বাকলা চন্দ্র দ্বীপের রাজারা পটুয়াখালী জেলা থেকে মগ জলদস্যুদের ভয়ে অথবা নদী ভাঙনের ফলে মাধাবপাশাতে বসবাস শুরু করেন। ১৭৮০ সালে চন্দ্র দ্বীপের তৎকালীন রাজা শিবনারায়ণ এলাকাবাসীর পানির সংকট নিরসনে মাধবপাশায় একটি বৃহৎ দীঘি খনন করেন (৩ লাখ টাকা ব্যয়ে)।

 Durgasagar-Madhabpasha-Barisal

বাকলা চন্দ্র দ্বীপের রাজারা পটুয়াখালী জেলা থেকে মগ জলদস্যুদের ভয়ে অথবা নদী ভাঙনের ফলে মাধাবপাশাতে বসবাস শুরু করেন। ১৭৮০ সালে চন্দ্র দ্বীপের তৎকালীন রাজা শিবনারায়ণ এলাকাবাসীর পানির সংকট নিরসনে মাধবপাশায় একটি বৃহৎ দীঘি খনন করেন (৩ লাখ টাকা ব্যয়ে)।


তার স্ত্রী দুর্গাদেবীর নাম অনুসারে দীঘিটির নামকরণ করা হয় দুর্গাসাগর।

জলাশয়ের মাঝে ছোট একটি দ্বীপ আছে। দ্বীপটি ১৯৭৪ সালে সংস্কারের সময় তৈরি করা হয়েছিল (অবকাশ যাপন কেন্দ্র নির্মাণের জন্য; পরবর্তীতে অবকাশযাপন কেন্দ্র আর নির্মিত হয়নি)।
দুর্গাসাগরের মোট এলাকা ৪৫.৫৫ একর। দ্বীপসহ দীঘি/জল এলাকা ২৭.৫১ একর ও স্থল এলাকা ১৮.০৪ একর এবং দীঘির চারপাশ দিয়ে ওয়াকিং ট্রাক ১.৬ কিলোমিটার।
বরিশাল শহর থেকে প্রায় ১১ কিলোমিটার দূরে মাধাবপাশাতে বাকলা চন্দ্র দ্বীপ রাজাদের বাসস্থল ও দুর্গাসাগর।
আপনি চাইলে সারাদিন ঘোরাঘুরি শেষে অথবা গোসলের সময় এখানে গোসল করে নিতে পারেন। খুব পরিষ্কার টলমলে পানিতে গোসল করলে আপনি খুব প্রশান্তি অনুভব করবেন।

তবে একটি সমস্যা আছে সেটি হচ্ছে এখানে গোসলের পর পোশাক বদলের জন্য আলাদা কোনো স্থান নেই। তাই নারী এবং যারা খোলা জায়গায় পোশাক বদল করায় অভ্যস্থ নয় তাদের জন্য দুর্গাসাগর খুব একটা সুবিধার জায়গা নয়।
যেভাবে যাবেন :
যেকোনো ট্যুরিস্ট গ্রুপের সঙ্গে চলে যেতে পারেন। অথবা সদরঘাট থেকে বরিশালের লঞ্চে চড়ে বরিশাল পৌঁছে যান। সেখান থেকে সিএনজিচালিত অথবা অটোরিকশা ভাড়া করে দুর্গাসাগর দীঘিতে যেতে পারবেন।
অবশ্যই সব জায়গায় সব বাহনে দরদাম করে তারপর উঠবেন।

Post A Comment: