এলিয়েন বিশ্বাসীদের অনেকেই দাবি, বিশ্বের শক্তিমান রাষ্ট্রগুলোর ভেতরে কাজ করছে এলিয়েন। সেসব দেশের গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে তাদের পরামর্শ। এমনকি উন্নত বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি ও সামরিক উৎকর্ষতার পেছনেও এলিয়েন রয়েছে। এই দাবির পেছনে শক্ত প্রমাণ হিসেবে যার নাম সব সময় সামনে চলে আসে তিনি ভালিয়েন্ট থর।
Alien-within-the-US-government-has  

এলিয়েন বিশ্বাসীদের অনেকেই দাবি, বিশ্বের শক্তিমান রাষ্ট্রগুলোর ভেতরে কাজ করছে এলিয়েন। সেসব দেশের গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে তাদের পরামর্শ। এমনকি উন্নত বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি ও সামরিক উৎকর্ষতার পেছনেও এলিয়েন রয়েছে। এই দাবির পেছনে শক্ত প্রমাণ হিসেবে যার নাম সব সময় সামনে চলে আসে তিনি ভালিয়েন্ট থর।

মার্কিন সরকারের বেসামরিক উচ্চপদস্থ এই ব্যক্তিকে নিয়ে রয়েছে নানা রহস্য। কৌতূহলও কম নেই! প্রায় ৬ ফুট দীর্ঘ এই মানুষটিকে ১৯৫০-এর দশকে কাজ করতে দেখা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের ভেতরে সেসময় গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করা অনেকেই সেই মানুষটি সম্পর্কে পরবর্তীকালে মুখ খুলেছিলেন।

দেখতে হুবহু মানুষের মত হলেও সাধারণের সঙ্গে তার ছিল ব্যাপক পার্থক্য। দেহ আর আচরণগত পার্থক্য তো রয়েছেই; এ ছাড়া মানসিকতা ও জ্ঞানের পরিধিও ছিল সবার চাইতে আলাদা। এমনকি তৎকালীন মার্কিন কর্মকর্তারাই বলতেন, সে এই পৃথিবীর নয়। তার আগমন সৌরজগতের দূরতম গ্রহ ভেনাস থেকে।

কারও কারও দাবি, মার্কিন সরকারকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সহযোগিতার পর মহাকাশযানে করেই নাকি তিনি পৃথিবী ত্যাগ করেন। যারা তাকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন তাদের মতে, থরের প্রতিটি হাতে ছিল ৬টি করে আঙ্গুল। সেগুলোর প্রতিটি ছিল কর্মক্ষম।

প্রয়াত প্রকৌশলী ও ভূবিজ্ঞানী ফিল স্নাইডার সেই ব্যক্তিকে খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন। তার দাবি ছিল, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের উচ্চমাত্রার গোপনীয় স্থানেও থর-এর ছিল অবাধ যাতায়াত।

প্রথম মাত্রার অনুমোদন (level-1 security clearance ) তো ছিলই, মার্কিনীদের গোপন বেশ কিছু স্থাপনা নির্মাণেও সহযোগিতা করেন থর। যার মধ্যে ছিল ভূগর্ভস্থ সামরিক আশ্রয়স্থল। এমনকি মার্কিনীদের গোপনতম সামরিক স্থাপনা এরিয়া ৫১ (Area 51) তৈরির পেছনেও ছিল তার সরাসরি যোগাযোগ।

স্নাইডার বলেছিলেন, থরের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের পরই তার বিশ্বাস আরো দৃঢ় হয়। আর এমন অনুভূতি শুধু তারই নয়, হয়েছে অনেকেরই। ড. ফ্রাঙ্ক স্ট্রেঞ্জার্স'ও তার “Stranger at the Pentagon” বইতে থর নামের রহস্যময় ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেন। এই ব্যক্তি সেসময় যে মার্কিন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ গোপন বৈঠকগুলোয় উপস্থিত থাকতেন তাও উঠে এসেছে সেই গ্রন্থে।

ড. স্ট্রেঞ্জার্স আরো জানিয়েছিলেন, শুধু হাতের ৬টি আঙ্গুলই ওই ব্যাক্তির অস্বাভাবিক অঙ্গ ছিল না। হৃদপিণ্ড, ফুসফুস ছিল স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বড়। তার রক্তে থাকা উপাদানেও ছিল আশ্চর্য পার্থক্য। ভেনাস গ্রহ থেকে আসা মানুষটির রক্তে কপার অক্সাইড উপাদান মেলে। সাগরতলের জীব অক্টোপাসের রক্তে যেমনটি থাকে।

তার মানসিক বৈশিষ্ট্যও তাক লাগার মতো, থরের আই কিউ লেভেল ছিল ১২০০ স্কেলের। এছাড়াও তিনি ১শ'টির বেশি ভাষায় অনর্গল কথাও বলতে পারতেন। সেগুলোর সব আবার পৃথিবীর ভাষা ছিল না।
নিজের পরিচয় অবশ্য গোপনও রাখেননি থর। মার্কিন উচ্চপদস্থদের নিজেই জানিয়েছিলেন তার আসল পরিচয়। তাদের গড় আয়ু ৪৯০ বছর বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। পৃথিবীর কল্যাণের উদ্দেশ্যেই নাকি ছিল তার আগমন! আর তাই, নিজেদের স্বার্থেই থরের সঙ্গে দেখা করেন তৎকালীন দুই মার্কিন প্রেসিডেন্ট Dwight Eisenhower এবং Richard Nixon.

Post A Comment: