শত বছরেরও বেশি সময় ধরে গাড়িকে ঘিরে মানুষের আবেগ পরিবর্তিত হয়েছে। কিন্তু মোটরগাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হোন্ডা চিত্রে পরিবর্তন আনতে চলেছে। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিতব্য ‘কনজ্যুমার ইলেক্ট্রনিক শো’তে মানুষের আবেগ বুঝতে সক্ষম গাড়ি উপস্থাপন করতে চলেছে হোন্ডা। হোন্ডা ‘ইমোশন ইঞ্জিন’ ভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন স্বয়ংক্রিয় বৈদ্যুতিক যাত্রীবাহী গাড়িটির নাম দিয়েছে ‘নিউভি’। ‘ইমোশন ইঞ্জিন’ প্রযুক্তিটি গাড়ির সাথে চালকের মিথস্ক্রিয়া তৈরিতে ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। মোটরগাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হোন্ডা এক বিবৃতিতে জানায়, “চলাচলের অভিজ্ঞতা রূপান্তরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিকস এবং বিগ ডাটায় শক্তি সঞ্জারের মাধ্যমে আজ ‘কোঅপারেটিভ মোবিলিটি ইকোসিস্টেম’ ঘোষণা করল হোন্ডা। এটি ২০১৭ সালের কনজ্যুমার ইলেক্ট্রনিক শোতে হোন্ডার প্রধান বিষয় থাকবে।” গাড়ি নির্মাণ ইন্ডাস্ট্রিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবট এবং বিগ ডাটার মতো ধারনাগুলো ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এগুলো ক্রমাগত টেক ইন্ডাস্ট্রির সাথে একীভূত হচ্ছে। সিলিকন ভ্যালি এবং জাপান-জার্মানির মোটরগাড়ি ইন্ডাস্ট্রিগুলো এখন একযোগে কাজ করছে। গুগলকার থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নতুন এ গাড়িটি তৈরির ছক তৈরি করেছে হোন্ডা। নিউভি নামের নতুন এ গাড়িটি আকারে ছোট এবং হালকা। শহরের ব্যস্ত রাস্তায়, ট্রাফিকের মধ্যে গাড়িটি কার্যকর। শহরের গাড়িগুলোর কর্মদক্ষতা নিয়ে গ্রাহকরা খুশি নন। তবে চালকবিহীন প্রযুক্তি এবং দ্রুতগামী ব্যবস্থাপনা গ্রাহকদের আশাবাদী করে তুলতে পারে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

 

শত বছরেরও বেশি সময় ধরে গাড়িকে ঘিরে মানুষের আবেগ পরিবর্তিত হয়েছে। কিন্তু মোটরগাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হোন্ডা চিত্রে পরিবর্তন আনতে চলেছে। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিতব্য ‘কনজ্যুমার ইলেক্ট্রনিক শো’তে মানুষের আবেগ বুঝতে সক্ষম গাড়ি উপস্থাপন করতে চলেছে হোন্ডা।

হোন্ডা ‘ইমোশন ইঞ্জিন’ ভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন স্বয়ংক্রিয় বৈদ্যুতিক যাত্রীবাহী গাড়িটির নাম দিয়েছে ‘নিউভি’। ‘ইমোশন ইঞ্জিন’ প্রযুক্তিটি গাড়ির সাথে চালকের মিথস্ক্রিয়া তৈরিতে ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

মোটরগাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হোন্ডা এক বিবৃতিতে জানায়, “চলাচলের অভিজ্ঞতা রূপান্তরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিকস এবং বিগ ডাটায় শক্তি সঞ্জারের মাধ্যমে আজ ‘কোঅপারেটিভ মোবিলিটি ইকোসিস্টেম’ ঘোষণা করল হোন্ডা। এটি ২০১৭ সালের কনজ্যুমার ইলেক্ট্রনিক শোতে হোন্ডার প্রধান বিষয় থাকবে।”

গাড়ি নির্মাণ ইন্ডাস্ট্রিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবট এবং বিগ ডাটার মতো ধারনাগুলো ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এগুলো ক্রমাগত টেক ইন্ডাস্ট্রির সাথে একীভূত হচ্ছে। সিলিকন ভ্যালি এবং জাপান-জার্মানির মোটরগাড়ি ইন্ডাস্ট্রিগুলো এখন একযোগে কাজ করছে। গুগলকার থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নতুন এ গাড়িটি তৈরির ছক তৈরি করেছে হোন্ডা।

নিউভি নামের নতুন এ গাড়িটি আকারে ছোট এবং হালকা। শহরের ব্যস্ত রাস্তায়, ট্রাফিকের মধ্যে গাড়িটি কার্যকর। শহরের গাড়িগুলোর কর্মদক্ষতা নিয়ে গ্রাহকরা খুশি নন। তবে চালকবিহীন প্রযুক্তি এবং দ্রুতগামী ব্যবস্থাপনা গ্রাহকদের আশাবাদী করে তুলতে পারে।


সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

Post A Comment: