শরীরের প্রয়োজনে চাহিদার ওপর ভিত্তি করে আমরা খাবার গ্রহণ করি। কিন্তু অনেক সময় কর্মজীবীদের বিভিন্ন কারণে বাইরের খাবার খেতে হয়। কিন্তু বাইরে খাবার খেয়ে কীভাবে ডায়েট করা যায়?



শরীরের প্রয়োজনে চাহিদার ওপর ভিত্তি করে আমরা খাবার গ্রহণ করি। কিন্তু অনেক সময় কর্মজীবীদের বিভিন্ন কারণে বাইরের খাবার খেতে হয়। কিন্তু বাইরে খাবার খেয়ে কীভাবে ডায়েট করা যায়?


‘বাইরে খাবার খেতে হলেও ডায়েটের বিষয়ে সচেতন থাকা উচিত। অবশ্যই সতেজ ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার দিকে নজর দিতে হবে।’ এমনটাই মনে করেন বারডেম জেনারেল হাসপাতালের পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান শামসুন্নাহার নাহিদ। সে ক্ষেত্রে সকালে উঠে বাইরে খেতে হলেও পরোটা বা রুটি, ডিম, ডাল অথবা সবজি দিয়ে সকালের নাশতাটা করা উচিত। এরপর অফিসে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ পর সে হালকা নাশতা, যেমন বিস্কুট, ফল, পনির, অর্থাৎ তার চাহিদা ও সামর্থ্যের ওপর ভিত্তি করে খাবার খাওয়া উচিত।


দুপুরে কর্মজীবীদের অনেকেই প্যাকেট লাঞ্চ করতেই পছন্দ করেন, অর্থাৎ তেহারি, বিরিয়ানি অথবা খিচুড়ি। তবে এগুলো না খেয়ে দুপুরবেলা ভাত, মাছ, কখনো মাংস-ডাল, সবজি এবং সালাদ খেতে পারেন। খাবারের সময়টা দুই-তিনটার ভেতর হওয়া উচিত।


বিকেলবেলাটায় হালকা কিছু খাওয়া যেতে পারে, তবে অবশ্যই তাকে জাঙ্ক ফুড, অর্থাৎ তৈলাক্ত খাবার থেকে দূরে থাকতে হবে। বিকেলে নুডলস, ছোলা, হালিম, ডায়াবেটিস না থাকলে কেক অথবা মিষ্টি খেতে পারে। তবে যেটাই খাওয়া হোক না কেন, তা যেন অবশ্যই স্বাস্থ্যসম্মত হয়। কারণ, জাঙ্ক ফুড খাওয়ার ফলে অ্যাসিডিটি হয়, টেনশন বাড়ে এবং পেটের পীড়া দেখা দেয়।


রাতে খাবার তৈরি করা সম্ভব না হলে ফেরার পথে খাবার নিয়ে নিতে পারেন। যেমন ভাত, মাছ, ডাল, একটা সবজি, কখনো মুড়ি, রুটি, ওটস ইত্যাদি। কখনো ঘুমাতে দেরি হলে টকদই, দুধ ইত্যাদি খেতে পারে।


একজন কর্মজীবী মানুষ বাসার তৈরি খাবার না খেতে পারলেও তাঁকে পাঁচ-ছয় বেলা খাওয়া উচিত। চাহিদা ও সামর্থ্য অনুযায়ী ডায়েট করা উচিত। জাঙ্ক ফুড, তেলজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।

Post A Comment: