গাছ, সেও নাকি আবার নাচে? বাল্টিক সমুদ্রের তীরে আছে এমনই এক জায়গা যেখানে গাছেরা নিয়েছে অদ্ভুত অবয়ব। বেড়ে উঠেছে এমন ভাবে যেন একেকটি গাছ একেক ভঙ্গিমায় নাচ করছে। কুরোনিয়ান স্পিট ন্যাশনাল পার্কে দেখা পাবেন এই গাছেদের। পার্কের কেয়ারটেকার ড্যান্সিং ফরেস্ট নাম দিয়েছেন বনটির। আর স্থানীয়রা নাম দিয়েছেন উন্মত্ত বন।

 Dancing-Forest-you-can-visit
অদ্ভুত আকৃতির এই গাছেদের দেখা মিলবে রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদে।


গাছ, সেও নাকি আবার নাচে? বাল্টিক সমুদ্রের তীরে আছে এমনই এক জায়গা যেখানে গাছেরা নিয়েছে অদ্ভুত অবয়ব। বেড়ে উঠেছে এমন ভাবে যেন একেকটি গাছ একেক ভঙ্গিমায় নাচ করছে। কুরোনিয়ান স্পিট ন্যাশনাল পার্কে দেখা পাবেন এই গাছেদের। পার্কের কেয়ারটেকার ড্যান্সিং ফরেস্ট নাম দিয়েছেন বনটির। আর স্থানীয়রা নাম দিয়েছেন উন্মত্ত বন।



ভিন্নধর্মী এই বনটি পাইন গাছের। কিন্তু চিরাচরিত পাইনের গুঁড়ির মত নয় এই গাছেদের গুঁড়ি। এরা বিভিন্নভাবে বাঁকিয়ে, কখনো বৃত্তাকারে, কখনো সর্পিল ভঙ্গিতে উপরে উঠে গেছে। বিভিন্ন ধরণের আকৃতি বনের মাঝে তৈরি করেছে ভিন্ন কিন্তু মজার এক আবহ।
 
ভ্রমণকারীরা মনে করেন, ২০ বছরেরও বেশী বয়সী পাইন গাছেরা এরকম অদ্ভুত ভাবে নিজেদের বাঁকিয়ে নিচ্ছে। কয়েক বছর আগে পার্কে ম্যানেজার স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আহবান করেন এই বনের রহস্য উন্মোচন করার জন্য। কিন্তু নিশ্চিত কোন কারণ জানা যায় নি।

নানান রকম প্রচলিত কথা আছে ড্যান্সিং ফরেস্টকে নিয়ে। কেউ মনে করেন, মাটির গঠনের কারণে এখানকার গাছেরা অদ্ভুত অবয়ব নেয়। আবার কেউ মনে করেন, এখানকার আবহাওয়া পজেটিভ এবং নেগেটিভ উভয় প্রকার এনার্জি বিরাজ করে। যার দ্বন্দ্বের কারণে এমনটা ঘটে। তবে সবচেয়ে স্বীকৃত মত হচ্ছে, সমুদ্রতীরবর্তী বনটির সারাক্ষণ শক্তিশালী বাতাসের সাথে লড়াই। এই বাতাসের কারণেই নিজেকে টিকিয়ে রাখতে এমন বাঁকিয়ে যায় তারা।

কিন্তু কারণ যাই হোক, বনটি মজার। যে কোন ভ্রমণকারীর জন্যই এটি হতে পারে চমৎকার উপভোগ্য একটি অভিজ্ঞতা।

Post A Comment: