অফিসকর্মীদের জন্য কাজের ধকল এক পরিচিত সমস্যার নাম। নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করা, চাপ, চাকরির নিরাপত্তা, নতুন কাজ, নতুন দায়িত্ব, লক্ষ্যমাত্রা প্রভৃতি নানা কারণে ধকল বেড়ে যায়। এ সময় সবকিছু বোঝা বলে মনে হয় এবং নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। সময় ব্যবস্থাপনা, ক্ষুদ্রতর প্রত্যাশা, নিয়ন্ত্রণযোগ্য দায়িত্ব গ্রহণের মতো নানা উপায়ে কাজের ধকল কাটানো যায়। তবে সম্প্রতি গবেষকেরা অফিস-সংক্রান্ত কাজে ধকল কাটানোর একটি দারুণ টোটকা পেয়েছেন। এই টোটকা হচ্ছে ফিট থাকা বা সুস্থ-সবল থাকা।

অফিসকর্মীদের জন্য কাজের ধকল এক পরিচিত সমস্যার নাম। নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করা, চাপ, চাকরির নিরাপত্তা, নতুন কাজ, নতুন দায়িত্ব, লক্ষ্যমাত্রা প্রভৃতি নানা কারণে ধকল বেড়ে যায়। এ সময় সবকিছু বোঝা বলে মনে হয় এবং নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। সময় ব্যবস্থাপনা, ক্ষুদ্রতর প্রত্যাশা, নিয়ন্ত্রণযোগ্য দায়িত্ব গ্রহণের মতো নানা উপায়ে কাজের ধকল কাটানো যায়। তবে সম্প্রতি গবেষকেরা অফিস-সংক্রান্ত কাজে ধকল কাটানোর একটি দারুণ টোটকা পেয়েছেন। এই টোটকা হচ্ছে ফিট থাকা বা সুস্থ-সবল থাকা।

গবেষকেরা বলছেন, নিয়মিত ব্যায়াম করে শারীরিকভাবে ফিট থাকলে কাজের ধকল থেকে যে স্বাস্থ্যগত সমস্যা তৈরি হয় তা থেকে সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব।গবেষণায় দেখা গেছে, যত বেশি ফিট থাকা যায় কর্মক্ষেত্রে কাজের চাপ থেকে তত বেশি সুরক্ষিত থাকা যায়। এ ধরনের চাপকে বলে সাইকোসোশ্যাল স্ট্রেস বা ‘মনোসামাজিক চাপ’।অফিসে অসুস্থতাজনিত অনুপস্থিত থাকার অন্যতম কারণ হচ্ছে এই মনোসামাজিক চাপ। এই চাপের সঙ্গে যুক্ত হয় মানসিক অসুস্থতা ও বিষাদগ্রস্ততার মতো উপসর্গ। এতে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি তৈরি হয়। উচ্চ রক্তচাপ বাড়ে।সুইজারল্যান্ডের গবেষকেরা এ গবেষণা করেছেন। বাসেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মার্কাস গারবার বলেন, গবেষণাটি এ কারণে গুরুত্বপূর্ণ যে, মানুষ বিষাদগ্রস্ত হয়ে পড়লে তখন তার শারীরিক কার্যক্রমও সীমিত হয়ে যায়। গবেষণায় এ বিষয়টি উঠে এসেছে।‘মেডিসিন অ্যান্ড সায়েন্স ইন স্পোর্টস অ্যান্ড এক্সারসাইজ’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণা-সংক্রান্ত নিবন্ধ।কাজের তীব্র ধকল কিংবা মানসিক বিষাদের সময় ব্যায়াম করাসহ শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা।অফিসকর্মীদের জন্য কাজের ধকল এক পরিচিত সমস্যার নাম। নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করা, চাপ, চাকরির নিরাপত্তা, নতুন কাজ, নতুন দায়িত্ব, লক্ষ্যমাত্রা প্রভৃতি নানা কারণে ধকল বেড়ে যায়। এ সময় সবকিছু বোঝা বলে মনে হয় এবং নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। সময় ব্যবস্থাপনা, ক্ষুদ্রতর প্রত্যাশা, নিয়ন্ত্রণযোগ্য দায়িত্ব গ্রহণের মতো নানা উপায়ে কাজের ধকল কাটানো যায়। তবে সম্প্রতি গবেষকেরা অফিস-সংক্রান্ত কাজে ধকল কাটানোর একটি দারুণ টোটকা পেয়েছেন। এই টোটকা হচ্ছে ফিট থাকা বা সুস্থ-সবল থাকা।

গবেষকেরা বলছেন, নিয়মিত ব্যায়াম করে শারীরিকভাবে ফিট থাকলে কাজের ধকল থেকে যে স্বাস্থ্যগত সমস্যা তৈরি হয় তা থেকে সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব।


গবেষণায় দেখা গেছে, যত বেশি ফিট থাকা যায় কর্মক্ষেত্রে কাজের চাপ থেকে তত বেশি সুরক্ষিত থাকা যায়। এ ধরনের চাপকে বলে সাইকোসোশ্যাল স্ট্রেস বা ‘মনোসামাজিক চাপ’।


অফিসে অসুস্থতাজনিত অনুপস্থিত থাকার অন্যতম কারণ হচ্ছে এই মনোসামাজিক চাপ। এই চাপের সঙ্গে যুক্ত হয় মানসিক অসুস্থতা ও বিষাদগ্রস্ততার মতো উপসর্গ। এতে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি তৈরি হয়। উচ্চ রক্তচাপ বাড়ে।


সুইজারল্যান্ডের গবেষকেরা এ গবেষণা করেছেন। বাসেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মার্কাস গারবার বলেন, গবেষণাটি এ কারণে গুরুত্বপূর্ণ যে, মানুষ বিষাদগ্রস্ত হয়ে পড়লে তখন তার শারীরিক কার্যক্রমও সীমিত হয়ে যায়। গবেষণায় এ বিষয়টি উঠে এসেছে।


‘মেডিসিন অ্যান্ড সায়েন্স ইন স্পোর্টস অ্যান্ড এক্সারসাইজ’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণা-সংক্রান্ত নিবন্ধ।


কাজের তীব্র ধকল কিংবা মানসিক বিষাদের সময় ব্যায়াম করাসহ শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা।

Post A Comment: