির কারণে। এটা দেখতে মনে হবে আলো জ্বলছে, কিন্তু আসলে তা নয়। গোল আলোর মত দেখতে এই বলগুলো আগুন তো নয়ই।   

সাগরে জাহাজ চালনার সময় নাবিকেরা প্রায়ই এই আলো দেখতে পান। মাস্তুলে জ্বল জ্বল করতে থাকা এই আলো যে আগুন নয় তা মনে রাখতে হয় তাদের। নেপোলিয়ান, কলম্বাস সহ অনেক বিখ্যাত নাবিক এই আলোর দেখা পেয়েছেন তাদের সমুদ্রযাত্রায়। এ সময় মাথা ঠান্ডা রাখা খুবই কঠিন, কারণ আপনি দেখতে পাচ্ছেন আপনার চোখের সামনে জ্বলছে মাস্তুল, কিন্তু তা নয়। 

মধ্যযুগের ইউরোপিয়ানরা সমুদ্রে বা ঝড়ো আবহাওয়ায় ভৌতিক এই আলো দেখে ভাবতেন এটি সেন্ট এলমোর প্রতিশ্রুত উপহার। সেন্ট এলমো নাবিকদের পবিত্র সাধু। কথিত আছে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ঈশ্বরের কাছে নাবিকদের জন্য দোয়া চাইবেন আর তখনই জ্বলে উঠবে এই আলো।
কিন্তু বিজ্ঞানের উৎকর্ষের কারণে আজ আমরা সবাই জানি, এই আলো সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক। ইলেকট্রনের ঘর্ষণের কারণে এই আলো তৈরি হয়।

Post A Comment: